ঢাকা ০১:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই সনদের প্রতিটি দফা আমরা বাস্তবায়ন করব : প্রধানমন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপির শপথ আজ হত্যাচেষ্টা মামলায় হাসিনাসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি অনুমোদন: ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটির নির্দেশ ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করলো সৈকত খেলাঘর আসর নানাবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে নিখোঁজ শিশুর লাশ মিললো গর্তে কক্সবাজারে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল:গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে বিএনপিকে জনগণ নোট অব ডিসেন্ট দেবে খেলাঘরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঝিনুকমালার নানান আয়োজন  পেকুয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা কক্সবাজারে গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার টেকনাফে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু হঠাৎ রমনা থানা পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্কাউটসের শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড এর মৌখিক ও সাঁতার মূল্যায়ন অনুষ্ঠিত মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি : তারেক রহমান চকরিয়ায় ফুসলিয়ে নিয়ে গিয়ে আটবছরের শিশু মেয়েকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত পলাতক

দেশে প্রথমবারের মতো কক্সবাজার রেল স্টেশনে বসলো স্ক্যানার

দেশে প্রথমবারের মতো স্ক্যানার বসানো হলো কক্সবাজার রেল স্টেশনে। সোমবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অ্যাস্ট্রোফিজিক্স’ ব্র্যান্ডের স্ক্যানার মেশিনটি বাসানো হয় কক্সবাজার আইকনিক স্টেশনে।

কক্সবাজার আইকনিক রেল স্টেশন এর স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী জানান, রেলস্টেশনে লাগেজ স্ক্যানিং চালু হওয়ায় ট্রেনভিত্তিক অপরাধ রোধ, মাদক ও অবৈধ পণ্যের প্রবাহ ঠেকানো সহজ হবে।

গোলাম রব্বানী বলেন, কক্সবাজার থেকে মাদক ও চোরাচালান বেড়েছে, যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। তাই যাত্রীসেবা নিশ্চিত করার জন্য লাগেজ স্ক্যানিং মেশিন বসানো হয়েছে। তবে যাত্রীদের কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যাতে দুর্ভোগের শিকার না হয়। এক্ষেত্রে ট্রেন ছাড়ার অন্তত আধা-ঘন্টা আগেই স্টেশনে প্রবেশ করতে হবে যাত্রীদের।

সোমবার প্রথমদিনে দেখা গেছে, মূল স্টেশনের প্রবেশ মূখে ট্রেনে ওঠার আগে স্ক্যানার মেশিনে ব্যাগ রাখতে হচ্ছে যাত্রীদের। যা রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এবং নিরাপত্তা বাহিনী যৌথভাবে এই স্ক্যানিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। স্ক্যানিং করার সময় কোন ধরণের বস্তু শনাক্ত হলেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যাগ খুলে তা দেখছেন।

স্টেশন মাস্টার বলেন, এই মেশিনে ওষুধ জাতীয় দ্রব্য থেকে শুরু করে যেকোন আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক ও চোরাইপণ্য শনাক্ত করা যাবে। মেশিনে নির্দিষ্ট কিছু বস্তুর উপর শনাক্ত চিহ্ন রয়েছে, শনাক্ত হওয়া ব্যাগই শুধু তল্লাশী করা হচ্ছে। তবে যাত্রীদের বিড়ম্বনা সৃষ্টি না সেদিকটাও খেয়াল রাখা হচ্ছে।

যাত্রী রোহান উদ্দিন বলেন, এটা ভালো দিক। তবে যেন অহেতুক হয়রানি না হয়, সেটাও দেখতে হবে। নতুন এই উদ্যোগ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়। বর্তমানে কক্সবাজার-ঢাকা রুটে কক্সবাজার ও পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেন এবং কক্সবাজার-চট্টগ্রাম রুটে সৈকত ও প্রবাল এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা আমরা বাস্তবায়ন করব : প্রধানমন্ত্রী

দেশে প্রথমবারের মতো কক্সবাজার রেল স্টেশনে বসলো স্ক্যানার

আপডেট সময় : ০৬:০৭:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

দেশে প্রথমবারের মতো স্ক্যানার বসানো হলো কক্সবাজার রেল স্টেশনে। সোমবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অ্যাস্ট্রোফিজিক্স’ ব্র্যান্ডের স্ক্যানার মেশিনটি বাসানো হয় কক্সবাজার আইকনিক স্টেশনে।

কক্সবাজার আইকনিক রেল স্টেশন এর স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী জানান, রেলস্টেশনে লাগেজ স্ক্যানিং চালু হওয়ায় ট্রেনভিত্তিক অপরাধ রোধ, মাদক ও অবৈধ পণ্যের প্রবাহ ঠেকানো সহজ হবে।

গোলাম রব্বানী বলেন, কক্সবাজার থেকে মাদক ও চোরাচালান বেড়েছে, যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। তাই যাত্রীসেবা নিশ্চিত করার জন্য লাগেজ স্ক্যানিং মেশিন বসানো হয়েছে। তবে যাত্রীদের কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যাতে দুর্ভোগের শিকার না হয়। এক্ষেত্রে ট্রেন ছাড়ার অন্তত আধা-ঘন্টা আগেই স্টেশনে প্রবেশ করতে হবে যাত্রীদের।

সোমবার প্রথমদিনে দেখা গেছে, মূল স্টেশনের প্রবেশ মূখে ট্রেনে ওঠার আগে স্ক্যানার মেশিনে ব্যাগ রাখতে হচ্ছে যাত্রীদের। যা রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এবং নিরাপত্তা বাহিনী যৌথভাবে এই স্ক্যানিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। স্ক্যানিং করার সময় কোন ধরণের বস্তু শনাক্ত হলেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যাগ খুলে তা দেখছেন।

স্টেশন মাস্টার বলেন, এই মেশিনে ওষুধ জাতীয় দ্রব্য থেকে শুরু করে যেকোন আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক ও চোরাইপণ্য শনাক্ত করা যাবে। মেশিনে নির্দিষ্ট কিছু বস্তুর উপর শনাক্ত চিহ্ন রয়েছে, শনাক্ত হওয়া ব্যাগই শুধু তল্লাশী করা হচ্ছে। তবে যাত্রীদের বিড়ম্বনা সৃষ্টি না সেদিকটাও খেয়াল রাখা হচ্ছে।

যাত্রী রোহান উদ্দিন বলেন, এটা ভালো দিক। তবে যেন অহেতুক হয়রানি না হয়, সেটাও দেখতে হবে। নতুন এই উদ্যোগ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়। বর্তমানে কক্সবাজার-ঢাকা রুটে কক্সবাজার ও পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেন এবং কক্সবাজার-চট্টগ্রাম রুটে সৈকত ও প্রবাল এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করছে।