ঢাকা ১২:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশ! প্রধানমন্ত্রীর হোটেল পরিচয়ে পর্যটককে হুমকি: সীগালের সেই ম্যানেজার কামরুল গ্রেফতার নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় পর্বের ফ্রি খেলোয়াড় রেজিস্ট্রেশন চলছে নেপাল সফরে গেলেন জেইউসি সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী পেকুয়ায় খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী পালিত লোহাগাড়ায় পুকুরে ডুবে দুই বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু কুতুবদিয়ায় পানিতে ডুবে নারীর মৃত্যু লামার ফাইতংয়ে ৫ ইটভাটায় মোবাইল কোর্ট, সাড়ে ৩ লাখ টাকা জরিমানা হলদিয়া পালং বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল আজিজ মেম্বারের ৬ষ্ট মৃত্যুবার্ষিকী জেলা প্রশাসনের গণবিজ্ঞপ্তি : কক্সবাজারে রাত ৮টায় শপিংমল ও দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ গর্জনিয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযান : ২ লাখ ইয়াবা উদ্ধার রামুতে কোমলমতি শিশু নিকেতনের “বর্ষার ভরসায় জীবনের গান গাই” ৭ম পর্ব অনুষ্ঠিত বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে বড় ঘোষণা মিয়ানমার সরকারের শিক্ষকদের আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী ধানমন্ডি ৩২ থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সন্দেহে আটক ১

স্বামীকে হত্যা করে কৌশলে বাদি সাজে স্ত্রী, অতঃপর পুলিশের জালে আটক

পেকুয়ায় আলোচিত জসিম উদ্দিন হত্যা মামলার প্রধান আসামি তার স্ত্রী সেলিনা আক্তার (৪২)-কে গ্রেপ্তার করেছে পেকুয়া থানা পুলিশ।

শনিবার ভোরে পেকুয়া থানার এসআই সুনয়ন বড়ুয়ার নেতৃত্বে কক্সবাজার শহরের পিটি স্কুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের জারুলবুনিয়া সেগুন বাগিচা এলাকায় গত বছরের ১০ আগস্ট গভীর রাতে নিজ ঘরে খুন হন জসিম উদ্দিন।
তদন্তে বেরিয়ে আসে তার স্ত্রী সেলিনা আক্তারের সঙ্গে একই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুর রাজ্জাকের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার রাতে স্বামী জসিম উদ্দিন তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেললে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

হত্যার প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে সেলিনা আক্তার পরদিন নিজেই বাদি হয়ে পেকুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তিনি প্রতিবেশী চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। ওই মামলায় পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে মনছুর আলম ও জহির আলম-কে আটকও করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সুনয়ন বড়ুয়া দীর্ঘ তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেন। তদন্তে জসিম উদ্দিন হত্যায় স্ত্রী সেলিনা আক্তার ও তার পরকীয়া প্রেমিক আব্দুর রাজ্জাকের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।

ঘটনার এক মাস সাত দিন পর, নিহতের বাবা মো. নুর আহমদ বাদি হয়ে নতুন করে মামলা দায়ের করেন। এতে সেলিনা আক্তারকে প্রধান আসামি এবং আব্দুর রাজ্জাকসহ আরও দুইজনকে আসামি করা হয়।

মামলার পর থেকেই সেলিনা আক্তার পলাতক ছিলেন। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, শিলখালী এলাকার স্বামী হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত সেলিনা আক্তারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশ!

স্বামীকে হত্যা করে কৌশলে বাদি সাজে স্ত্রী, অতঃপর পুলিশের জালে আটক

আপডেট সময় : ০৫:১৪:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

পেকুয়ায় আলোচিত জসিম উদ্দিন হত্যা মামলার প্রধান আসামি তার স্ত্রী সেলিনা আক্তার (৪২)-কে গ্রেপ্তার করেছে পেকুয়া থানা পুলিশ।

শনিবার ভোরে পেকুয়া থানার এসআই সুনয়ন বড়ুয়ার নেতৃত্বে কক্সবাজার শহরের পিটি স্কুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের জারুলবুনিয়া সেগুন বাগিচা এলাকায় গত বছরের ১০ আগস্ট গভীর রাতে নিজ ঘরে খুন হন জসিম উদ্দিন।
তদন্তে বেরিয়ে আসে তার স্ত্রী সেলিনা আক্তারের সঙ্গে একই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুর রাজ্জাকের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার রাতে স্বামী জসিম উদ্দিন তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেললে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

হত্যার প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে সেলিনা আক্তার পরদিন নিজেই বাদি হয়ে পেকুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তিনি প্রতিবেশী চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। ওই মামলায় পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে মনছুর আলম ও জহির আলম-কে আটকও করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সুনয়ন বড়ুয়া দীর্ঘ তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেন। তদন্তে জসিম উদ্দিন হত্যায় স্ত্রী সেলিনা আক্তার ও তার পরকীয়া প্রেমিক আব্দুর রাজ্জাকের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।

ঘটনার এক মাস সাত দিন পর, নিহতের বাবা মো. নুর আহমদ বাদি হয়ে নতুন করে মামলা দায়ের করেন। এতে সেলিনা আক্তারকে প্রধান আসামি এবং আব্দুর রাজ্জাকসহ আরও দুইজনকে আসামি করা হয়।

মামলার পর থেকেই সেলিনা আক্তার পলাতক ছিলেন। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, শিলখালী এলাকার স্বামী হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত সেলিনা আক্তারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।