ঢাকা ০৩:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কালিরছড়ায় সাহেদের ই’য়াবা নাকি টাকার ব্যাগ ছি’নতাই? শিক্ষক সংকটসহ শিক্ষা খাতের সমস্যা সমাধানে নীতিমালায় পরিবর্তন আনছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ লোহাগাড়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৪ হোটেল সী-হার্টের মালিক জাহাঙ্গীর আলম মারা গেছেন পেকুয়ায় পুকুরে গোসলে নেমে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত কক্সবাজারের আকাশে রহস্যময় আলোকরশ্মির বিষয়ে যা জানা গেল মাতামুহুরি উপজেলা হওয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানালেন জামায়াত নেতা ফারুক রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক আয়োজন সম্পন্ন কক্সবাজার ও বান্দরবান সফরে আসছেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ খুরুশকুলে “খেলাঘরের ” ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন — টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে ৬ মামলার আসামি ও সাজাপ্রাপ্ত হামিদ হোসেন গ্রেফতার উখিয়ায় র‌্যাবের অভিযান, পরিত্যক্ত অবস্থায় ২ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার উখিয়ায় র‌্যাবের ঝটিকা অভিযান: ৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত রোহিঙ্গা মাদক কারবারি গ্রেফতার মুবিনুল হক হত্যা মামলার আসামি জাহাঙ্গীর গ্রেফতার

রোহিঙ্গাদের জন্য এর বেশি করার উপায় বাংলাদেশের নেই: ইউনূস

রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে আশ্রিত ১৩ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর জন্য অতিরিক্ত সম্পদ সংস্থান করা সম্ভব নয়।

সোমবার কক্সবাজারে ‘স্টেকহোল্ডারস ডায়ালগ: টেকঅ্যাওয়ে টু দ্য হাই-লেভেল কনফারেন্স অন দ্য রোহিঙ্গা সিচুয়েশন’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতন থেকে বাংলাদেশ অভিমুখে রোহিঙ্গাদের অনিশ্চিত যাত্রার আট বছর পূর্ণ উপলক্ষে আয়োজিত এ সংলাপে সংকট সমাধানে সাত দফা কর্মপরিকল্পনা প্রস্তাব করেন।

কক্সবাজারে হোটেল বে ওয়াচে অনুষ্ঠিত এ সংলাপে অংশগ্রহণ করছেন কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ, বিভিন্ন দেশের শিক্ষাবিদ, বৈশ্বিক সংস্থা ও রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা।

এ সংলাপ থেকে আসা প্রস্তাব এবং বক্তব্যগুলো আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে অনুষ্ঠেয় সম্মেলনে তুলে ধরার কথা বলছে সরকার। নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠেয় ওই সম্মেলনে প্রায় ১৭০টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের কথা রয়েছে। সেখানে রোহিঙ্গাসহ নিপীড়নের শিকার মিয়ানমারের অন্যান্য জনগোষ্ঠীর দুর্দশা গুরুত্ব সহকারে আলোচনা হবে।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতন থেকে বাংলাদেশ অভিমুখে রোহিঙ্গাদের অনিশ্চিত যাত্রার আট বছর পূর্ণ হচ্ছে সোমবার। ২০১৭ সালের এই দিনে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে সেই ঢলের শুরু হয়েছিল।

এরপর কয়েক মাসের মধ্যে সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে আশ্রয় নেয়। আগে থেকে ওই এলাকার ক্যাম্পে বসবাস করছিল আরও চার লাখ রোহিঙ্গা।

জাতিসংঘ সে সময় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর এই হত্যা ও নির্যাতনকে চিহ্নিত করেছিল ‘জাতিগত নিধনের ধ্রুপদী উদাহরণ’ হিসেবে। যুক্তরাষ্ট্র সরকারও রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো ওই হত্যাযজ্ঞকে ‘জেনোসাইড’ হিসাবে বর্ণনা করেছে।

বাংলাদেশ সীমান্ত খুলে দেওয়ার পর থেকে কক্সবাজার ও উখিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে বাঁশ আর প্লাস্টিকের খুপড়ি ঘরে বসবাস শুরু করে রোহিঙ্গারা। উখিয়ার কুতুপালং পরিণত হয় বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবিরে।

সূত্র:বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালিরছড়ায় সাহেদের ই’য়াবা নাকি টাকার ব্যাগ ছি’নতাই?

রোহিঙ্গাদের জন্য এর বেশি করার উপায় বাংলাদেশের নেই: ইউনূস

আপডেট সময় : ১২:৫৬:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫

রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে আশ্রিত ১৩ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর জন্য অতিরিক্ত সম্পদ সংস্থান করা সম্ভব নয়।

সোমবার কক্সবাজারে ‘স্টেকহোল্ডারস ডায়ালগ: টেকঅ্যাওয়ে টু দ্য হাই-লেভেল কনফারেন্স অন দ্য রোহিঙ্গা সিচুয়েশন’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতন থেকে বাংলাদেশ অভিমুখে রোহিঙ্গাদের অনিশ্চিত যাত্রার আট বছর পূর্ণ উপলক্ষে আয়োজিত এ সংলাপে সংকট সমাধানে সাত দফা কর্মপরিকল্পনা প্রস্তাব করেন।

কক্সবাজারে হোটেল বে ওয়াচে অনুষ্ঠিত এ সংলাপে অংশগ্রহণ করছেন কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ, বিভিন্ন দেশের শিক্ষাবিদ, বৈশ্বিক সংস্থা ও রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা।

এ সংলাপ থেকে আসা প্রস্তাব এবং বক্তব্যগুলো আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে অনুষ্ঠেয় সম্মেলনে তুলে ধরার কথা বলছে সরকার। নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠেয় ওই সম্মেলনে প্রায় ১৭০টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের কথা রয়েছে। সেখানে রোহিঙ্গাসহ নিপীড়নের শিকার মিয়ানমারের অন্যান্য জনগোষ্ঠীর দুর্দশা গুরুত্ব সহকারে আলোচনা হবে।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতন থেকে বাংলাদেশ অভিমুখে রোহিঙ্গাদের অনিশ্চিত যাত্রার আট বছর পূর্ণ হচ্ছে সোমবার। ২০১৭ সালের এই দিনে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে সেই ঢলের শুরু হয়েছিল।

এরপর কয়েক মাসের মধ্যে সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে আশ্রয় নেয়। আগে থেকে ওই এলাকার ক্যাম্পে বসবাস করছিল আরও চার লাখ রোহিঙ্গা।

জাতিসংঘ সে সময় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর এই হত্যা ও নির্যাতনকে চিহ্নিত করেছিল ‘জাতিগত নিধনের ধ্রুপদী উদাহরণ’ হিসেবে। যুক্তরাষ্ট্র সরকারও রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো ওই হত্যাযজ্ঞকে ‘জেনোসাইড’ হিসাবে বর্ণনা করেছে।

বাংলাদেশ সীমান্ত খুলে দেওয়ার পর থেকে কক্সবাজার ও উখিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে বাঁশ আর প্লাস্টিকের খুপড়ি ঘরে বসবাস শুরু করে রোহিঙ্গারা। উখিয়ার কুতুপালং পরিণত হয় বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবিরে।

সূত্র:বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম