ঢাকা ০২:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানবতার আয়োজনে মানববর্জ্যে পরিবেশের বাজছে বারোটা! ‌আপা-ভাইয়া বনাম “স্যার-ম্যডাম”: আমলাতন্ত্রের ভাষায় ঔপনিবেশিকতার দীর্ঘ ছায়া নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত থেকে তিন কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে যারা টেকনাফে শীঘ্রই কমিটি পাচ্ছে ছাত্রদল গলায় চানাচুর আঁটকে শিশু আবিদের মৃত্যু উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে পৃথক অভিযান: ৫ লাখ ৭২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১ ফুটবল বিশ্বকাপ: হিসাব–নিকাশে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে কারা বিশ্ব পরিবেশ দিবসেই মহেশখালীতে পুড়ছে প্যারাবন: নির্বিকার বনবিভাগ ও প্রশাসন প্রায় সাত বছর পর রূপালী পর্দায় সিনেমা দেখার সুযোগ পেল কক্সবাজারের মানুষ, আধুনিক সিনেমা হলের দাবি রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে তুরস্ক, উখিয়া ক্যাম্প পরিদর্শনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান আর্জেন্টিনার নীল-সাদা রঙে রাঙল টেকনাফ যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষায় কক্সবাজারের সন্তান শামীমুর রহমান ২০২৬ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত সময়সূচি ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে মা ও ছেলের মৃত্যু: এলাকায় শোকের ছায়া কক্সবাজারে মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬.৩ ডিগ্রি, দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন
হয়না কোনো উচ্ছ্বাস

রেজাল্ট দেখতে স্কুলে আসেনা শিক্ষার্থীরা!

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের মতো শিক্ষা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষা গুলোর ফলাফল দেখতে আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আসতো শিক্ষার্থীরা। গেলো দুই-তিন বছর আগেও শিক্ষার্থীদের আনাগোনা দেখা যেতো। উচ্ছ্বাসের বর্ণিল আবহ দেখা যেতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘিরে।

দেখা যেতো শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পরম ভালোবাসার সব চিত্র। ফল প্রত্যাশীদের সাথে দেখা যেতো বর্তমান শিক্ষার্থীদের, আসতো প্রাক্তন শিক্ষার্থীরাও।

কিন্তু এখন ফল প্রকাশের দিন বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ গুলোতে দেখা মেলেনা কোনো শিক্ষার্থীকেও। ফাঁকা বিদীর্ণ চিত্র যেনো প্রতিষ্ঠান গুলোতে এমন খুশির দিনেও।

বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রকাশ করা হয় চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল। আমাদের প্রতিবেদকরা জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবস্থান করে এমন বাস্তবতা জানান।

দুপুর ১টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত কক্সবাজার শহরের অন্তত ৪টি স্কুলে গিয়েছেন টিটিএনের নিজস্ব প্রতিবেদক আফজারা রিয়া। দুই-একজন অভিভাবককে দেখতে পেলেও তিনি কোনো শিক্ষার্থীকে দেখতে পাননি।

জ্যেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক রহিম উদ্দিন জানান, ৩ বছর আগেও স্কুল প্রাঙ্গনে এসে ফলাফল নিয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাসের ছবি তুলেছেন তিনি। কিন্তু দুই-এক বছর ধরে তা আর দেখা যায়না।

কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রামমোহন সেন জানান, শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই সব পেয়ে যায়, তাই আর আসতে চায়না না।

রামমোহন বলেন, “আজ শুধু একজন গার্ডিয়ান এসেছিলেন। তাছাড়া শিক্ষার্থীরা স্কুলের চেয়ে আগে পূর্ণাঙ্গ রেজাল্ট পেয়ে যায় অনলাইনে।”

“দুই-এক বছর আগেও ১০-২০ জন অন্তত আসতো৷ এখন আর সেই উচ্ছ্বাস নেই স্কুল ঘিরে”- বলেন রামমোহন সেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মানবতার আয়োজনে মানববর্জ্যে পরিবেশের বাজছে বারোটা!

হয়না কোনো উচ্ছ্বাস

রেজাল্ট দেখতে স্কুলে আসেনা শিক্ষার্থীরা!

আপডেট সময় : ০৩:৩৭:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের মতো শিক্ষা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষা গুলোর ফলাফল দেখতে আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আসতো শিক্ষার্থীরা। গেলো দুই-তিন বছর আগেও শিক্ষার্থীদের আনাগোনা দেখা যেতো। উচ্ছ্বাসের বর্ণিল আবহ দেখা যেতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘিরে।

দেখা যেতো শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পরম ভালোবাসার সব চিত্র। ফল প্রত্যাশীদের সাথে দেখা যেতো বর্তমান শিক্ষার্থীদের, আসতো প্রাক্তন শিক্ষার্থীরাও।

কিন্তু এখন ফল প্রকাশের দিন বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ গুলোতে দেখা মেলেনা কোনো শিক্ষার্থীকেও। ফাঁকা বিদীর্ণ চিত্র যেনো প্রতিষ্ঠান গুলোতে এমন খুশির দিনেও।

বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রকাশ করা হয় চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল। আমাদের প্রতিবেদকরা জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবস্থান করে এমন বাস্তবতা জানান।

দুপুর ১টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত কক্সবাজার শহরের অন্তত ৪টি স্কুলে গিয়েছেন টিটিএনের নিজস্ব প্রতিবেদক আফজারা রিয়া। দুই-একজন অভিভাবককে দেখতে পেলেও তিনি কোনো শিক্ষার্থীকে দেখতে পাননি।

জ্যেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক রহিম উদ্দিন জানান, ৩ বছর আগেও স্কুল প্রাঙ্গনে এসে ফলাফল নিয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাসের ছবি তুলেছেন তিনি। কিন্তু দুই-এক বছর ধরে তা আর দেখা যায়না।

কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রামমোহন সেন জানান, শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই সব পেয়ে যায়, তাই আর আসতে চায়না না।

রামমোহন বলেন, “আজ শুধু একজন গার্ডিয়ান এসেছিলেন। তাছাড়া শিক্ষার্থীরা স্কুলের চেয়ে আগে পূর্ণাঙ্গ রেজাল্ট পেয়ে যায় অনলাইনে।”

“দুই-এক বছর আগেও ১০-২০ জন অন্তত আসতো৷ এখন আর সেই উচ্ছ্বাস নেই স্কুল ঘিরে”- বলেন রামমোহন সেন।