ঢাকা ০১:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভোরে ফুল তুলতে যাওয়া বৃদ্ধকে জবাই করে হত্যা, অভিযুক্তের আত্মসমর্পণ বাংলা বছরের শেষদিন— চৈত্র সংক্রান্তি আজ তীব্র গরমেও পর্যটকের ঢল, নোনাজলে খুঁজছে স্বস্তি দুই খুন ভাবিয়ে তুলেছে খোদ পুলিশকে চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাংয়ের হাতে খুন হলো চকরিয়ার কিশোর সাজিদ সাংগঠনিক গতি বাড়াতে এমজেএ কক্সবাজারের সভা, নতুন সদস্য আহ্বান ও উপ-কমিটি গঠন কুতুবদিয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে বরযাত্রীর গাড়ি, শিশুসহ ৪জন আহত নতুন গণমাধ্যম নিয়ে আসছেন সাকিব রামুতে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার টেকনাফে পূর্ব শত্রুতার জেরে বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ টেকনাফ ও ইনানী থেকে সাগর পথে মালয়েশিয়া যাত্রা: আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবি,উদ্ধার ৯, নিখোঁজ ২ শতাধিক সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না রোগীর সেবায় ২৪ ঘন্টা জরুরি বিভাগ সচল রাখতে হবে-এমপি কাজল ২ দিনের সফরে সোমবার কক্সবাজার আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জেলা কালেক্টরেট সহকারী সমিতির নতুন কমিটি: জুবাইর আহবায়ক, মিজান সদস্য

মৃত ব্যক্তির কাজা রোজা অন্য কেউ রাখতে পারবে?

  • টিটিএন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৩:২১:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • 281

রমজানের রোজা রাখা ফরজ। ফরজ ইবাদত পালন না করলে আল্লাহর সামনে জবাবদিহিতা করতে হবে। কেউ সঙ্গত কারণে রোজা রাখতে না পারলে কাজা রোজার বিধান রয়েছে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যে মাসটিতে (রমজানে) উপস্থিত হবে, সে যেন তাতে সিয়াম পালন করে। আর যে ব্যক্তি অসুস্থ বা মুসাফির হয়, সে অন্য দিনে সংখ্যা পূরণ করে নেবে, আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজটাই চান, কঠিন করতে চান না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৫)

তবে ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা ভাঙা উচিত নয়। কারণ, পরবর্তীতে কাজা আদায় করলেও তা বর্তমান রোজার ফজিলতের সমতুল্য হবে না কখনো। এক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি শরিয়তসম্মত কারণ বা অসুস্থতা ছাড়া রমজানের একটি রোজা ভাঙে, তার ওই রোজার বিপরীতে সারা জীবনের রোজাও রমজানের একটি রোজার সমমর্যাদা ও স্থলাভিষিক্ত হবে না।’ (তিরমিজি, হাদিস : ৭২৩)

এজন্য যথাসম্ভব রোজা কাজা না করার চেষ্টা করা উচিত। তবে কাজা হয়ে গেলে তা দ্রুত আদায় করা উচিত। তবে কেউ যদি রোজার কাজা আদায় করতে না পারেন এবং এর আগেই মৃত্যু বরণ করেন, তাহলে তার রোজার বিধান কী এবং জীবিত অন্য কেউ তার পক্ষ থেকে সেই রোজার কাজা আদায় করতে পারবেন কিনা?

এ বিষয়ে ফেকাহবিদদের মতামত হলো— কারো অনাদায়ী বা কাজা রোজা অন্য কেউ রাখতে পারবে না। অন্য কেউ রাখলেও সেই মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে তা আদায় হবে না।

আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.)-কে অন্যের পক্ষ থেকে রোজা রাখা কিংবা অন্যের পক্ষ থেকে নামাজ আদায় করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলতেন,

কেউ অন্যের পক্ষ থেকে রোজা রাখবে না এবং অন্যের পক্ষ থেকে নামাজ পড়বে না। (মুআত্তা ইমাম মালেক : ৯৪)

তাই এক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির কাজা রোজার জন্য ফিদইয়া আদায় করতে পারেন তার জীবিত স্বজনরা। ফিদইয়া হিসেবে প্রতিটি রোজার জন্য কোনো দরিদ্রকে দু’ বেলা খাবার বা তার মূল্য দান করতে পারেন। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২০৭)

সূত্র: ঢাকা পোস্ট

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মৃত ব্যক্তির কাজা রোজা অন্য কেউ রাখতে পারবে?

আপডেট সময় : ০৩:২১:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

রমজানের রোজা রাখা ফরজ। ফরজ ইবাদত পালন না করলে আল্লাহর সামনে জবাবদিহিতা করতে হবে। কেউ সঙ্গত কারণে রোজা রাখতে না পারলে কাজা রোজার বিধান রয়েছে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যে মাসটিতে (রমজানে) উপস্থিত হবে, সে যেন তাতে সিয়াম পালন করে। আর যে ব্যক্তি অসুস্থ বা মুসাফির হয়, সে অন্য দিনে সংখ্যা পূরণ করে নেবে, আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজটাই চান, কঠিন করতে চান না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৫)

তবে ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা ভাঙা উচিত নয়। কারণ, পরবর্তীতে কাজা আদায় করলেও তা বর্তমান রোজার ফজিলতের সমতুল্য হবে না কখনো। এক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি শরিয়তসম্মত কারণ বা অসুস্থতা ছাড়া রমজানের একটি রোজা ভাঙে, তার ওই রোজার বিপরীতে সারা জীবনের রোজাও রমজানের একটি রোজার সমমর্যাদা ও স্থলাভিষিক্ত হবে না।’ (তিরমিজি, হাদিস : ৭২৩)

এজন্য যথাসম্ভব রোজা কাজা না করার চেষ্টা করা উচিত। তবে কাজা হয়ে গেলে তা দ্রুত আদায় করা উচিত। তবে কেউ যদি রোজার কাজা আদায় করতে না পারেন এবং এর আগেই মৃত্যু বরণ করেন, তাহলে তার রোজার বিধান কী এবং জীবিত অন্য কেউ তার পক্ষ থেকে সেই রোজার কাজা আদায় করতে পারবেন কিনা?

এ বিষয়ে ফেকাহবিদদের মতামত হলো— কারো অনাদায়ী বা কাজা রোজা অন্য কেউ রাখতে পারবে না। অন্য কেউ রাখলেও সেই মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে তা আদায় হবে না।

আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.)-কে অন্যের পক্ষ থেকে রোজা রাখা কিংবা অন্যের পক্ষ থেকে নামাজ আদায় করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলতেন,

কেউ অন্যের পক্ষ থেকে রোজা রাখবে না এবং অন্যের পক্ষ থেকে নামাজ পড়বে না। (মুআত্তা ইমাম মালেক : ৯৪)

তাই এক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির কাজা রোজার জন্য ফিদইয়া আদায় করতে পারেন তার জীবিত স্বজনরা। ফিদইয়া হিসেবে প্রতিটি রোজার জন্য কোনো দরিদ্রকে দু’ বেলা খাবার বা তার মূল্য দান করতে পারেন। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২০৭)

সূত্র: ঢাকা পোস্ট