ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন : গুরুত্ব পায় পরিবেশ ও জলজ সম্পদ রক্ষার ইস্যু কক্সবাজারে সাংবাদিকদের ‘এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং’ বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপন অনুষ্ঠান ও সনদ বিতরণ বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পেকুয়ায় র‍্যালি ও পথসভা দশ মিনিটেই পুড়ে ছাই ব্যবসায়ী কাইছারের শেষ সম্বল দীর্ঘ সংগ্রাম শেষে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অতীতে আটকে থাকার সুযোগ নেই: দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য খুলল যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসার পথ বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়া উদ্যানের জলাশয়ে মৎস্য পোনা অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস : প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার থেকে ফেরা হলো না, লোহাগাড়ায় মিনিট্রাকের ধাক্কায় দুই যুবক নিহত শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে দু’র্ঘ’ট’না, বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নি’হ’ত শক্তিশালী টেকনাফকে হারিয়ে ফাইনালে রামু : ম্যান অব দ্যা ম্যাচ কৌশিক বড়ুয়া প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনে কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভা: দিনব্যাপী কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি চকরিয়ায় বাসে তল্লাশি : ইয়াবাসহ ২ রোহিঙ্গা যুবক আটক আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি

সিনহা হত্যা মামলার রায়: চার বছর পেরিয়ে গেলেও ঝুলে আছে বিচার প্রক্রিয়া

কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভে চাঞ্চল্যকর মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যাকাণ্ডের রায়ের চার বছর পূর্ণ হয়েছে। ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ঈসমাইল এই মামলার রায় ঘোষণা করেছিলেন। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও আইনি জটিলতা এবং উচ্চ আদালতে আপিল শুনানির অপেক্ষায় থমকে আছে সাজা কার্যকর করার প্রক্রিয়া।

​মামলার প্রেক্ষাপট ও বিচারিক ইতিহাস
​২০২০ সালের ৩১ জুলাই টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন সিনহা রাশেদ খান।

​২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি এ মামলার প্রধান আসামী টেকনাফ থানার তৎকালীন ওসি প্রদীপ কুমার দাশ এবং পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়।

​ছয়জন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং বাকি সাতজনকে খালাস দেওয়া হয়।

​আইন অনুযায়ী, বিচারিক আদালতের (নিম্ন আদালত) কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হলে হাইকোর্টের অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) প্রয়োজন হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত প্রদীপ ও লিয়াকতসহ অন্যান্যরা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করেছেন। বর্তমানে মামলাটি হাইকোর্টে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু করার জন্য আইনি প্রক্রিয়া চললেও তা এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

এদিকে ​সিনহার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রায় হওয়ার পর তারা ন্যায়বিচারের আশা পেয়েছিলেন। কিন্তু চার বছরেও রায় কার্যকর না হওয়ায় তারা কিছুটা হতাশ। তাদের দাবি, দ্রুত আপিল শুনানি শেষ করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ক্ষমতার অপব্যবহার করার সাহস না পায়।

​বর্তমানে প্রদীপ কুমার দাশ এবং লিয়াকত আলীসহ দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা কারাগারে রয়েছেন। আইনজীবীদের মতে , হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শেষ হওয়ার পর বিষয়টি আপিল বিভাগ পর্যন্ত যেতে পারে। এরপর রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার সুযোগ থাকে। এই সব ধাপ শেষ হলেই কেবল রায় কার্যকর সম্ভব।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন : গুরুত্ব পায় পরিবেশ ও জলজ সম্পদ রক্ষার ইস্যু

সিনহা হত্যা মামলার রায়: চার বছর পেরিয়ে গেলেও ঝুলে আছে বিচার প্রক্রিয়া

আপডেট সময় : ০২:৫৭:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভে চাঞ্চল্যকর মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যাকাণ্ডের রায়ের চার বছর পূর্ণ হয়েছে। ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ঈসমাইল এই মামলার রায় ঘোষণা করেছিলেন। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও আইনি জটিলতা এবং উচ্চ আদালতে আপিল শুনানির অপেক্ষায় থমকে আছে সাজা কার্যকর করার প্রক্রিয়া।

​মামলার প্রেক্ষাপট ও বিচারিক ইতিহাস
​২০২০ সালের ৩১ জুলাই টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন সিনহা রাশেদ খান।

​২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি এ মামলার প্রধান আসামী টেকনাফ থানার তৎকালীন ওসি প্রদীপ কুমার দাশ এবং পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়।

​ছয়জন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং বাকি সাতজনকে খালাস দেওয়া হয়।

​আইন অনুযায়ী, বিচারিক আদালতের (নিম্ন আদালত) কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হলে হাইকোর্টের অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) প্রয়োজন হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত প্রদীপ ও লিয়াকতসহ অন্যান্যরা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করেছেন। বর্তমানে মামলাটি হাইকোর্টে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু করার জন্য আইনি প্রক্রিয়া চললেও তা এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

এদিকে ​সিনহার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রায় হওয়ার পর তারা ন্যায়বিচারের আশা পেয়েছিলেন। কিন্তু চার বছরেও রায় কার্যকর না হওয়ায় তারা কিছুটা হতাশ। তাদের দাবি, দ্রুত আপিল শুনানি শেষ করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ক্ষমতার অপব্যবহার করার সাহস না পায়।

​বর্তমানে প্রদীপ কুমার দাশ এবং লিয়াকত আলীসহ দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা কারাগারে রয়েছেন। আইনজীবীদের মতে , হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শেষ হওয়ার পর বিষয়টি আপিল বিভাগ পর্যন্ত যেতে পারে। এরপর রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার সুযোগ থাকে। এই সব ধাপ শেষ হলেই কেবল রায় কার্যকর সম্ভব।