সমুদ্র বিকেল তিল ধারনের ঠাঁই নেই। মানুষ আর মানুষ। ঈদের ছুটিতে লাখো পর্যটকের সমাগমে সমুদ্র যেনো জন সমুদ্র।ঈদের ২য় দিন সৈকতের সব-কটি পয়েন্টে মানুষের ভীড় লেগে আছে
এবারের ঈদে টানা ১ সপ্তাহের ছুটি।ফলে সব পথ যেনো মিশেছে কক্সবাজার সৈকতে। প্রিয়জনের সাথে প্রিয় কিছু মুহুর্ত কাটাতে দেশের নানা প্রান্তের মানুষ এসেছে সৈকত নগরীতে।
ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে আসা পর্যটক হোসেন নিলয় বলেন, “ঈদের ছুটি কাটাতে চলে এলাম কক্সবাজার। সমুদ্রের রুপ বৈচিত্র দেখে সময়টা ভালোই কাটছে।
গাজীপুর থেকে কনিকা আক্তার জানান,নির্বাচন, তার আগে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সব মিলিয়ে গেলো দুই ঈদে কোথাও বেড়ানো হয়নি, তাই এবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় চলে এলাম ঈদের ছুটিতে কক্সবাজার।
হোটেল-মোটেল-রিসোর্ট সহ শহরের ৫ শতাধিক আবাসিক প্রতিষ্ঠানের কোথাও কোন রুম খালি নেই। ৩০ মার্চ পর্যন্ত বেশির ভাগ হোটেলের অগ্রিম বুকিং রয়েছে বলে জানান হোটেল মোটেল মালিক ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার।
তিনি বলেন, ‘ ঈদ উপলক্ষে পর্যটকের চাপ বেড়েছে, প্রায় সব হোটেলেই পর্যটকেরা আছেন।আমরা সব হোটেলকে নির্দেশনা দিয়েছি যেন পর্যটকদের হয়রানি করা না হয় এবং নায্যমূল্য রাখা হয়।’
পর্যটকদের নিরাপত্তায় জেলা প্রশাসন, টুরিস্ট পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সার্বিক তৎপরতা দেখা গেছে পর্যটন স্পটগুলোতে। জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, ‘ পর্যটকেরা এই শহরের অতিথি, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহ যেকোন সেবায় জেলা প্রশাসন সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।’
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: 
























