ঢাকা ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে বন্যাদুর্গতদের জন্য ৩০ লাখ টাকা ও সাড়ে ৪০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ লোহাগাড়ার দরবেশহাট বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই ৭ দোকান ভারী বর্ষণ নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস জেলা-উপজেলার হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে রেফারিং ন্যায্য ছিল: সুইজারল্যান্ড কোচ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দুবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মিয়ানমার তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ ও প্রধান চালিকাশক্তি : রাষ্ট্রপতি কক্সবাজারে মাদকের বড় চালান ভেস্তে দিল পুলিশ, উদ্ধার ৯২ হাজার ইয়াবা, আটক ১, বন্যায় কক্সবাজার সহ চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চলে ৩৬ জনের প্রাণহানি পানিবন্দি মানুষের পাশে ঝিলংজা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এম. রাশেদুল করিম রাশেদ দুই দিনে বঙ্গোপসাগর থেকে পাঁচ মরদেহ উদ্ধার, উপকূলে উদ্বেগ বন্যায় ভাসছে কক্সবাজারসহ দক্ষিণ চট্টগ্রাম, ক্ষতিগ্রস্ত ৭ লক্ষ মানুষ চট্টগ্রামে উখিয়া-টেকনাফ জাতীয়তাবাদী ছাত্র ফোরামের ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন লোহাগাড়ায় নামতে শুরু করেছে বন্যার পানি,ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

লোহাগাড়ার দরবেশহাট বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই ৭ দোকান

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের দরবেশহাট বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত সাতটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস। এতে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।

শনিবার (১১ জুলাই) ভোররাতে দরবেশহাট বাজারের দীঘির দক্ষিণ পাশে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে শামসুল আলমের সারের দোকান, আবু তাহেরের ডেকোরেশন ও লেপ-তোষকের দোকান, নাজিম উদ্দিনের লেপ-তোষকের দোকান ও কারখানা, জমির উদ্দিনের ইলেকট্রনিকসের দোকান, রতন কর্মকারের কামারের দোকানসহ মোট সাতটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

স্থানীয় বাসিন্দা ফৌজুল কবির জানান, ভোররাতে একটি দোকানে আগুনের সূত্রপাত হলে মুহূর্তের মধ্যেই তা পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। পরে বাজারের মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে স্থানীয়দের আগুন নেভানোর জন্য আহ্বান জানানো হয়।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও আগুনের তীব্রতায় তা সম্ভব হয়নি। খবর পেয়ে লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী শামসুল আলম বলেন, “ভোরে খবর পেয়ে এসে দেখি দোকানের সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সার, মালামাল, নগদ টাকা ও আসবাবপত্র কিছুই রক্ষা করতে পারিনি।”

আরেক ব্যবসায়ী আবু তাহের জানান, আগুনে তার ডেকোরেশনের সরঞ্জাম ও লেপ-তোষকের সব মালামাল পুড়ে গেছে। এতে তার প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা রাখাল চন্দ্র রুদ্র বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।

এদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত সরকারি আর্থিক সহায়তা ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে বন্যাদুর্গতদের জন্য ৩০ লাখ টাকা ও সাড়ে ৪০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ

লোহাগাড়ার দরবেশহাট বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই ৭ দোকান

আপডেট সময় : ০৪:৩১:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের দরবেশহাট বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত সাতটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস। এতে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।

শনিবার (১১ জুলাই) ভোররাতে দরবেশহাট বাজারের দীঘির দক্ষিণ পাশে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে শামসুল আলমের সারের দোকান, আবু তাহেরের ডেকোরেশন ও লেপ-তোষকের দোকান, নাজিম উদ্দিনের লেপ-তোষকের দোকান ও কারখানা, জমির উদ্দিনের ইলেকট্রনিকসের দোকান, রতন কর্মকারের কামারের দোকানসহ মোট সাতটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

স্থানীয় বাসিন্দা ফৌজুল কবির জানান, ভোররাতে একটি দোকানে আগুনের সূত্রপাত হলে মুহূর্তের মধ্যেই তা পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। পরে বাজারের মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে স্থানীয়দের আগুন নেভানোর জন্য আহ্বান জানানো হয়।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও আগুনের তীব্রতায় তা সম্ভব হয়নি। খবর পেয়ে লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী শামসুল আলম বলেন, “ভোরে খবর পেয়ে এসে দেখি দোকানের সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সার, মালামাল, নগদ টাকা ও আসবাবপত্র কিছুই রক্ষা করতে পারিনি।”

আরেক ব্যবসায়ী আবু তাহের জানান, আগুনে তার ডেকোরেশনের সরঞ্জাম ও লেপ-তোষকের সব মালামাল পুড়ে গেছে। এতে তার প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা রাখাল চন্দ্র রুদ্র বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।

এদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত সরকারি আর্থিক সহায়তা ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।