ঢাকা ০৩:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের জন্য আলাদা কারাগার তৈরীর প্রস্তাব। কক্সবাজারে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‍্যালি নাইক্ষ্যংছড়িতে বৃদ্ধার বোরকার ভিতরে মিলল ২০ হাজার ইয়াবা ২০২৬ বিশ্বকাপের ৪৮ দলের স্কোয়াড দেখে নিন এক নজরে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে ৬৫ ভাগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মুক্ত রাখা হয়েছে : তথ্যমন্ত্রী কক্সবাজার উপকূলে এগোচ্ছে মৌসুমীবায়ু, দেশজুড়ে টানা বৃষ্টির আভাস ফুটবল রোমাঞ্চে ভরা রাত- মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও পর্তুগাল হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশনে আজ ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ মানবতার আয়োজনে মানববর্জ্যে পরিবেশের বাজছে বারোটা! ‌আপা-ভাইয়া বনাম “স্যার-ম্যডাম”: আমলাতন্ত্রের ভাষায় ঔপনিবেশিকতার দীর্ঘ ছায়া নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত থেকে তিন কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে যারা টেকনাফে শীঘ্রই কমিটি পাচ্ছে ছাত্রদল গলায় চানাচুর আঁটকে শিশু আবিদের মৃত্যু উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে পৃথক অভিযান: ৫ লাখ ৭২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১ ফুটবল বিশ্বকাপ: হিসাব–নিকাশে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে কারা
কক্সবাজার গোল্ডকাপ ফাইনালে তাণ্ডব

৯৫০ আসামির মধ্যে একজনকে আটক

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে সংঘটিত ব্যাপক ভাঙচুর, হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দুই মামলা হয়। যেখানে ৯৫০ জনকে আসামি করা হয়েছিলো। তবে এ পর্যন্ত পুলিশ একমাত্র রবিউল নামে একজনকে আটক করেছে।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কক্সবাজার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার মো. সাইফ উদ্দিন।

তিনি জানান, “ফাইনাল ম্যাচের দিন স্টেডিয়ামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ঘটনায় রবিউলকে আটক করা হয়েছে। তিনি টিকিট ছাড়া লোক প্রবেশ করানোসহ দালালচক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে বাকি অভিযুক্তদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।”

১৪ সেপ্টেম্বর জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন বাদী হয়ে দুই ইজারাদার মোহাম্মদ ইব্রাহিম বাবু ও শাফায়েত মুন্নার নাম উল্লেখ করে প্রায় ৭০০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। একই দিন পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির অভিযোগে আরও ২৫০ জনকে আসামি করে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশ।

ফাইনাল ম্যাচটি ১২ সেপ্টেম্বর বিকাল ৩টায় রামু বনাম টেকনাফে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে খেলা শুরুর আগেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। জুমার দিন হলেও সকাল ১১টার মধ্যেই গ্যালারিতে দর্শকদের ভিড় শুরু হয়। দুপুর ২টার মধ্যেই স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত দর্শক প্রবেশ করে। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা প্রবেশ গেট ভেঙে মাঠে ঢুকে পড়ে।

পুলিশ, র‍্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও দর্শকরা মাঠের বাইরে থেকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এরপর খেলাটি স্থগিত ঘোষণা করা হলে বিক্ষুব্ধ দর্শকরা ফের স্টেডিয়ামে ঢুকে ড্রেসিং রুম, প্রেসবক্স, চেয়ার, ভবনের কাঁচ ও গোলপোস্টও ভেঙে ফেলে। পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

এই ঘটনায় সদর উপজেলার ইউএনও নিলুফার ইয়াসমিন চৌধুরী, সদর থানার ওসি তদন্ত ফারুক হোসেনসহ অন্তত ৫০ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্য আহত হয়েছেন।

পুলিশ সুপার সাইফ উদ্দিন বলেন, “এই ঘটনার সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সব ধরনের আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গাদের জন্য আলাদা কারাগার তৈরীর প্রস্তাব।

কক্সবাজার গোল্ডকাপ ফাইনালে তাণ্ডব

৯৫০ আসামির মধ্যে একজনকে আটক

আপডেট সময় : ০৫:২৭:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে সংঘটিত ব্যাপক ভাঙচুর, হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দুই মামলা হয়। যেখানে ৯৫০ জনকে আসামি করা হয়েছিলো। তবে এ পর্যন্ত পুলিশ একমাত্র রবিউল নামে একজনকে আটক করেছে।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কক্সবাজার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার মো. সাইফ উদ্দিন।

তিনি জানান, “ফাইনাল ম্যাচের দিন স্টেডিয়ামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ঘটনায় রবিউলকে আটক করা হয়েছে। তিনি টিকিট ছাড়া লোক প্রবেশ করানোসহ দালালচক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে বাকি অভিযুক্তদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।”

১৪ সেপ্টেম্বর জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন বাদী হয়ে দুই ইজারাদার মোহাম্মদ ইব্রাহিম বাবু ও শাফায়েত মুন্নার নাম উল্লেখ করে প্রায় ৭০০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। একই দিন পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির অভিযোগে আরও ২৫০ জনকে আসামি করে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশ।

ফাইনাল ম্যাচটি ১২ সেপ্টেম্বর বিকাল ৩টায় রামু বনাম টেকনাফে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে খেলা শুরুর আগেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। জুমার দিন হলেও সকাল ১১টার মধ্যেই গ্যালারিতে দর্শকদের ভিড় শুরু হয়। দুপুর ২টার মধ্যেই স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত দর্শক প্রবেশ করে। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা প্রবেশ গেট ভেঙে মাঠে ঢুকে পড়ে।

পুলিশ, র‍্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও দর্শকরা মাঠের বাইরে থেকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এরপর খেলাটি স্থগিত ঘোষণা করা হলে বিক্ষুব্ধ দর্শকরা ফের স্টেডিয়ামে ঢুকে ড্রেসিং রুম, প্রেসবক্স, চেয়ার, ভবনের কাঁচ ও গোলপোস্টও ভেঙে ফেলে। পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

এই ঘটনায় সদর উপজেলার ইউএনও নিলুফার ইয়াসমিন চৌধুরী, সদর থানার ওসি তদন্ত ফারুক হোসেনসহ অন্তত ৫০ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্য আহত হয়েছেন।

পুলিশ সুপার সাইফ উদ্দিন বলেন, “এই ঘটনার সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সব ধরনের আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”