ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আগুনে দগ্ধ আবু তাহেরসহ ৩ জনকে চমেক থেকে ঢাকায় প্রেরণ বিতর্কের মঞ্চে নিলামের উত্তাপ: সাউথইস্ট ব্যাংক দৃষ্টি ডিবেট প্রিমিয়ার লিগের অকশন কলাতলীর আগুনে দগ্ধদের দেখতে চমেক হাসপাতালে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ রাজধানীতে আবার ভূমিকম্প অনুভূত ধর্ষণ-হত্যার এই ঘটনাগুলো গোটা জাতিকে স্তম্ভিত করেছে: শফিকুর রহমান জাতিসংঘের নির্বাচনে বাংলাদেশকে সমর্থনের আশ্বাস সৌদিসহ কয়েকটি মুসলিম দেশের মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিল ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা পাকিস্তানের কলাতলীর আগুনে দগ্ধ আবু তাহেরের অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন ‘হ্যাঁ’ ভোট কমেছে ৯ লাখ ৭৫ হাজার, ইসির নতুন প্রজ্ঞাপন টেকনাফে ট্রাকের ধাক্কায় শিশু নিহত: বিক্ষুদ্ধ স্থানীয়দের গাড়ী ভাংচুর এমপি কাজলকে প্রধানমন্ত্রীর ফোন: কলাতলীর অগ্নিকান্ডে আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজ নিলেন মরণোত্তর একুশে পদক পেলেন আইয়ুব বাচ্চু ৫ মামলায় জামিন পেলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী কলাতলীর অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে ত্রাণ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা সচিব: ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

হলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ইমরুলের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার চেয়ে এলাকাবাসীর মানববন্ধন 

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধুরী ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার মরিচ্যা গুরামিয়া গ্যারেজ এলাকায় কক্সবাজার–টেকনাফ মহাসড়কের পাশে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা জানান, হলদিয়াপালং ইউনিয়নের একটি মসজিদ মার্কেট নির্মাণকে কেন্দ্র করে ইউপি সদস্য মনজুর আলম মেম্বার নির্মাণ কাজে বাধা প্রদান করেন। এ ঘটনার পর গত ২৮ জানুয়ারি উখিয়া থানায় মসজিদ কমিটির সভাপতি ও হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধুরী এবং সাংবাদিক জালাল উদ্দিন কাউছারসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করে একটি  মামলা দায়ের করা হয়।

মামলাটি মিথ্যা দাবি করে প্রতিবাদে মুসলিম, হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের হাজার হাজার মানুষ একত্রিত হয়ে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধন থেকে বক্তারা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বলেন,এই ভূমিদস্যু নারী কেলেংকারী মামলা সহ একাধিক মামলার আসামি মনজুর মেম্বার ও মদ ব্যবসায়ি শিল্পী কর্মকার মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার না করলে  আরও কঠোর থেকে কঠোরতম আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন দুর্গাপূজা পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সিদুল শর্মা বাবু। তিনি বলেন, ইমরুল কায়েস চৌধুরী গত চার বছর ধরে হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাঁর সময়ে কোনো সাম্প্রদায়িক বিভেদ নয়, বরং সব ধর্মের মানুষের মধ্যে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রেখেছেন। এমন একজন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা আমাদের সবাইকে মর্মাহত করেছে।

রুমখা সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিলন বড়ুয়া বলেন, মসজিদের মার্কেট নির্মাণে বাধা সহ মদ ব্যবসায়িদের যাতায়াতের গোপন সরুপথ তৈরি করে দেওয়ার জন্য তার লালিত সঙ্গপাঙ্গ নিয়ে এনসিপি নেতা সহ ৩জন জনকে গুরুতর জখম করে উল্টো মনজুর আলম মেম্বার নিজেই মানববন্ধন করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন। প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতেই এই মিথ্যা মামলার আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।

কালি মন্দির কমিটির সভাপতি অরিবৃন্দ ধর বলেন, আমরা সব সময় শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাস করি। কিন্তু নিরীহ মানুষ ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে সমাজে অস্থিরতা তৈরি করা হচ্ছে। অবিলম্বে এই মামলা প্রত্যাহার না হলে আমরা সবাই একসাথে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।

এছাড়াও মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পশ্চিম পাড়া সমাজ কমিটির সভাপতি অজিত শর্মা, নিতাই শীল কল্যাণ সমবায় সমিতির সভাপতি অজিত শর্মা, দুর্গামন্দিরের সভাপতি সুমন শর্মা, পশ্চিম বড়ুয়া পাড়ার বিশিষ্ট সমাজসেবক কাজল বড়ুয়া, মিটন প্রবু, অনিল বড়ুয়া, চৌধুরী পাড়া বৌদ্ধবিহার সেবা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি সুনিল বড়ুয়াসহ বিভিন্ন ধর্ম ও শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

সর্বশেষ বক্তারা আরও বলেন, শান্তি-সম্প্রীতি বিনষ্টকারী ষড়যন্ত্রমূলক মামলা অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করে প্রকৃত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

আগুনে দগ্ধ আবু তাহেরসহ ৩ জনকে চমেক থেকে ঢাকায় প্রেরণ

This will close in 6 seconds

হলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ইমরুলের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার চেয়ে এলাকাবাসীর মানববন্ধন 

আপডেট সময় : ০৯:১১:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধুরী ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার মরিচ্যা গুরামিয়া গ্যারেজ এলাকায় কক্সবাজার–টেকনাফ মহাসড়কের পাশে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা জানান, হলদিয়াপালং ইউনিয়নের একটি মসজিদ মার্কেট নির্মাণকে কেন্দ্র করে ইউপি সদস্য মনজুর আলম মেম্বার নির্মাণ কাজে বাধা প্রদান করেন। এ ঘটনার পর গত ২৮ জানুয়ারি উখিয়া থানায় মসজিদ কমিটির সভাপতি ও হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধুরী এবং সাংবাদিক জালাল উদ্দিন কাউছারসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করে একটি  মামলা দায়ের করা হয়।

মামলাটি মিথ্যা দাবি করে প্রতিবাদে মুসলিম, হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের হাজার হাজার মানুষ একত্রিত হয়ে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধন থেকে বক্তারা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বলেন,এই ভূমিদস্যু নারী কেলেংকারী মামলা সহ একাধিক মামলার আসামি মনজুর মেম্বার ও মদ ব্যবসায়ি শিল্পী কর্মকার মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার না করলে  আরও কঠোর থেকে কঠোরতম আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন দুর্গাপূজা পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সিদুল শর্মা বাবু। তিনি বলেন, ইমরুল কায়েস চৌধুরী গত চার বছর ধরে হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাঁর সময়ে কোনো সাম্প্রদায়িক বিভেদ নয়, বরং সব ধর্মের মানুষের মধ্যে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রেখেছেন। এমন একজন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা আমাদের সবাইকে মর্মাহত করেছে।

রুমখা সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিলন বড়ুয়া বলেন, মসজিদের মার্কেট নির্মাণে বাধা সহ মদ ব্যবসায়িদের যাতায়াতের গোপন সরুপথ তৈরি করে দেওয়ার জন্য তার লালিত সঙ্গপাঙ্গ নিয়ে এনসিপি নেতা সহ ৩জন জনকে গুরুতর জখম করে উল্টো মনজুর আলম মেম্বার নিজেই মানববন্ধন করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন। প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতেই এই মিথ্যা মামলার আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।

কালি মন্দির কমিটির সভাপতি অরিবৃন্দ ধর বলেন, আমরা সব সময় শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাস করি। কিন্তু নিরীহ মানুষ ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে সমাজে অস্থিরতা তৈরি করা হচ্ছে। অবিলম্বে এই মামলা প্রত্যাহার না হলে আমরা সবাই একসাথে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।

এছাড়াও মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পশ্চিম পাড়া সমাজ কমিটির সভাপতি অজিত শর্মা, নিতাই শীল কল্যাণ সমবায় সমিতির সভাপতি অজিত শর্মা, দুর্গামন্দিরের সভাপতি সুমন শর্মা, পশ্চিম বড়ুয়া পাড়ার বিশিষ্ট সমাজসেবক কাজল বড়ুয়া, মিটন প্রবু, অনিল বড়ুয়া, চৌধুরী পাড়া বৌদ্ধবিহার সেবা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি সুনিল বড়ুয়াসহ বিভিন্ন ধর্ম ও শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

সর্বশেষ বক্তারা আরও বলেন, শান্তি-সম্প্রীতি বিনষ্টকারী ষড়যন্ত্রমূলক মামলা অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করে প্রকৃত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।