ঢাকা ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শারদীয় দূর্গোৎসব সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনে সর্বদলীয় মতবিনিময় সভা প্রকাশিত সংবাদের ব্যাপারে রামু সরকারি কলেজের সহকারি অধ্যাপক শহীদুল হক কাজলের বক্তব্য কুতুবদিয়ায় বিসিবির বয়সভিত্তিক ক্রিকেটার বাছাই, দুই শতাধিক খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণ মানবসেবার তিন দশক: কক্সবাজার সদরের শ্রেষ্ঠ সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক চৌফলদন্ডির হালিমা বেগম লবণসহিষ্ণু জাতে সাফল্য, কক্সবাজারের লবণ মাঠে হচ্ছে ধান চাষ বারবাকিয়ায় ১১ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিও, এলাকাজুড়ে স্বস্তি পুণরায় ফুটপাত দখল করলে আইনের আওতায় আনা হবে:ইউএনও চকরিয়া লোহাগাড়ায় নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে অশোভন আচরণ, যুবক আটক বিশ্ব মান দিবসের আলোচনা সভা, অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার আহবান উখিয়ায় খালে ড্রেজার মেশিন দিয়ে কোটি টাকার বালু উত্তোলন, ধ্বংস হচ্ছে পরিবেশ, নিরব ভূমিকায় প্রশাসন খুনিয়াপালংয়ে বালু উত্তোলন : ড্রেজার ও পাইপ জব্দ কক্সবাজার–মহেশখালী নৌপথে সি-ট্রাকের ভাড়া পুনর্নির্ধারণ, সর্বনিম্ন ৩৫ টাকা মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সমুদ্রবন্দর পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি ২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস, থামবে যেসব স্টেশনে লামায় স্কুলে যাওয়ার পথে নিখোঁজ ৩ কিশোরী, তিন দিনেও মেলেনি সন্ধান

৮ বছর পর আলোয় আলোকময় রাতের সৈকত

  • আফজারা রিয়া:
  • আপডেট সময় : ০৭:১৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 429

দীর্ঘদিন ধরে যে অন্ধকারে লুকিয়ে ছিল অপরাধ আর ভয়।অবশেষে সে অন্ধকার মুছে গেছে নতুন আলোয়। দীর্ঘ ৮ বছর পর আবারো সৈকতের পিলার গুলোতে বসলো লাইট৷ জ্বললো বাতি।

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের ডায়াবেটিস পয়েন্ট থেকে কলাতলী পর্যন্ত পুরো সৈকতজুড়ে স্থাপন করা হয়েছে  হেলোজেন লাইট। ফলে রাতের সৈকত এখন শুধু সৌন্দর্যমণ্ডিতই নয়,আরও নিরাপদ।

কক্সবাজারে হানিমুন করতে আসা ঢাকা বনানীর ফয়সাল আহমেদ ও তার স্ত্রী নয়না ফাতিমা জানান,লাইট লাগানোর ফলে রাতের সৈকত কে দেখতে বেশ সুন্দর লাগছে আর নিরাপদবোধ করছি।

কক্সবাজারে স্থানীয় বাসিন্দা নিলুফার জাহান এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলছেন, আগে সন্ধ্যা নামলেই সৈকত অন্ধকারে ডুবে যেত। এখন পরিবার নিয়ে নিশ্চিন্তে বিচে হাঁটাচলা করা যাচ্ছে।

৮ নভেম্বর থেকে সৈকতে লাইট স্থাপনের কাজ শুরু হয় বলে জানিয়েছেন এ কাজের তত্ত্বাবধানকারীরা। বীচ কর্মীদের সুপারভাইজার মাহাবুব বলেন,বর্তমানে অর্ধশতাধিক লাইট লাগানো হয়েছে। আগের অনেক পিলার অকেজো হয়ে পড়ায় নতুন করে লাগাতে হয়েছে হোল্ডার, তারসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ।

নতুন লাইটগুলোর কোনোটি ৪০০ ওয়াট, কোনোটি আবার ৭০০ ওয়াটের। তাই ঝাউবন আর সাগরপাড় থেকে শুরু করে পুরো বিচ এখন উজ্জ্বল আলোয় ভরে উঠেছে।

জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আজিম খান জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই সৈকতে প্রথম ধাপের লাইট স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে,প্রথমধাপে ডায়বেটিস পয়েন্ট থেকে কলাতলী পর্যন্ত লাইট বসানো হয়েছে, পর্যায়ক্রমে অন্যান্য পয়েন্টেও বসানো হবে।

জানা যায়,২০১৭ সালে বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির অর্থায়নে ডায়াবেটিস পয়েন্ট থেকে কলাতলী পর্যন্ত ১১৯টি স্ট্রিটলাইট বসানো হলেও এর মধ্যে ৭৮টি বাতি অচল হয়ে পড়ে। ফলে সন্ধ্যার পর সৈকত পরিণত হয় ছিনতাইকারীদের অভয়ারণ্যে। ভুতুড়ে অন্ধকার নিয়ে গণমাধ্যমসহ টিটিএনে ধারাবাহিক সংবাদ প্রচারের পর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। শুরু হয় নতুন করে আলো স্থাপনের উদ্যোগ।

পর্যটকেরা বলছেন, নবসজ্জিত আলো শুধু সৈকতের সৌন্দর্যই বাড়ায়নি।ফিরিয়ে এনেছে নিরাপত্তা, স্বস্তি আর নির্ভরতার পরিবেশ। অন্ধকারের ভয় কাটিয়ে কক্সবাজারের রাতের সৈকত এখন আবারও প্রাণবন্ত।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

শারদীয় দূর্গোৎসব সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনে সর্বদলীয় মতবিনিময় সভা

৮ বছর পর আলোয় আলোকময় রাতের সৈকত

আপডেট সময় : ০৭:১৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

দীর্ঘদিন ধরে যে অন্ধকারে লুকিয়ে ছিল অপরাধ আর ভয়।অবশেষে সে অন্ধকার মুছে গেছে নতুন আলোয়। দীর্ঘ ৮ বছর পর আবারো সৈকতের পিলার গুলোতে বসলো লাইট৷ জ্বললো বাতি।

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের ডায়াবেটিস পয়েন্ট থেকে কলাতলী পর্যন্ত পুরো সৈকতজুড়ে স্থাপন করা হয়েছে  হেলোজেন লাইট। ফলে রাতের সৈকত এখন শুধু সৌন্দর্যমণ্ডিতই নয়,আরও নিরাপদ।

কক্সবাজারে হানিমুন করতে আসা ঢাকা বনানীর ফয়সাল আহমেদ ও তার স্ত্রী নয়না ফাতিমা জানান,লাইট লাগানোর ফলে রাতের সৈকত কে দেখতে বেশ সুন্দর লাগছে আর নিরাপদবোধ করছি।

কক্সবাজারে স্থানীয় বাসিন্দা নিলুফার জাহান এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলছেন, আগে সন্ধ্যা নামলেই সৈকত অন্ধকারে ডুবে যেত। এখন পরিবার নিয়ে নিশ্চিন্তে বিচে হাঁটাচলা করা যাচ্ছে।

৮ নভেম্বর থেকে সৈকতে লাইট স্থাপনের কাজ শুরু হয় বলে জানিয়েছেন এ কাজের তত্ত্বাবধানকারীরা। বীচ কর্মীদের সুপারভাইজার মাহাবুব বলেন,বর্তমানে অর্ধশতাধিক লাইট লাগানো হয়েছে। আগের অনেক পিলার অকেজো হয়ে পড়ায় নতুন করে লাগাতে হয়েছে হোল্ডার, তারসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ।

নতুন লাইটগুলোর কোনোটি ৪০০ ওয়াট, কোনোটি আবার ৭০০ ওয়াটের। তাই ঝাউবন আর সাগরপাড় থেকে শুরু করে পুরো বিচ এখন উজ্জ্বল আলোয় ভরে উঠেছে।

জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আজিম খান জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই সৈকতে প্রথম ধাপের লাইট স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে,প্রথমধাপে ডায়বেটিস পয়েন্ট থেকে কলাতলী পর্যন্ত লাইট বসানো হয়েছে, পর্যায়ক্রমে অন্যান্য পয়েন্টেও বসানো হবে।

জানা যায়,২০১৭ সালে বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির অর্থায়নে ডায়াবেটিস পয়েন্ট থেকে কলাতলী পর্যন্ত ১১৯টি স্ট্রিটলাইট বসানো হলেও এর মধ্যে ৭৮টি বাতি অচল হয়ে পড়ে। ফলে সন্ধ্যার পর সৈকত পরিণত হয় ছিনতাইকারীদের অভয়ারণ্যে। ভুতুড়ে অন্ধকার নিয়ে গণমাধ্যমসহ টিটিএনে ধারাবাহিক সংবাদ প্রচারের পর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। শুরু হয় নতুন করে আলো স্থাপনের উদ্যোগ।

পর্যটকেরা বলছেন, নবসজ্জিত আলো শুধু সৈকতের সৌন্দর্যই বাড়ায়নি।ফিরিয়ে এনেছে নিরাপত্তা, স্বস্তি আর নির্ভরতার পরিবেশ। অন্ধকারের ভয় কাটিয়ে কক্সবাজারের রাতের সৈকত এখন আবারও প্রাণবন্ত।