ঢাকা ০২:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক  ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ ১৭ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা জুলাইয়ের আগে যা দেখেছিলাম জুলাইয়ের পরেও তা দেখি: সারজিস বৃষ্টি কমবে কবে, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে আজ থেকে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক টেকনাফে ২০০ ফুট উঁচু পাহাড় থেকে পড়ে আহত বন্য মা হাতিটির মৃত্যু সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই টেকনাফে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩৮০ পরিবারকে জরুরি সহায়তা দিচ্ছে যুব সংগঠন কক্সবাজারের বন্যার্তদের মাঝে জেলা ছাত্রদলের শুকনো খাবার ও সুপেয় পানি বিতরণ পাহাড়ধস : রান্না ঘরে প্রাণ গেলো কলাতলীর গৃহবধূ রোজিনার চকরিয়া-মাতামুহুরীতে খাবার আর বিশুদ্ধ পানির সংকট পেকুয়ায় বন্যার পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু ইয়াবা লুট চক্রের রবিউল ইসলাম বাবুর নতুন কৌশল! তথ্য উদ্ধারকারী জিল্লুর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের চেষ্টা : স্বীকার করলেন ওসি চকরিয়ার কৈয়ারবিলে বন্যার পানিতে কিশোর নিখোঁজ পাহাড় থেকে পড়ে আহত হাতিটির দ্রুত চিকিৎসার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

তীব্র গরমেও পর্যটকের ঢল, নোনাজলে খুঁজছে স্বস্তি

চৈত্রের বিকেল। সূর্যের তেজ তখনো কমেনি। লাল আলো এসে পড়েছে সৈকতে। প্রকৃতিতে বৈশাখ কড়া নাড়ছে। দাবদাহের কারণে তাপমাত্রা বেশ উষ্ণ। তাই একটু স্বস্তির আশায় বিশ্বের দীর্ঘতম কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লোনাজলে নেমেছে পর্যটকের ঢল।

কক্সবাজারের কলাতলী সৈকতে দেখা হয় ঢাকা থেকে আসা চার বন্ধুর সঙ্গে। তপ্ত বালুকাবেলায় দ্রুত পায়ে হেঁটে সাগরে নামছেন তারা। উদ্দেশ্য, লোনাজলে গাঁ ভিজিয়ে স্বস্তি খোঁজা।

তাদের একজন আবুল ইনসান। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এই চাকরিজীবী চার বন্ধুর সঙ্গে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে কক্সবাজার বেড়াতে এসেছেন।

তার ভাষ্য, ঢাকায় তীব্র গরম। কক্সবাজারের পাহাড় সাগরের মিতালিতে স্বস্তি পেতে আমাদের এ ভ্রমণ। বন্ধুদের সঙ্গে পুরো একবেলা সাগরের ঢেউয়ে খেলায় মেতে খুব আনন্দ পেয়েছি।

রোববার (১২ এপ্রিল) সকাল থেকে সৈকতের সুগন্ধা, লাবনী ও কলাতলী পয়েন্টজুড়ে দেখা গেছে কানায় কানায় পূর্ণ মানুষের ভিড়। বালুচর যেন আগুনের মতো গরম, তবুও তা উপেক্ষা করে নারী, পুরুষ ও শিশুরা দৌড়ে নেমে পড়ছেন সাগরের জলে। ঢেউয়ের সঙ্গে লাফালাফি, টিউবে ভেসে থাকা কিংবা জেট স্কিতে ছুটে চলা। সব মিলিয়ে সৈকতজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ।

দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের ভাষায়, তীব্র গরমের মধ্যেও সমুদ্রের ঠান্ডা বাতাস আর নোনাজলের স্পর্শে মিলছে ভিন্নরকম প্রশান্তি। কুমিল্লা থেকে আসা সাইফুল করিমের ভাষ্য, “বাচ্চারা সবসময় সমুদ্র ভালোবাসে। খোলা পরিবেশ আর ঢেউয়ের মধ্যে তারা অন্যরকম আনন্দ পায়।”

ঢাকার বাড্ডা থেকে আসা হায়দার আলীর মতে, “শহরের গরম থেকে একটু স্বস্তি পেতেই এখানে আসা। সমুদ্রের পানিতে নামলেই গরম ভুলে যাই।”

গাজীপুরের রাশেদুল হাসানের ভাষায়, “ইট-পাথরের শহর ছেড়ে সমুদ্রের টানে এখানে এসেছি। ঢেউয়ের কাছে এসে সব ক্লান্তি দূর হয়ে গেছে।”

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঈদের পরে পহেলা বৈশাখকে ঘিরে পর্যটক বাড়ায় চাঙ্গা হয়ে উঠেছে সৈকতপাড়ের অর্থনীতি। ফটোগ্রাফার, বিচ বাইক চালক, ঘোড়াওয়ালা ও জেট স্কি ব্যবসায়ীদের মুখে ফুটেছে হাসি।

ঈদের সময়ের মতো ভিড় না হলেও এখনো পর্যটক আছে মন্তব্য করে ফটোগ্রাফার আফাজ উদ্দিন জানান, “এতে আমাদের আয় ভালো হচ্ছে।”

বিচ বাইক চালক মো. মনির জানান, “পহেলা বৈশাখের দিন ভিড় আরও বাড়বে। পর্যটক বাড়ায় ব্যবসাও ভালো চলছে।”

একই সঙ্গে নিরাপত্তা নিশ্চিতে সক্রিয় রয়েছে লাইফগার্ড কর্মীরা। সমুদ্রের উত্তাল ঢেউয়ের কারণে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। সী সেফ লাইফ গার্ড সংস্থার কর্মীরা জানিয়েছেন, লাল, হলুদ পতাকা দিয়ে নিরাপদ-অনিরাপদ এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। লাইফগার্ড টাওয়ার থেকে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে। পেট্রোল টিম ও রেসকিউ বোর্ডসহ টহলও জোরদার করা হয়েছে।

লাইফগার্ড কর্মী জয়নাল আবেদীন ভূট্টো বলেন, “পরিবার নিয়ে আসা অনেক শিশুই মাঝে মাঝে হারিয়ে যায়। আমরা দ্রুত মাইকিং ও টহলের মাধ্যমে তাদের খুঁজে বের করে অভিভাবকদের কাছে পৌঁছে দিই। তবে সম্প্রতি সাগরের পানিতে কোন অপমৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।”

পর্যটকের চাপ বাড়ায় ট্যুরিস্ট পুলিশও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। কক্সবাজার রিজিয়নের পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠকের ভাষ্য, শুধু প্রধান সৈকত নয়, কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ, হিমছড়ি, ইনানী ও পাটুয়ারটেক এলাকাতেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

এদিকে সামনে পহেলা বৈশাখ ঘিরে কক্সবাজারে বাড়ছে উৎসবের আমেজ। শহরজুড়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, উন্মুক্ত মঞ্চে নাচ-গান, গ্রামীণ মেলা ও বাঙালিয়ানার নানা আয়োজনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক খোরশেদ আলম জানিয়েছেন, কক্সবাজারের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ঐতিহ্যবাহী পান্তা-ভাতের আয়োজন, গ্রামীণ মেলা এবং ‘যেমন খুশি তেমন সাজ’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে।

তার ভাষ্য, এসব আয়োজন উপভোগের পাশাপাশি পহেলা বৈশাখের সকাল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাজারো মানুষ নেমে পড়বেন সমুদ্রে। কেউ ছবি তুলছেন, কেউবা পরিবার পরিজন নিয়ে আনন্দে মেতে উঠবেন।

হোটেল-রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান নিশ্চিত করেন, নববর্ষ উপলক্ষে বিভিন্ন হোটেলে বিশেষ আয়োজন রাখা হয়েছে। দেশীয় সংস্কৃতির নানা উপস্থাপনা পর্যটকদের আকৃষ্ট করবে।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান নিশ্চিত করেছেন, “দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ দিনরাত কাজ করছে।”

হোটেল-রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আলী আশা করছেন, সাপ্তাহিক ছুটি ও পহেলা বৈশাখের ছুটিকে ঘিরে এই পর্যটক প্রবাহ আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে।

তিনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জানান, তীব্র গরম কিংবা উত্তাল ঢেউ, কোনো কিছুই যেন থামাতে পারছে না ভ্রমণপিপাসুদের এই আনন্দযাত্রা। এতে পর্যটন সংশ্লিষ্টরা লাভবান হবেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক 

তীব্র গরমেও পর্যটকের ঢল, নোনাজলে খুঁজছে স্বস্তি

আপডেট সময় : ০২:৩৩:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

চৈত্রের বিকেল। সূর্যের তেজ তখনো কমেনি। লাল আলো এসে পড়েছে সৈকতে। প্রকৃতিতে বৈশাখ কড়া নাড়ছে। দাবদাহের কারণে তাপমাত্রা বেশ উষ্ণ। তাই একটু স্বস্তির আশায় বিশ্বের দীর্ঘতম কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লোনাজলে নেমেছে পর্যটকের ঢল।

কক্সবাজারের কলাতলী সৈকতে দেখা হয় ঢাকা থেকে আসা চার বন্ধুর সঙ্গে। তপ্ত বালুকাবেলায় দ্রুত পায়ে হেঁটে সাগরে নামছেন তারা। উদ্দেশ্য, লোনাজলে গাঁ ভিজিয়ে স্বস্তি খোঁজা।

তাদের একজন আবুল ইনসান। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এই চাকরিজীবী চার বন্ধুর সঙ্গে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে কক্সবাজার বেড়াতে এসেছেন।

তার ভাষ্য, ঢাকায় তীব্র গরম। কক্সবাজারের পাহাড় সাগরের মিতালিতে স্বস্তি পেতে আমাদের এ ভ্রমণ। বন্ধুদের সঙ্গে পুরো একবেলা সাগরের ঢেউয়ে খেলায় মেতে খুব আনন্দ পেয়েছি।

রোববার (১২ এপ্রিল) সকাল থেকে সৈকতের সুগন্ধা, লাবনী ও কলাতলী পয়েন্টজুড়ে দেখা গেছে কানায় কানায় পূর্ণ মানুষের ভিড়। বালুচর যেন আগুনের মতো গরম, তবুও তা উপেক্ষা করে নারী, পুরুষ ও শিশুরা দৌড়ে নেমে পড়ছেন সাগরের জলে। ঢেউয়ের সঙ্গে লাফালাফি, টিউবে ভেসে থাকা কিংবা জেট স্কিতে ছুটে চলা। সব মিলিয়ে সৈকতজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ।

দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের ভাষায়, তীব্র গরমের মধ্যেও সমুদ্রের ঠান্ডা বাতাস আর নোনাজলের স্পর্শে মিলছে ভিন্নরকম প্রশান্তি। কুমিল্লা থেকে আসা সাইফুল করিমের ভাষ্য, “বাচ্চারা সবসময় সমুদ্র ভালোবাসে। খোলা পরিবেশ আর ঢেউয়ের মধ্যে তারা অন্যরকম আনন্দ পায়।”

ঢাকার বাড্ডা থেকে আসা হায়দার আলীর মতে, “শহরের গরম থেকে একটু স্বস্তি পেতেই এখানে আসা। সমুদ্রের পানিতে নামলেই গরম ভুলে যাই।”

গাজীপুরের রাশেদুল হাসানের ভাষায়, “ইট-পাথরের শহর ছেড়ে সমুদ্রের টানে এখানে এসেছি। ঢেউয়ের কাছে এসে সব ক্লান্তি দূর হয়ে গেছে।”

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঈদের পরে পহেলা বৈশাখকে ঘিরে পর্যটক বাড়ায় চাঙ্গা হয়ে উঠেছে সৈকতপাড়ের অর্থনীতি। ফটোগ্রাফার, বিচ বাইক চালক, ঘোড়াওয়ালা ও জেট স্কি ব্যবসায়ীদের মুখে ফুটেছে হাসি।

ঈদের সময়ের মতো ভিড় না হলেও এখনো পর্যটক আছে মন্তব্য করে ফটোগ্রাফার আফাজ উদ্দিন জানান, “এতে আমাদের আয় ভালো হচ্ছে।”

বিচ বাইক চালক মো. মনির জানান, “পহেলা বৈশাখের দিন ভিড় আরও বাড়বে। পর্যটক বাড়ায় ব্যবসাও ভালো চলছে।”

একই সঙ্গে নিরাপত্তা নিশ্চিতে সক্রিয় রয়েছে লাইফগার্ড কর্মীরা। সমুদ্রের উত্তাল ঢেউয়ের কারণে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। সী সেফ লাইফ গার্ড সংস্থার কর্মীরা জানিয়েছেন, লাল, হলুদ পতাকা দিয়ে নিরাপদ-অনিরাপদ এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। লাইফগার্ড টাওয়ার থেকে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে। পেট্রোল টিম ও রেসকিউ বোর্ডসহ টহলও জোরদার করা হয়েছে।

লাইফগার্ড কর্মী জয়নাল আবেদীন ভূট্টো বলেন, “পরিবার নিয়ে আসা অনেক শিশুই মাঝে মাঝে হারিয়ে যায়। আমরা দ্রুত মাইকিং ও টহলের মাধ্যমে তাদের খুঁজে বের করে অভিভাবকদের কাছে পৌঁছে দিই। তবে সম্প্রতি সাগরের পানিতে কোন অপমৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।”

পর্যটকের চাপ বাড়ায় ট্যুরিস্ট পুলিশও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। কক্সবাজার রিজিয়নের পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠকের ভাষ্য, শুধু প্রধান সৈকত নয়, কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ, হিমছড়ি, ইনানী ও পাটুয়ারটেক এলাকাতেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

এদিকে সামনে পহেলা বৈশাখ ঘিরে কক্সবাজারে বাড়ছে উৎসবের আমেজ। শহরজুড়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, উন্মুক্ত মঞ্চে নাচ-গান, গ্রামীণ মেলা ও বাঙালিয়ানার নানা আয়োজনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক খোরশেদ আলম জানিয়েছেন, কক্সবাজারের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ঐতিহ্যবাহী পান্তা-ভাতের আয়োজন, গ্রামীণ মেলা এবং ‘যেমন খুশি তেমন সাজ’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে।

তার ভাষ্য, এসব আয়োজন উপভোগের পাশাপাশি পহেলা বৈশাখের সকাল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাজারো মানুষ নেমে পড়বেন সমুদ্রে। কেউ ছবি তুলছেন, কেউবা পরিবার পরিজন নিয়ে আনন্দে মেতে উঠবেন।

হোটেল-রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান নিশ্চিত করেন, নববর্ষ উপলক্ষে বিভিন্ন হোটেলে বিশেষ আয়োজন রাখা হয়েছে। দেশীয় সংস্কৃতির নানা উপস্থাপনা পর্যটকদের আকৃষ্ট করবে।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান নিশ্চিত করেছেন, “দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ দিনরাত কাজ করছে।”

হোটেল-রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আলী আশা করছেন, সাপ্তাহিক ছুটি ও পহেলা বৈশাখের ছুটিকে ঘিরে এই পর্যটক প্রবাহ আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে।

তিনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জানান, তীব্র গরম কিংবা উত্তাল ঢেউ, কোনো কিছুই যেন থামাতে পারছে না ভ্রমণপিপাসুদের এই আনন্দযাত্রা। এতে পর্যটন সংশ্লিষ্টরা লাভবান হবেন।