নবগঠিত মাতামুহুরি উপজেলা ও পেকুয়া পৌরসভা ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন আব্দুল্লাহ আল ফারুক।
তিনি কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসন থেকে সালাউদ্দিন আহমদ-এর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও জনগণের দীর্ঘদিনের দাবির বাস্তবায়নে সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন তিনি।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় আব্দুল্লাহ আল ফারুক বলেন, “যদিও আমরা একই আসনের অন্তর্ভুক্ত রয়েছি, তথাপি সাবেক চকরিয়ান হিসেবে আপনাদের খুব মিস করবো।”
তিনি নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভার নাগরিকদেরও অভিনন্দন জানান।
একইসঙ্গে মাতামুহুরিকে উপজেলা এবং পেকুয়াকে পৌরসভা হিসেবে অনুমোদন দেওয়ায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, “আমরা যেকোনো ভালো কাজের প্রশংসা করবো, উদারতার সঙ্গে স্বীকৃতি দেবো এবং অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠভাবে প্রতিবাদ করবো। এটাই আমাদের নীতি।”
আব্দুল্লাহ আল ফারুক আরও বলেন, এখন চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারবাসীর অন্যতম প্রধান দাবি হচ্ছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক-কে ছয় লেনে উন্নীত করা। তার দাবি, এ সড়ক সম্প্রসারণ হলে পর্যটন শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য, কর্মসংস্থান ও সরকারের রাজস্ব আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
এছাড়া আনোয়ারা-বাঁশখালী-পেকুয়া আঞ্চলিক মহাসড়ক-কে চার লেনে উন্নীত করার দাবিও জানান তিনি। দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়ক দুটি সম্প্রসারণে অগ্রাধিকারভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান এই জামায়াত নেতা
বার্তা পরিবেশক 



















