ঢাকা ০২:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
খামেনির মৃত্যুতে সংসদে শোকপ্রস্তাব কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু: প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন অ্যাড. আহমেদ আযম খান স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি ডেপুটি স্পিকার হলেন কায়সার কামাল ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ প্রথম অধিবেশনের সভাপতি খন্দকার মোশাররফ আজ জনআকাঙ্ক্ষা, গণতন্ত্রের পদযাত্রা শুরুর সংসদ: সালাহউদ্দিন আহমদ ইসরায়েল থেকে স্থায়ীভাবে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার স্পেনের জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ দ্বীপবর্তিকার ইফতার মাহফিল সম্পন্ন জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে কালিমার ক্যালিগ্রাফি টেকনাফে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা গ্রেফতার, র‌্যাবের ২টি মোটরসাইকেলে আগুন উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৫ জন হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আরসা সন্ত্রাসী গ্রেফতার লবণ চাষীদের গলা কাটছে ইজারাদার

‘রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু সম্পর্ক ও সম্মান কখনো ভাঙে না’ – এড. শাহজালাল পুত্র

উখিয়া-টেকনাফে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারীর নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন জেলা জামায়াতের সাবেক আমির ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এড. শাহজালাল চৌধুরী।

তিনি একই আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর আপন ছোট ভাই।

নির্বাচনী মাঠে দুই ভাইয়ের দুটি আলাদা দলের হয়ে এমন ‘অবস্থান’ টক অব দ্যা কক্সবাজারে পরিণত হয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা বলছেন, ‘এটি তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা—কোনোভাবেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পারিবারিক বিরোধের প্রতিফলন নয়।’

নিচে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এডভোকেট শাহজালাল চৌধুরীর সন্তান হাসান বান্না’র পোস্ট টিটিএনের পাঠকদের জন্য সংযুক্ত করা হলো :

‘সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মানুষ ভুল বোঝাবুঝি ছড়াচ্ছে যে আমাদের পরিবার নাকি একে অপরের “বিরুদ্ধে” কাজ করছে। বিষয়টি সম্পূর্ণই ভুল।

আমার বাবা তার দলের (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী) দায়িত্ব অনুযায়ী দলীয় প্রার্থীকে সমর্থন করছেন। অন্যদিকে আমার চাচা বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

এটি তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা—কোনোভাবেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পারিবারিক বিরোধের প্রতিফলন নয়।

আমাদের পরিবার সবসময়ই একে অপরকে শ্রদ্ধা করে এসেছে এবং আজও সে বোঝাপড়া অটুট রয়েছে।

আমরা সবাই জানি, আগের একাধিক সরকারের সময়—বিশেষ করে কঠিন রাজনৈতিক পরিবেশে—আমার বাবাকে কারাবরণ করতে হয়েছে এবং আমার চাচাসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের ওপরও নানা রাজনৈতিক চাপ, মামলা ও হয়রানি নেমে এসেছিল।

সেই সময় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন একে অপরের পাশে থেকেছেন,
আন্দোলন–সংগ্রামে একসঙ্গে কষ্ট ভাগাভাগি করেছেন, যা সবাই দেখেছেন।

রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু সম্পর্ক ও সম্মান কখনো ভাঙে না। আমরা চাই শান্তিপূর্ণ নির্বাচন, পারস্পরিক সম্মান এবং বিভ্রান্তি ছড়ানো বন্ধ হোক।

যারা ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন, তাদের প্রতি অনুরোধ—আমাদের পরিবারের সম্পর্ক নিয়ে ভিত্তিহীন মন্তব্য না করে সত্যকে সম্মান করুন। এরপরেও যারা নিজেদের বিবেকবুদ্ধি পকেটে রেখে অন‍্যের বিবেকবুদ্ধি খুঁজে বেড়াচ্ছেন, তারা বিগত ১৭ বছরের কথা চিন্তা করে দেখবেন। তাতে যদি আপনাদের বিবেকে নাড়া দেয়!’

ট্যাগ :

‘রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু সম্পর্ক ও সম্মান কখনো ভাঙে না’ – এড. শাহজালাল পুত্র

আপডেট সময় : ০৭:২৮:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

উখিয়া-টেকনাফে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারীর নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন জেলা জামায়াতের সাবেক আমির ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এড. শাহজালাল চৌধুরী।

তিনি একই আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর আপন ছোট ভাই।

নির্বাচনী মাঠে দুই ভাইয়ের দুটি আলাদা দলের হয়ে এমন ‘অবস্থান’ টক অব দ্যা কক্সবাজারে পরিণত হয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা বলছেন, ‘এটি তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা—কোনোভাবেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পারিবারিক বিরোধের প্রতিফলন নয়।’

নিচে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এডভোকেট শাহজালাল চৌধুরীর সন্তান হাসান বান্না’র পোস্ট টিটিএনের পাঠকদের জন্য সংযুক্ত করা হলো :

‘সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মানুষ ভুল বোঝাবুঝি ছড়াচ্ছে যে আমাদের পরিবার নাকি একে অপরের “বিরুদ্ধে” কাজ করছে। বিষয়টি সম্পূর্ণই ভুল।

আমার বাবা তার দলের (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী) দায়িত্ব অনুযায়ী দলীয় প্রার্থীকে সমর্থন করছেন। অন্যদিকে আমার চাচা বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

এটি তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা—কোনোভাবেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পারিবারিক বিরোধের প্রতিফলন নয়।

আমাদের পরিবার সবসময়ই একে অপরকে শ্রদ্ধা করে এসেছে এবং আজও সে বোঝাপড়া অটুট রয়েছে।

আমরা সবাই জানি, আগের একাধিক সরকারের সময়—বিশেষ করে কঠিন রাজনৈতিক পরিবেশে—আমার বাবাকে কারাবরণ করতে হয়েছে এবং আমার চাচাসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের ওপরও নানা রাজনৈতিক চাপ, মামলা ও হয়রানি নেমে এসেছিল।

সেই সময় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন একে অপরের পাশে থেকেছেন,
আন্দোলন–সংগ্রামে একসঙ্গে কষ্ট ভাগাভাগি করেছেন, যা সবাই দেখেছেন।

রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু সম্পর্ক ও সম্মান কখনো ভাঙে না। আমরা চাই শান্তিপূর্ণ নির্বাচন, পারস্পরিক সম্মান এবং বিভ্রান্তি ছড়ানো বন্ধ হোক।

যারা ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন, তাদের প্রতি অনুরোধ—আমাদের পরিবারের সম্পর্ক নিয়ে ভিত্তিহীন মন্তব্য না করে সত্যকে সম্মান করুন। এরপরেও যারা নিজেদের বিবেকবুদ্ধি পকেটে রেখে অন‍্যের বিবেকবুদ্ধি খুঁজে বেড়াচ্ছেন, তারা বিগত ১৭ বছরের কথা চিন্তা করে দেখবেন। তাতে যদি আপনাদের বিবেকে নাড়া দেয়!’