ঢাকা ০১:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ : সারাদেশে বৃষ্টি বাড়ার সম্ভাবনা, কমবে তাপদাহ বিশ্ব গণ্ডার দিবস আজ বিশ্বমঞ্চে প্রথম ভাষণ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ আসছেন কক্সবাজার : যাবেন টেকনাফ,কুতুবদিয়া ও পেকুয়ায় ৩ দিনের সফরে কক্সবাজার আসছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী ১ দিনের সফরে কক্সবাজার আসছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ঈদগড় ইউপি নির্বাচনে সৌদি প্রবাসী মঈন উদ্দিনের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা কক্সবাজারে পুলিশের বিশেষ অভিযান : গ্রেপ্তার ১০ মহেশখালীতে স্কুলছাত্রকে ডিশের ক্যাবল দিয়ে পিটিয়ে জখম করলো শিক্ষক, থানায় অভিযোগ হঠাৎ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পরিস্থিতি দেখতে ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক, যা বললেন রাস্তা পার হতে গিয়ে গাড়ির ধাক্কা, ঘটনাস্থলেই শিশুর মৃত্যু ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে মানসিক চাপ, সৌদি আরবে লোহাগাড়ার যুবকের মরদেহ উদ্ধার লোহাগাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় চার যুবক গ্রেপ্তার, আদালতে সোপর্দ চাকরি দেয়ার নামে কিশোর অপহরণ : উখিয়ায় মানবপাচার চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার পুলিশ সুপারের বক্তব্যের নিন্দা কক্সবাজার আইনজীবী সমিতির : জেলা জজকে অবহিত করার সিদ্ধান্ত
কক্সবাজার গোল্ডকাপ ফাইনালে তাণ্ডব

৯৫০ আসামির মধ্যে একজনকে আটক

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে সংঘটিত ব্যাপক ভাঙচুর, হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দুই মামলা হয়। যেখানে ৯৫০ জনকে আসামি করা হয়েছিলো। তবে এ পর্যন্ত পুলিশ একমাত্র রবিউল নামে একজনকে আটক করেছে।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কক্সবাজার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার মো. সাইফ উদ্দিন।

তিনি জানান, “ফাইনাল ম্যাচের দিন স্টেডিয়ামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ঘটনায় রবিউলকে আটক করা হয়েছে। তিনি টিকিট ছাড়া লোক প্রবেশ করানোসহ দালালচক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে বাকি অভিযুক্তদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।”

১৪ সেপ্টেম্বর জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন বাদী হয়ে দুই ইজারাদার মোহাম্মদ ইব্রাহিম বাবু ও শাফায়েত মুন্নার নাম উল্লেখ করে প্রায় ৭০০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। একই দিন পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির অভিযোগে আরও ২৫০ জনকে আসামি করে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশ।

ফাইনাল ম্যাচটি ১২ সেপ্টেম্বর বিকাল ৩টায় রামু বনাম টেকনাফে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে খেলা শুরুর আগেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। জুমার দিন হলেও সকাল ১১টার মধ্যেই গ্যালারিতে দর্শকদের ভিড় শুরু হয়। দুপুর ২টার মধ্যেই স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত দর্শক প্রবেশ করে। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা প্রবেশ গেট ভেঙে মাঠে ঢুকে পড়ে।

পুলিশ, র‍্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও দর্শকরা মাঠের বাইরে থেকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এরপর খেলাটি স্থগিত ঘোষণা করা হলে বিক্ষুব্ধ দর্শকরা ফের স্টেডিয়ামে ঢুকে ড্রেসিং রুম, প্রেসবক্স, চেয়ার, ভবনের কাঁচ ও গোলপোস্টও ভেঙে ফেলে। পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

এই ঘটনায় সদর উপজেলার ইউএনও নিলুফার ইয়াসমিন চৌধুরী, সদর থানার ওসি তদন্ত ফারুক হোসেনসহ অন্তত ৫০ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্য আহত হয়েছেন।

পুলিশ সুপার সাইফ উদ্দিন বলেন, “এই ঘটনার সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সব ধরনের আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ : সারাদেশে বৃষ্টি বাড়ার সম্ভাবনা, কমবে তাপদাহ

কক্সবাজার গোল্ডকাপ ফাইনালে তাণ্ডব

৯৫০ আসামির মধ্যে একজনকে আটক

আপডেট সময় : ০৫:২৭:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে সংঘটিত ব্যাপক ভাঙচুর, হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দুই মামলা হয়। যেখানে ৯৫০ জনকে আসামি করা হয়েছিলো। তবে এ পর্যন্ত পুলিশ একমাত্র রবিউল নামে একজনকে আটক করেছে।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কক্সবাজার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার মো. সাইফ উদ্দিন।

তিনি জানান, “ফাইনাল ম্যাচের দিন স্টেডিয়ামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ঘটনায় রবিউলকে আটক করা হয়েছে। তিনি টিকিট ছাড়া লোক প্রবেশ করানোসহ দালালচক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে বাকি অভিযুক্তদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।”

১৪ সেপ্টেম্বর জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন বাদী হয়ে দুই ইজারাদার মোহাম্মদ ইব্রাহিম বাবু ও শাফায়েত মুন্নার নাম উল্লেখ করে প্রায় ৭০০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। একই দিন পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির অভিযোগে আরও ২৫০ জনকে আসামি করে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশ।

ফাইনাল ম্যাচটি ১২ সেপ্টেম্বর বিকাল ৩টায় রামু বনাম টেকনাফে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে খেলা শুরুর আগেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। জুমার দিন হলেও সকাল ১১টার মধ্যেই গ্যালারিতে দর্শকদের ভিড় শুরু হয়। দুপুর ২টার মধ্যেই স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত দর্শক প্রবেশ করে। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা প্রবেশ গেট ভেঙে মাঠে ঢুকে পড়ে।

পুলিশ, র‍্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও দর্শকরা মাঠের বাইরে থেকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এরপর খেলাটি স্থগিত ঘোষণা করা হলে বিক্ষুব্ধ দর্শকরা ফের স্টেডিয়ামে ঢুকে ড্রেসিং রুম, প্রেসবক্স, চেয়ার, ভবনের কাঁচ ও গোলপোস্টও ভেঙে ফেলে। পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

এই ঘটনায় সদর উপজেলার ইউএনও নিলুফার ইয়াসমিন চৌধুরী, সদর থানার ওসি তদন্ত ফারুক হোসেনসহ অন্তত ৫০ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্য আহত হয়েছেন।

পুলিশ সুপার সাইফ উদ্দিন বলেন, “এই ঘটনার সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সব ধরনের আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”