ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জেলাভিত্তিক তদারকি ও সমন্বয়ের জন্যে দায়িত্ব বন্টন : কক্সবাজারের দায়িত্বে মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী টেকনাফে পিকআপের সিটের পেছনে লুকানো ১ লাখ ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২ পেকুয়ায় দিনদুপুরে মহিলা দলের নেত্রীর বাড়িতে চুরি, টাকা-স্বর্ণালঙ্কার লুট গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা : সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পেকুয়ায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু কক্সবাজার সৈকত-সংলগ্ন সড়ক নির্মাণ স্থগিত ও নকশা পুনর্মূল্যায়নের দাবি কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়িতে সড়ক নির্মাণ: ডিসিসহ চারজনকে আদালত অবমাননার নোটিশ দেশব্যাপী বিশেষ অভিযানে ৫৩ হাজার ৫১৮ জন গ্রেপ্তার দুর্নীতির ১৫ মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ ১২৯ বার পেছাল নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক ভয়াবহ বন্যায় নেপাল-চীনের ১৫০০ মানুষ নিখোঁজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ কক্সবাজার প্রেসক্লাবে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত পবিত্র ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে ৭০০ পরিবারের মাঝে তবারুক বিতরণ

সৈকতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবিতে পরিবেশবাদীদের স্মারকলিপি

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে অবৈধভাবে নির্মিত দোকানপাট, ঝুপড়িসহ সব স্থাপনা উচ্ছেদ করতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি দিয়েছে পরিবেশবাদী সংস্থা ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটি (ইয়েস)।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে কক্সবাজার ভিত্তিক এ পরিবেশবাদী সংস্থার প্রতিনিধিরা গিয়ে জেলা প্রশাসক মোঃ আঃ মান্নানের হাতে স্মারকলিপিটি তুলে দেন।

এসময় ইয়েস এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট রমিজ উদ্দিন, চেয়ারম্যান এডভোকেট মুজিবুল হক, প্রধান নির্বাহী ইব্রাহিম খলিল মামুন, বাংলাদেশ নদী পরিভ্রাজক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইসলাম মাহমুদ ও যুগ্ন সম্পাদক এডভোকেট আবুহেনা মোস্তফা প্রমুখ।

স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের নাজিরারটেক থেকে টেকনাফ পর্যন্ত শতশত দোকান বসানো হয়েছে। পাশাপাশি নির্মাণ করা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা। এসব স্থাপনা সৈকতের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যে মারাত্মক বিপর্যয়কর। এছাড়া সৈকতের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে আইন ও বিধি-বর্হিভূতভাবে এসব স্থাপনার মধ্যে বেশকিছু দোকানের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

পরিবেশবাদীদের পক্ষ থেকে দেওয়া এ স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এবং প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬ অনুযায়ী ইসিএ এলাকায় স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে নির্মিত সকল স্থাপনা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক এবং এসব স্থাপনা স্থাপন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পরিবেশ অধিদফতরের অনুমোদন ব্যতিরেকে সৈকতের বালিয়াড়িতে এধরণের স্থাপনা নির্মাণ সম্পুর্ণ নিষিদ্ধ। কারণ সরকার ১৯৯৯ সালের ১৯ এপ্রিল কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকতকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করে। একইভাবে হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টও বিভিন্ন সময়ে সৈকতে স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। তাই জনস্বার্থে দোকানসহ এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করা প্রয়োজন।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, এর আগে অবৈধ এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করতে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। সেই সঙ্গে জেলা প্রশাসন কর্তৃক সৈকতে ব্যবসা করতে দেওয়া সব লাইসেন্স বাতিলেরও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জেলাভিত্তিক তদারকি ও সমন্বয়ের জন্যে দায়িত্ব বন্টন : কক্সবাজারের দায়িত্বে মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী

সৈকতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবিতে পরিবেশবাদীদের স্মারকলিপি

আপডেট সময় : ০৫:৪৫:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে অবৈধভাবে নির্মিত দোকানপাট, ঝুপড়িসহ সব স্থাপনা উচ্ছেদ করতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি দিয়েছে পরিবেশবাদী সংস্থা ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটি (ইয়েস)।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে কক্সবাজার ভিত্তিক এ পরিবেশবাদী সংস্থার প্রতিনিধিরা গিয়ে জেলা প্রশাসক মোঃ আঃ মান্নানের হাতে স্মারকলিপিটি তুলে দেন।

এসময় ইয়েস এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট রমিজ উদ্দিন, চেয়ারম্যান এডভোকেট মুজিবুল হক, প্রধান নির্বাহী ইব্রাহিম খলিল মামুন, বাংলাদেশ নদী পরিভ্রাজক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইসলাম মাহমুদ ও যুগ্ন সম্পাদক এডভোকেট আবুহেনা মোস্তফা প্রমুখ।

স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের নাজিরারটেক থেকে টেকনাফ পর্যন্ত শতশত দোকান বসানো হয়েছে। পাশাপাশি নির্মাণ করা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা। এসব স্থাপনা সৈকতের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যে মারাত্মক বিপর্যয়কর। এছাড়া সৈকতের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে আইন ও বিধি-বর্হিভূতভাবে এসব স্থাপনার মধ্যে বেশকিছু দোকানের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

পরিবেশবাদীদের পক্ষ থেকে দেওয়া এ স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এবং প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬ অনুযায়ী ইসিএ এলাকায় স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে নির্মিত সকল স্থাপনা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক এবং এসব স্থাপনা স্থাপন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পরিবেশ অধিদফতরের অনুমোদন ব্যতিরেকে সৈকতের বালিয়াড়িতে এধরণের স্থাপনা নির্মাণ সম্পুর্ণ নিষিদ্ধ। কারণ সরকার ১৯৯৯ সালের ১৯ এপ্রিল কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকতকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করে। একইভাবে হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টও বিভিন্ন সময়ে সৈকতে স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। তাই জনস্বার্থে দোকানসহ এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করা প্রয়োজন।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, এর আগে অবৈধ এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করতে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। সেই সঙ্গে জেলা প্রশাসন কর্তৃক সৈকতে ব্যবসা করতে দেওয়া সব লাইসেন্স বাতিলেরও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।