ঢাকা ০৯:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজার ফিশারী ঘাটে নির্মিত হচ্ছে অত্যাধুনিক ফিশ ল্যান্ডিং স্টেশন : মৎস্য খাতে আসবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন কক্সবাজারে বিদেশি নারী পর্যটককে ধ/র্ষ/ণ চেষ্টা : তিনজনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড পেকুয়ায় পাহাড় ধসে এক শিশুর মৃত্যু কক্সবাজারে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন ​কক্সবাজারের ২০ এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে ১ লাখেরও বেশি মানুষ কুতুবদিয়ায় লেমশীখালী-কৈয়ারবিল সংযোগ সেতু ধসে পড়েছে বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েও ৩৬৭ কোটি টাকা পাচ্ছে ব্রাজিল ১১ জুলাইয়ের মধ্যে সব ক্লিনিকে লেবার রুম স্থাপন না করলে লাইসেন্স বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাগরে নিম্নচাপ, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত জাতীয় গ্রামীণ উন্নয়ন দিবস আজ ভারীবর্ষণে পাহাড়ধস – একরাতেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিহত ৮,শহরে ১ জনের মৃত্যু গেলো ২৪ ঘন্টায় ১৫০ মিলিমিটার বৃষ্টি : বাড়ছে পাহাড় ধসের ঝুঁকি পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড(পশ্চিম) শাখা যুবদলের সভাপতি মিজান সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ ‎ ওয়াটার সেইফটি এন্ড ড্রাউনিং প্রিভেনশন: জেসিআই কক্সবাজারের ‘বে গার্ডিয়ানস ইনিশিয়েটিভ’র উদ্বোধন

স্বামীকে হত্যা করে কৌশলে বাদি সাজে স্ত্রী, অতঃপর পুলিশের জালে আটক

পেকুয়ায় আলোচিত জসিম উদ্দিন হত্যা মামলার প্রধান আসামি তার স্ত্রী সেলিনা আক্তার (৪২)-কে গ্রেপ্তার করেছে পেকুয়া থানা পুলিশ।

শনিবার ভোরে পেকুয়া থানার এসআই সুনয়ন বড়ুয়ার নেতৃত্বে কক্সবাজার শহরের পিটি স্কুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের জারুলবুনিয়া সেগুন বাগিচা এলাকায় গত বছরের ১০ আগস্ট গভীর রাতে নিজ ঘরে খুন হন জসিম উদ্দিন।
তদন্তে বেরিয়ে আসে তার স্ত্রী সেলিনা আক্তারের সঙ্গে একই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুর রাজ্জাকের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার রাতে স্বামী জসিম উদ্দিন তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেললে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

হত্যার প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে সেলিনা আক্তার পরদিন নিজেই বাদি হয়ে পেকুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তিনি প্রতিবেশী চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। ওই মামলায় পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে মনছুর আলম ও জহির আলম-কে আটকও করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সুনয়ন বড়ুয়া দীর্ঘ তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেন। তদন্তে জসিম উদ্দিন হত্যায় স্ত্রী সেলিনা আক্তার ও তার পরকীয়া প্রেমিক আব্দুর রাজ্জাকের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।

ঘটনার এক মাস সাত দিন পর, নিহতের বাবা মো. নুর আহমদ বাদি হয়ে নতুন করে মামলা দায়ের করেন। এতে সেলিনা আক্তারকে প্রধান আসামি এবং আব্দুর রাজ্জাকসহ আরও দুইজনকে আসামি করা হয়।

মামলার পর থেকেই সেলিনা আক্তার পলাতক ছিলেন। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, শিলখালী এলাকার স্বামী হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত সেলিনা আক্তারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজার ফিশারী ঘাটে নির্মিত হচ্ছে অত্যাধুনিক ফিশ ল্যান্ডিং স্টেশন : মৎস্য খাতে আসবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন

স্বামীকে হত্যা করে কৌশলে বাদি সাজে স্ত্রী, অতঃপর পুলিশের জালে আটক

আপডেট সময় : ০৫:১৪:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

পেকুয়ায় আলোচিত জসিম উদ্দিন হত্যা মামলার প্রধান আসামি তার স্ত্রী সেলিনা আক্তার (৪২)-কে গ্রেপ্তার করেছে পেকুয়া থানা পুলিশ।

শনিবার ভোরে পেকুয়া থানার এসআই সুনয়ন বড়ুয়ার নেতৃত্বে কক্সবাজার শহরের পিটি স্কুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের জারুলবুনিয়া সেগুন বাগিচা এলাকায় গত বছরের ১০ আগস্ট গভীর রাতে নিজ ঘরে খুন হন জসিম উদ্দিন।
তদন্তে বেরিয়ে আসে তার স্ত্রী সেলিনা আক্তারের সঙ্গে একই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুর রাজ্জাকের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার রাতে স্বামী জসিম উদ্দিন তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেললে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

হত্যার প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে সেলিনা আক্তার পরদিন নিজেই বাদি হয়ে পেকুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তিনি প্রতিবেশী চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। ওই মামলায় পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে মনছুর আলম ও জহির আলম-কে আটকও করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সুনয়ন বড়ুয়া দীর্ঘ তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেন। তদন্তে জসিম উদ্দিন হত্যায় স্ত্রী সেলিনা আক্তার ও তার পরকীয়া প্রেমিক আব্দুর রাজ্জাকের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।

ঘটনার এক মাস সাত দিন পর, নিহতের বাবা মো. নুর আহমদ বাদি হয়ে নতুন করে মামলা দায়ের করেন। এতে সেলিনা আক্তারকে প্রধান আসামি এবং আব্দুর রাজ্জাকসহ আরও দুইজনকে আসামি করা হয়।

মামলার পর থেকেই সেলিনা আক্তার পলাতক ছিলেন। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, শিলখালী এলাকার স্বামী হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত সেলিনা আক্তারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।