বাংলাদেশ এক নতুন রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি, একযোগে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং বহুল আলোচিত গণভোট’। এই ভোটকে দেশের শাসনতান্ত্রিক কাঠামো পুনর্গঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গণভোটের মূল বিষয়: ‘জুলাই জাতীয় সনদ’
এবারের গণভোটের মূল ভিত্তি হলো ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’। ভোটাররা মূলত ৮৪ দফার একটি সংস্কার প্যাকেজের পক্ষে বা বিপক্ষে তাদের রায় দেবেন।
ব্যালট পেপারের ধরণ:
সাদা ব্যালট: সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য।
গোলাপি ব্যালট: গণভোটের জন্য (হ্যাঁ/না ভোট)।
সংস্কার প্রস্তাবে যা যা থাকছে:
যদি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হয়, তবে বাংলাদেশের সংবিধানে মৌলিক কিছু পরিবর্তন আসবে। তা হলো
প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ: একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর (দুই মেয়াদ) প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন।
দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ: ১০০ সদস্যের একটি ‘উচ্চকক্ষ’ গঠন করা হবে, যা গুরুত্বপূর্ণ আইন ও সংবিধান সংশোধনে ভূমিকা রাখবে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার: নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা স্থায়ীভাবে সংবিধানে পুনঃস্থাপিত হবে।
** ক্ষমতার ভারসাম্য:** রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য আনা হবে এবং বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ স্বাধীন করা হবে।
মৌলিক অধিকার: ইন্টারনেট সেবা বন্ধ না করা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা সংক্রান্ত নাগরিক অধিকার রক্ষা।
নির্বাচন ও গণভোটের পরিসংখ্যান
মোট ভোটার: প্রায় ১২ কোটি ৭৭ লাখ।
তরুণ ভোটার: প্রায় ৫ কোটি ৬০ লাখ যাদের বয়স ১৮ থেকে ৩৭ বছর।
পোস্টাল ব্যালট: ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রবাসী ও কর্তব্যরত কর্মকর্তাদের জন্য ডিজিটাল ও পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : 























