ঢাকা ০৫:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি বছরেই দেশে ফিরবো: এনডিটিভিকে শেখ হাসিনা কক্সবাজারে শুরু হয়েছে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উখিয়ায় ১ লাখ ইয়াবাসহ আটক ১, পলাতক ৪ বাংলাদেশ নাম শুনেই থামলেন মার্টিনেজ, বললেন ‘বাংলাদেশের ভক্তদের ভালোবাসি’ চূড়ান্ত হলো নকআউটের ৩২ দল, বিশ্বকাপ থেকে যাদের বিদায় চকরিয়ায় মাইক্রোবাস-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, নিহত ২ ‘এই দেশটিকে আমি ভালোবাসি’, বাংলাদেশ নিয়ে যা বললেন মার্টিনেজ ইনানী সৈকতে গোসলে নেমে নিখোঁজ পর্যটক সায়েমের মরদেহ উদ্ধার উখিয়ার হারেসের সুরে মুগ্ধ নেট দুনিয়া,সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবী কক্সবাজারে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের স্বীকৃতি: জাতিসংঘের প্ল্যাটফর্মে ফিচারড SURGE Bangladesh শহরের কুতুবদিয়া পাড়ার আলোচিত রোজিনাকে আটক করেছে পুলিশ বিয়ের অতিথি ১০০ ছাড়ালে জনপ্রতি ১০০০ টাকা ট্যাক্স বসানোর দাবি এমপির বাংলাদেশকে নিষিদ্ধ করতে আইসিসিতে চিঠি সাবেক বিসিবি সভাপতির টেকনাফে সড়কের দুই পাশে কলেমা লেখা সাদা পতাকা আ’র’কা’ন আ’র্মি প্রধানের বাংলাদেশে চিকিৎসা নেওয়ার খবর কতটুকু সত্য?

সৈকতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবিতে পরিবেশবাদীদের স্মারকলিপি

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে অবৈধভাবে নির্মিত দোকানপাট, ঝুপড়িসহ সব স্থাপনা উচ্ছেদ করতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি দিয়েছে পরিবেশবাদী সংস্থা ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটি (ইয়েস)।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে কক্সবাজার ভিত্তিক এ পরিবেশবাদী সংস্থার প্রতিনিধিরা গিয়ে জেলা প্রশাসক মোঃ আঃ মান্নানের হাতে স্মারকলিপিটি তুলে দেন।

এসময় ইয়েস এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট রমিজ উদ্দিন, চেয়ারম্যান এডভোকেট মুজিবুল হক, প্রধান নির্বাহী ইব্রাহিম খলিল মামুন, বাংলাদেশ নদী পরিভ্রাজক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইসলাম মাহমুদ ও যুগ্ন সম্পাদক এডভোকেট আবুহেনা মোস্তফা প্রমুখ।

স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের নাজিরারটেক থেকে টেকনাফ পর্যন্ত শতশত দোকান বসানো হয়েছে। পাশাপাশি নির্মাণ করা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা। এসব স্থাপনা সৈকতের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যে মারাত্মক বিপর্যয়কর। এছাড়া সৈকতের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে আইন ও বিধি-বর্হিভূতভাবে এসব স্থাপনার মধ্যে বেশকিছু দোকানের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

পরিবেশবাদীদের পক্ষ থেকে দেওয়া এ স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এবং প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬ অনুযায়ী ইসিএ এলাকায় স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে নির্মিত সকল স্থাপনা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক এবং এসব স্থাপনা স্থাপন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পরিবেশ অধিদফতরের অনুমোদন ব্যতিরেকে সৈকতের বালিয়াড়িতে এধরণের স্থাপনা নির্মাণ সম্পুর্ণ নিষিদ্ধ। কারণ সরকার ১৯৯৯ সালের ১৯ এপ্রিল কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকতকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করে। একইভাবে হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টও বিভিন্ন সময়ে সৈকতে স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। তাই জনস্বার্থে দোকানসহ এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করা প্রয়োজন।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, এর আগে অবৈধ এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করতে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। সেই সঙ্গে জেলা প্রশাসন কর্তৃক সৈকতে ব্যবসা করতে দেওয়া সব লাইসেন্স বাতিলেরও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

চলতি বছরেই দেশে ফিরবো: এনডিটিভিকে শেখ হাসিনা

সৈকতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবিতে পরিবেশবাদীদের স্মারকলিপি

আপডেট সময় : ০৫:৪৫:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে অবৈধভাবে নির্মিত দোকানপাট, ঝুপড়িসহ সব স্থাপনা উচ্ছেদ করতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি দিয়েছে পরিবেশবাদী সংস্থা ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটি (ইয়েস)।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে কক্সবাজার ভিত্তিক এ পরিবেশবাদী সংস্থার প্রতিনিধিরা গিয়ে জেলা প্রশাসক মোঃ আঃ মান্নানের হাতে স্মারকলিপিটি তুলে দেন।

এসময় ইয়েস এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট রমিজ উদ্দিন, চেয়ারম্যান এডভোকেট মুজিবুল হক, প্রধান নির্বাহী ইব্রাহিম খলিল মামুন, বাংলাদেশ নদী পরিভ্রাজক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইসলাম মাহমুদ ও যুগ্ন সম্পাদক এডভোকেট আবুহেনা মোস্তফা প্রমুখ।

স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের নাজিরারটেক থেকে টেকনাফ পর্যন্ত শতশত দোকান বসানো হয়েছে। পাশাপাশি নির্মাণ করা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা। এসব স্থাপনা সৈকতের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যে মারাত্মক বিপর্যয়কর। এছাড়া সৈকতের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে আইন ও বিধি-বর্হিভূতভাবে এসব স্থাপনার মধ্যে বেশকিছু দোকানের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

পরিবেশবাদীদের পক্ষ থেকে দেওয়া এ স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এবং প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬ অনুযায়ী ইসিএ এলাকায় স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে নির্মিত সকল স্থাপনা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক এবং এসব স্থাপনা স্থাপন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পরিবেশ অধিদফতরের অনুমোদন ব্যতিরেকে সৈকতের বালিয়াড়িতে এধরণের স্থাপনা নির্মাণ সম্পুর্ণ নিষিদ্ধ। কারণ সরকার ১৯৯৯ সালের ১৯ এপ্রিল কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকতকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করে। একইভাবে হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টও বিভিন্ন সময়ে সৈকতে স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। তাই জনস্বার্থে দোকানসহ এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করা প্রয়োজন।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, এর আগে অবৈধ এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করতে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। সেই সঙ্গে জেলা প্রশাসন কর্তৃক সৈকতে ব্যবসা করতে দেওয়া সব লাইসেন্স বাতিলেরও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।