ঢাকা ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সামনের ইউপি নির্বাচনে সেন্টমার্টিনের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী যারা! মায়ের পর বাবার জানাজায় প্যারোলে মুক্তি নিয়ে দুই ভাই : নিজেদের নির্দোষ দাবি কক্সবাজারের ৪ পৌরসভায় প্রশাসকের আলোচনায় যারা কে হচ্ছেন কক্সবাজার পৌরসভার প্রশাসক? চকরিয়ায় সাংবাদিকের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন: জড়িতদের আটকে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম ফের রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব হলেন সরওয়ার আলম আর স্কুলে যাওয়া হবে না ছোট্ট নূরের.. মেরিন ড্রাইভে সড়ক দূর্ঘটনায় আহত ৬,আশঙ্কাজনক ২ ঘুমধুম সীমান্তে অনুপ্রবেশ, তিন আরকান আর্মি সদস্য আটক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ছয় সিটি প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেয়াদ অনুযায়ী ধাপে ধাপে হবে সিটি নির্বাচন : মির্জা ফখরুল চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণ: মায়ের পর চলে গেল ছেলে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনায় সারজিস-হান্নানের নেতৃত্বে এনসিপির কমিটি রোয়াংছড়িতে সেনাবাহিনী – সন্ত্রাসীর গোলাগুলি, নিহত ১ রমজানে মহানবী (সা.)-এর দিনলিপি

মায়ের পর বাবার জানাজায় প্যারোলে মুক্তি নিয়ে দুই ভাই : নিজেদের নির্দোষ দাবি

  • ​আনিস নাঈম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৬:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 70

মায়ের কবরের মাটি এখনো শুকায়নি, এরই মধ্যে বিদায় নিলেন বাবাও। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে মা-বাবাকে হারিয়ে দিশেহারা দুই সহোদর ফরিদুল আলম ও মোঃ ইসলাম।

রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া গ্রামে এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটেছে। কারাগারে বন্দি থাকায় দুই ভাইকেই প্যারোলে মুক্তি নিয়ে হাতকড়া পরা অবস্থায় অংশ নিতে হয়েছে বাবার জানাজায়। মাত্র ৩ দিন আগে কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি নিয়ে মায়ের জানাজায় এসেছিলেন তারা। মায়ের জানাজায় বাবাকে নিয়ে শংকার কথা বলে দোয়াও চেয়েছিলেন দুই ভাই।

​গত ২১শে ফেব্রুয়ারি কারাগারে বন্দি ফরিদুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ইসলামের মা মোস্তফা বেগম ইন্তেকাল করেন। সেদিন কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে হাতে হাতকড়া এবং রশিতে বাঁধা অবস্থায় মায়ের খাটিয়া কাঁধে নিয়েছিলেন ফরিদুল ও ইসলাম। ঠিক তিন দিনের মাথায় ২৫শে ফেব্রুয়ারি দুপুরে বাবা নুর আহমদও পাড়ি জমালেন না ফেরার দেশে।

​ বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে বাবার জানাজায় অংশ নিতে দ্বিতীয়বারের মতো প্যারোলে মুক্তি পান দুই ভাই।

এবার কোমরে দড়ি না থাকলেও হাতে ছিল সেই চিরচেনা হাতকড়া। জানাজার আগে সমবেতদের উদ্দেশ্যে ফরিদুল ও ইসলাম কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে বলেন:
​”আমরা প্রতিহিংসার শিকার। মৃত বাবা-মায়ের নামে শপথ করে বলছি, আমরা নির্দোষ”।

​স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, ফরিদুল ও ইসলাম গত আড়াই মাস ধরে কারাগারে আছেন। প্রথমে খুনিয়াপালং ইউনিয়নের একটি মামলায় তারা আটক হন। সেই মামলায় জামিন পেলেও নতুন মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

স্থানীয়রা বলছেন, ​তারা এলাকায় শান্তিপ্রিয় মানুষ হিসেবে পরিচিত। ​রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের বারবার হয়রানি করা হচ্ছে।
​সন্তান হয়েও বাবা-মায়ের শেষ সেবাটুকু করতে না পারলো না।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সামনের ইউপি নির্বাচনে সেন্টমার্টিনের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী যারা!

This will close in 6 seconds

মায়ের পর বাবার জানাজায় প্যারোলে মুক্তি নিয়ে দুই ভাই : নিজেদের নির্দোষ দাবি

আপডেট সময় : ০১:৫৬:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মায়ের কবরের মাটি এখনো শুকায়নি, এরই মধ্যে বিদায় নিলেন বাবাও। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে মা-বাবাকে হারিয়ে দিশেহারা দুই সহোদর ফরিদুল আলম ও মোঃ ইসলাম।

রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া গ্রামে এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটেছে। কারাগারে বন্দি থাকায় দুই ভাইকেই প্যারোলে মুক্তি নিয়ে হাতকড়া পরা অবস্থায় অংশ নিতে হয়েছে বাবার জানাজায়। মাত্র ৩ দিন আগে কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি নিয়ে মায়ের জানাজায় এসেছিলেন তারা। মায়ের জানাজায় বাবাকে নিয়ে শংকার কথা বলে দোয়াও চেয়েছিলেন দুই ভাই।

​গত ২১শে ফেব্রুয়ারি কারাগারে বন্দি ফরিদুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ইসলামের মা মোস্তফা বেগম ইন্তেকাল করেন। সেদিন কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে হাতে হাতকড়া এবং রশিতে বাঁধা অবস্থায় মায়ের খাটিয়া কাঁধে নিয়েছিলেন ফরিদুল ও ইসলাম। ঠিক তিন দিনের মাথায় ২৫শে ফেব্রুয়ারি দুপুরে বাবা নুর আহমদও পাড়ি জমালেন না ফেরার দেশে।

​ বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে বাবার জানাজায় অংশ নিতে দ্বিতীয়বারের মতো প্যারোলে মুক্তি পান দুই ভাই।

এবার কোমরে দড়ি না থাকলেও হাতে ছিল সেই চিরচেনা হাতকড়া। জানাজার আগে সমবেতদের উদ্দেশ্যে ফরিদুল ও ইসলাম কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে বলেন:
​”আমরা প্রতিহিংসার শিকার। মৃত বাবা-মায়ের নামে শপথ করে বলছি, আমরা নির্দোষ”।

​স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, ফরিদুল ও ইসলাম গত আড়াই মাস ধরে কারাগারে আছেন। প্রথমে খুনিয়াপালং ইউনিয়নের একটি মামলায় তারা আটক হন। সেই মামলায় জামিন পেলেও নতুন মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

স্থানীয়রা বলছেন, ​তারা এলাকায় শান্তিপ্রিয় মানুষ হিসেবে পরিচিত। ​রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের বারবার হয়রানি করা হচ্ছে।
​সন্তান হয়েও বাবা-মায়ের শেষ সেবাটুকু করতে না পারলো না।