জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কক্সবাজার-২ (মহেশখালী–কুতুবদিয়া) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ড. এ. এইচ. এম. হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, সারা দেশে নির্বাচনের আমেজ বিরাজ করছে এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা দিন দিন বাড়ছে। এর ফলে জনমত মেরুকরণও স্পষ্ট হচ্ছে। তবে যারা জনগণের ভোটে বিজয়ী হতে পারবে না বলে আশঙ্কা করছে, তারা সহিংসতার পথ বেছে নিচ্ছে। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোসহ সারাদেশে যে নির্বাচন ঘিরে সহিংসতা বাড়ছে, তা তারই প্রমাণ।
বৃহস্পতিবার মহেশখালী উপজেলায় গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের দলের শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি রেজাউল করিমকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া ঢাকায় নারী নির্যাতন ও হত্যার ঘটনাও ঘটেছে। যারা মুখে গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলে, প্রকৃতপক্ষে তারাই সহিংসতার মাধ্যমে নির্বাচনে জয়ী হতে চাচ্ছে।
দেশে ঘটে যাওয়া এসব ঘটনার তিনি তীব্র নিন্দা জানান এবং প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন ও সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন—অবিলম্বে এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড বন্ধ না হলে সারা দেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ছড়িয়ে পড়বে এবং সন্ত্রাসীরা আরও উৎসাহিত হবে। তাই দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।
তিনি জনগণের প্রতি আহ্বান জানান—হত্যা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যেন সবাই প্রতিরোধ গড়ে তোলে। যারা জোরপূর্বক দমননীতির মাধ্যমে মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। অতীতে যেভাবে ভোটাধিকার হরণকারীদের বিরুদ্ধে জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল, সেই চেতনা ধারণ করেই জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে।
ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, আমরা চাই নির্বাচন নির্ধারিত সময়ে হোক এবং তা সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হোক। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন একটি নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ। সরকার যদি সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে এর দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে।
রাহুল মহাজন: 






















