ঢাকা ১২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘মেসিকে আমরা ঘুম পাড়িয়ে দেব’ বলছে ইংল্যান্ড পানিবন্দী মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় গাফিলতির সুযোগ নেই: প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, ১৯ অঞ্চলের নদীবন্দরে সতর্কতা জেলার ৭১ টি ইউনিয়ের মধ্যে ৬৯ টি ক্ষতিগ্রস্ত : মৃতের সংখ্যা ৩০ দূর্গত এলাকায় সুপেয় পানি ও খাবারের সংকট উখিয়ার হলদিয়ায় দোকান থেকে মোটরসাইকেল চুরি, সন্ধানদাতার জন্য পুরস্কারের ঘোষণা ঈদগাঁওয়ে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নিখোঁজের ২২ ঘন্টা পর চকরিয়ার কৈয়ারবিলের সেই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার সেমিফাইনালের পরিসংখ্যানে বিস্ময়! আর্জেন্টিনার ৭ বিভাগেই এক নাম—মেসি রামুর কচ্ছপিয়ায় স্রোতে ভেসে গিয়ে একজনের প্রাণহানি দুর্গতদের পাশে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সরাকরি সহায়তা থেকে দূর্গত কোনো মানুষ বাদ পড়বেনা- চকরিয়ায় দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী জননেতা নুরুল আবছারের ওপেন হার্ট সার্জারি সোমবার : দোয়া কামনা পেকুয়ায় চেয়ারম্যান ও স্থানীয়দের উদ্যোগে চলছে বেড়িবাঁধ সংস্কারের কাজ হাতকড়াসহ পালিয়েছে আসামি: ২১ ঘন্টায়ও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ

ভালো নেই সীমান্তে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান, সর্বশেষ যা জানা গেল

আরাকান আর্মির গুলিতে গুরুতর আহত শিশু হুজাইফা আফনান বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (চমেক) আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছে। বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তের টেকনাফের হোয়াইক্যং এলাকায় মিয়ানমারের অভ্যন্তর থেকে ছোড়া গুলিতে আহত হয় সে।

বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকা টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল তেচ্ছিপুল এলাকায় গত ১১ জানুয়ারি রবিবার সকাল ৯টার দিকে মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত হয় ৯ বছর বয়সী শিশু হুজাইফা আফনান। সে লম্বাবিল হাজি মোহাম্মদ হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। তার পিতার নাম জসিম উদ্দিন।

গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর প্রথমে হুজাইফা আফনানকে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হলে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে অবস্থার আশঙ্কাজনক হওয়ায় রবিবার বিকেলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স চমেকে পৌঁছায়। এরপর তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিভাগে ভর্তি করা হয়। আইসিইউর ২৭ নম্বর বেডে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে।

রবিবার রাত ১০টার দিকে সিটি স্ক্যান পরীক্ষার পর চিকিৎসকরা তার মাথায় অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। রাত ১২টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত দীর্ঘ অস্ত্রোপচার চালানো হলেও মাথা থেকে বুলেটটি বের করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিশ্চিত করেন হুজাইফা আফনানের চাচা মৌলভী শওকত আলী।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশিদ জানান, অস্ত্রোপচারের সময় দেখা যায় বুলেটটি ডান কানের পেছনে মেরুদণ্ডের পাশ ঘেঁষে অবস্থান করছে। এ অবস্থায় বুলেট বের করতে গেলে মারাত্মক ঝুঁকি থাকায় তা অপসারণ করা সম্ভব হয়নি। তবে মস্তিষ্কের চাপ কমানো হয়েছে। আইসিইউতে ভর্তির পর তার অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি বা অবনতি হয়নি, বর্তমানে সে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে।

হুজাইফা আফনানের চাচা জানান, অস্ত্রোপচার ও সিটি স্ক্যানের পর চিকিৎসকরা নিশ্চিত হয়েছেন যে বুলেটটি তার মস্তিষ্কে রয়েছে। বুলেট অপসারণের জন্য তার শারীরিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হুজাইফা আফনানের বাড়ি সীমান্তের কাছাকাছি হলেও মিয়ানমার সীমান্ত থেকে অন্তত আধা কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে আলাদা করেছে নাফ নদী। নাফ নদীর বাংলাদেশ অংশে বেড়িবাঁধ রয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই সময় মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা বেড়িবাঁধ পার হচ্ছিলেন এবং তাদের কারও হাতে কোনো অস্ত্র ছিল না। ঠিক সে সময় ওপার থেকে আরাকান আর্মি রোহিঙ্গাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে।

সকালে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে অনেক স্থানীয় বাসিন্দা পরিস্থিতি বুঝতে না পেরে বাইরে বের হন। শিশু হুজাইফা তার দাদার সঙ্গে দোকানে নাস্তা করতে বের হলে একটি গুলি তার মাথায় বিদ্ধ হয়।

ঘটনার পর শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা কক্সবাজার–টেকনাফ মহাসড়ক অবরোধ করেন। পরে জানা যায় শিশুটি মারা যায়নি, তাঁকে আশংকাজনক অবস্থায় চমেকে প্রেরণ করা হয়েছে।সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক দলের নেতারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করলে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়। এ ঘটনার পর বিজিবি মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা ৫৩ জন রোহিঙ্গাকে আটক করে।

এদিকে সোমবার মিয়ানমার থেকে গোলাগুলির শব্দ না শোনা গেলেও সকালে হোয়াইক্যং সীমান্ত এলাকায় আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে হানিফ নামে এক যুবকের বাম পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকেও কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এসব ঘটনার প্রতিবাদে টেকনাফ ও হোয়াইক্যং এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা সড়ক অবরোধ ও মানববন্ধনের মাধ্যমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন।

কক্সবাজার টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান মুঠোফোনে টিটিএনকে জানান, সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে এবং নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। অতীতের মতোই তারা দেশের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ–মিয়ানমার ২৭১ কিলোমিটার সীমান্তের মিয়ানমারের রাখাইন অংশ বর্তমানে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এরপর থেকেই সীমান্ত এলাকায় তাদের তৎপরতা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে আরাকান আর্মির গুলিতে আহত শিশু হুজাইফা আফনান চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছে। আইসিইউর বাইরে তার পরিবারের সদস্যরা চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে সময় পার করছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

‘মেসিকে আমরা ঘুম পাড়িয়ে দেব’ বলছে ইংল্যান্ড

ভালো নেই সীমান্তে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান, সর্বশেষ যা জানা গেল

আপডেট সময় : ১২:৪৯:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

আরাকান আর্মির গুলিতে গুরুতর আহত শিশু হুজাইফা আফনান বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (চমেক) আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছে। বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তের টেকনাফের হোয়াইক্যং এলাকায় মিয়ানমারের অভ্যন্তর থেকে ছোড়া গুলিতে আহত হয় সে।

বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকা টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল তেচ্ছিপুল এলাকায় গত ১১ জানুয়ারি রবিবার সকাল ৯টার দিকে মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত হয় ৯ বছর বয়সী শিশু হুজাইফা আফনান। সে লম্বাবিল হাজি মোহাম্মদ হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। তার পিতার নাম জসিম উদ্দিন।

গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর প্রথমে হুজাইফা আফনানকে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হলে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে অবস্থার আশঙ্কাজনক হওয়ায় রবিবার বিকেলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স চমেকে পৌঁছায়। এরপর তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিভাগে ভর্তি করা হয়। আইসিইউর ২৭ নম্বর বেডে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে।

রবিবার রাত ১০টার দিকে সিটি স্ক্যান পরীক্ষার পর চিকিৎসকরা তার মাথায় অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। রাত ১২টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত দীর্ঘ অস্ত্রোপচার চালানো হলেও মাথা থেকে বুলেটটি বের করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিশ্চিত করেন হুজাইফা আফনানের চাচা মৌলভী শওকত আলী।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশিদ জানান, অস্ত্রোপচারের সময় দেখা যায় বুলেটটি ডান কানের পেছনে মেরুদণ্ডের পাশ ঘেঁষে অবস্থান করছে। এ অবস্থায় বুলেট বের করতে গেলে মারাত্মক ঝুঁকি থাকায় তা অপসারণ করা সম্ভব হয়নি। তবে মস্তিষ্কের চাপ কমানো হয়েছে। আইসিইউতে ভর্তির পর তার অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি বা অবনতি হয়নি, বর্তমানে সে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে।

হুজাইফা আফনানের চাচা জানান, অস্ত্রোপচার ও সিটি স্ক্যানের পর চিকিৎসকরা নিশ্চিত হয়েছেন যে বুলেটটি তার মস্তিষ্কে রয়েছে। বুলেট অপসারণের জন্য তার শারীরিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হুজাইফা আফনানের বাড়ি সীমান্তের কাছাকাছি হলেও মিয়ানমার সীমান্ত থেকে অন্তত আধা কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে আলাদা করেছে নাফ নদী। নাফ নদীর বাংলাদেশ অংশে বেড়িবাঁধ রয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই সময় মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা বেড়িবাঁধ পার হচ্ছিলেন এবং তাদের কারও হাতে কোনো অস্ত্র ছিল না। ঠিক সে সময় ওপার থেকে আরাকান আর্মি রোহিঙ্গাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে।

সকালে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে অনেক স্থানীয় বাসিন্দা পরিস্থিতি বুঝতে না পেরে বাইরে বের হন। শিশু হুজাইফা তার দাদার সঙ্গে দোকানে নাস্তা করতে বের হলে একটি গুলি তার মাথায় বিদ্ধ হয়।

ঘটনার পর শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা কক্সবাজার–টেকনাফ মহাসড়ক অবরোধ করেন। পরে জানা যায় শিশুটি মারা যায়নি, তাঁকে আশংকাজনক অবস্থায় চমেকে প্রেরণ করা হয়েছে।সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক দলের নেতারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করলে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়। এ ঘটনার পর বিজিবি মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা ৫৩ জন রোহিঙ্গাকে আটক করে।

এদিকে সোমবার মিয়ানমার থেকে গোলাগুলির শব্দ না শোনা গেলেও সকালে হোয়াইক্যং সীমান্ত এলাকায় আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে হানিফ নামে এক যুবকের বাম পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকেও কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এসব ঘটনার প্রতিবাদে টেকনাফ ও হোয়াইক্যং এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা সড়ক অবরোধ ও মানববন্ধনের মাধ্যমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন।

কক্সবাজার টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান মুঠোফোনে টিটিএনকে জানান, সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে এবং নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। অতীতের মতোই তারা দেশের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ–মিয়ানমার ২৭১ কিলোমিটার সীমান্তের মিয়ানমারের রাখাইন অংশ বর্তমানে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এরপর থেকেই সীমান্ত এলাকায় তাদের তৎপরতা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে আরাকান আর্মির গুলিতে আহত শিশু হুজাইফা আফনান চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছে। আইসিইউর বাইরে তার পরিবারের সদস্যরা চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে সময় পার করছেন।