কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ‘মাতামুহুরী’ নামে নতুন উপজেলা গঠনের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চূড়ান্ত ধাপে পৌঁছেছে। সরকারের প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ সভার আলোচ্যসূচিতে এই প্রস্তাবটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গত ০৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক নোটিশের মাধ্যমে এই তথ্য জানা গেছে। প্রকাশিত কার্যতালিকা অনুযায়ী, চকরিয়া উপজেলার উপকূলীয় ও মাতামুহুরী নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোর সমন্বয়ে এই নতুন প্রশাসনিক ইউনিট গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ‘প্রাক-নিকার’ সচিব কমিটির সভায় উত্থাপিত প্রস্তাবগুলোর মধ্যে ৪ নম্বর ক্রমিকে মাতামুহুরী উপজেলা গঠনের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে স্থান পেয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাবটি সভায় উপস্থাপন করা হয়।
দীর্ঘদিনের জনদাবি মেনে চকরিয়া উপজেলার অন্তর্গত ০৭ (সাত) টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে এই নতুন উপজেলাটি গঠিত হতে যাচ্ছে। ভৌগোলিক দূরত্ব এবং সাধারণ মানুষের প্রশাসনিক ভোগান্তি কমাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। মাতামুহুরী নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই অঞ্চলের মানুষের জন্য নতুন উপজেলাটি হবে উন্নয়নের নতুন মাইলফলক।
সচিব কমিটির সুপারিশের পর এটি নিকার (NICAR) সভায় চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পেশ করা হবে। নিকার প্রধান তথা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চূড়ান্ত স্বাক্ষরের পর গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন এই উপজেলার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে।
এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নির্দেশে চকরিয়া উপজেলা ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসন কাজ শুরু করে মাতামুহুরি উপজেলা বাস্তবায়নের প্রাথমিক কাজ। সমীক্ষা প্রতিবেদন প্রেরণসহ কয়েকদফা আনুষাঙ্গিক পত্র প্রেরণও করা হয় ঢাকায়।
মাতামুহুরিকে উপেজেলায় রুপান্তর করা ছিলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি। নির্বাচনের ২ মাস না যেতেই মাতামুহুরি উপজেলা বাস্তবায়নের প্রভূত অগ্রগতি চকরিয়া পেকুয়ার মানুষকে আশান্বিত করেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।
অন্যদিকে পেকুয়া পৌরসভা বাস্তবায়নের কাজও শুরু হয়েছে। এটাও ছিলো সালাহউদ্দিন আহমদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি।
বিশেষ প্রতিবেদক,ঢাকা: 






















