ঢাকা ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২ দশকেরও বেশী সময় পর রামুর হাতে শিরোপা টেকনাফে অপহরণের দুই দিন পর রোহিঙ্গা কিশোরী উদ্ধার, অভিযুক্ত পলাতক টেকনাফে মুক্তিপণ আদায়ের পরও অপহৃত ঈদগাঁওর ২ বাসিন্দা উদ্ধার পেকুয়ার শিলখালীতে মাদকবিরোধী অভিযান, আটক ২ মুরগির ওজনে কারসাজি : ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বলে বিক্রি, অন্য দোকানে ওজন ২ কেজি ২০০ গ্রাম বিষপান করে উখিয়া হাসপাতালে দিনমজুর মমতাজ : অ্যাম্বুলেন্স দিল না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জসিম উদ্দিন হেলাল কে ভারতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে : দোয়া কামনা পরিবারের ঈদগাঁও উপজেলা সমবায় অফিসারের নিয়োগকৃত পশ্চিম গোমাতলী ভূমিহীন কৃষি সমবায় সমিতির নির্বাচন কমিটি বাতিল বাঁকখালী নদীকে সংকটাপন্ন ঘোষণা, দখলদার উচ্ছেদে হাইকোর্টের পুর্ণাঙ্গ রায় চট্রগ্রামে পুলিশের উপর হামলা: সন্ত্রাসী ‘বিহারী বগা’কে প্রধান করে ২৭১ জনের বিরুদ্ধে মামলা রান্নাঘর রেস্টুরেন্টসহ ৩ প্রতিষ্ঠানকে ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা উখিয়া প্রেস ক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন : সভাপতি শাহীন,সহ-সভাপতি সেলিম, সম্পাদক ফারুক কলেজে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ইমতিয়াজের মৃত্যু সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার ১৬ ডিসেম্বর আংশিক চালু হচ্ছে থার্ড টার্মিনাল

স্বামীকে হত্যা করে কৌশলে বাদি সাজে স্ত্রী, অতঃপর পুলিশের জালে আটক

পেকুয়ায় আলোচিত জসিম উদ্দিন হত্যা মামলার প্রধান আসামি তার স্ত্রী সেলিনা আক্তার (৪২)-কে গ্রেপ্তার করেছে পেকুয়া থানা পুলিশ।

শনিবার ভোরে পেকুয়া থানার এসআই সুনয়ন বড়ুয়ার নেতৃত্বে কক্সবাজার শহরের পিটি স্কুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের জারুলবুনিয়া সেগুন বাগিচা এলাকায় গত বছরের ১০ আগস্ট গভীর রাতে নিজ ঘরে খুন হন জসিম উদ্দিন।
তদন্তে বেরিয়ে আসে তার স্ত্রী সেলিনা আক্তারের সঙ্গে একই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুর রাজ্জাকের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার রাতে স্বামী জসিম উদ্দিন তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেললে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

হত্যার প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে সেলিনা আক্তার পরদিন নিজেই বাদি হয়ে পেকুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তিনি প্রতিবেশী চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। ওই মামলায় পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে মনছুর আলম ও জহির আলম-কে আটকও করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সুনয়ন বড়ুয়া দীর্ঘ তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেন। তদন্তে জসিম উদ্দিন হত্যায় স্ত্রী সেলিনা আক্তার ও তার পরকীয়া প্রেমিক আব্দুর রাজ্জাকের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।

ঘটনার এক মাস সাত দিন পর, নিহতের বাবা মো. নুর আহমদ বাদি হয়ে নতুন করে মামলা দায়ের করেন। এতে সেলিনা আক্তারকে প্রধান আসামি এবং আব্দুর রাজ্জাকসহ আরও দুইজনকে আসামি করা হয়।

মামলার পর থেকেই সেলিনা আক্তার পলাতক ছিলেন। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, শিলখালী এলাকার স্বামী হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত সেলিনা আক্তারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

২ দশকেরও বেশী সময় পর রামুর হাতে শিরোপা

স্বামীকে হত্যা করে কৌশলে বাদি সাজে স্ত্রী, অতঃপর পুলিশের জালে আটক

আপডেট সময় : ০৫:১৪:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

পেকুয়ায় আলোচিত জসিম উদ্দিন হত্যা মামলার প্রধান আসামি তার স্ত্রী সেলিনা আক্তার (৪২)-কে গ্রেপ্তার করেছে পেকুয়া থানা পুলিশ।

শনিবার ভোরে পেকুয়া থানার এসআই সুনয়ন বড়ুয়ার নেতৃত্বে কক্সবাজার শহরের পিটি স্কুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের জারুলবুনিয়া সেগুন বাগিচা এলাকায় গত বছরের ১০ আগস্ট গভীর রাতে নিজ ঘরে খুন হন জসিম উদ্দিন।
তদন্তে বেরিয়ে আসে তার স্ত্রী সেলিনা আক্তারের সঙ্গে একই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুর রাজ্জাকের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার রাতে স্বামী জসিম উদ্দিন তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেললে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

হত্যার প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে সেলিনা আক্তার পরদিন নিজেই বাদি হয়ে পেকুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তিনি প্রতিবেশী চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। ওই মামলায় পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে মনছুর আলম ও জহির আলম-কে আটকও করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সুনয়ন বড়ুয়া দীর্ঘ তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেন। তদন্তে জসিম উদ্দিন হত্যায় স্ত্রী সেলিনা আক্তার ও তার পরকীয়া প্রেমিক আব্দুর রাজ্জাকের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।

ঘটনার এক মাস সাত দিন পর, নিহতের বাবা মো. নুর আহমদ বাদি হয়ে নতুন করে মামলা দায়ের করেন। এতে সেলিনা আক্তারকে প্রধান আসামি এবং আব্দুর রাজ্জাকসহ আরও দুইজনকে আসামি করা হয়।

মামলার পর থেকেই সেলিনা আক্তার পলাতক ছিলেন। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, শিলখালী এলাকার স্বামী হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত সেলিনা আক্তারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।