ঢাকা ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিদেশে থাকার কারণে বন্যার সময় আসতে পারিনি,তার জন্যে ক্ষমা চাচ্ছি: নিজ সংসদীয় আসনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উখিয়ায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান : ২০ টনের বেশি বর্জ্য অপসারণ ফেসবুক স্ট্যাটাসের পর যুবক নিখোঁজ, উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে পরিবারের ​পাহাড় কেটে মাটি পাচার করলেন জামায়াত নেতা, ঝুঁকিতে রোহিঙ্গাদের বসতি সরকারের মূল লক্ষ্য এখন ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের স্থায়ী পুনর্বাসন নিশ্চিত করা- লোহাগাড়ায় অর্থমন্ত্রী হোয়ানকের সন্ত্রাসী মিন্টু গ্রেফতার : অস্ত্র, গোলাবারুদ,অস্ত্র তৈরীর সরঞ্জাম উদ্ধার কক্সবাজার সৈকতে হঠাৎ টর্নেডো ‘আমরা থামছি না’— ফাইনালের আগে হুঙ্কার আর্জেন্টিনার চকরিয়ার বন্যকবলিত এলাকায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী/ সরকার সবসময় জনগণের পাশে থাকবে একসঙ্গে মরার সিদ্ধান্ত নিয়ে যমুনায় ঝাঁপ দিলেন প্রেমিক, পালিয়ে গেলেন প্রেমিকা স্টেজ ভেঙে পড়ে গেলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু চৌধুরী বন্যার্তদের পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত পাশে থাকবে সরকার : অর্থমন্ত্রী বিশ্বকাপজয়ীদের প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নশিপ রিং দেবে ফিফা বন্যা কবলিত এলাকায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত এমপি কাজলের ডিও লেটার: রামুর ফতেখাঁরকুলকে পৌরসভায় উন্নীত করার উদ্যোগ, স্থানীয় সরকার বিভাগের চিঠি

বাংলাদেশে নতুন অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা দেড় লাখের বেশি

  • টিটিএন ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:৩০:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 373

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে পুনরায় সংঘাত শুরু হওয়ায় ২০২৩ সালের শেষ দিক থেকে এ পর্যন্ত নতুন করে দেড় লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর মঙ্গলবারে (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত সবশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এই নতুন অনুপ্রবেশকারীরা কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের শিবিরগুলোতে আশ্রিত হয়ে পড়েছে। এর ফলে ২০১৭ সালের সেনাবাহিনীর ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন’-এর পর থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে আসা ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার সঙ্গে তাদের সংখ্যা আরও বেড়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, রাখাইন রাজ্যের দ্রুত পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তাই স্থানীয় পর্যায়ের রোহিঙ্গাদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরা এবং তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পৌঁছে দেয়াই প্রতিবেদনের মূল লক্ষ্য।

ইউএনএইচসিআর জানায়, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে হলে তাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের পথ তৈরি করতে হবে। এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে রোহিঙ্গা ইস্যুতে একটি রোডম্যাপ তৈরির জন্য সদস্য রাষ্ট্র, আন্তঃসরকারি সংস্থা ও দাতাদের অগ্রাধিকার নির্ধারণে সহায়তা করবে।

এছাড়া ৫৯তম মানবাধিকার কাউন্সিলে জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনারের প্রদত্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মিয়ানমারের অন্তর্ভুক্তিমূলক, গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যতের দৃষ্টিভঙ্গি আরও শক্তিশালী করার কথাও এতে বলা হয়েছে।

সুত্র: দৈনিক পাহাড় সমুদ্র

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিদেশে থাকার কারণে বন্যার সময় আসতে পারিনি,তার জন্যে ক্ষমা চাচ্ছি: নিজ সংসদীয় আসনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশে নতুন অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা দেড় লাখের বেশি

আপডেট সময় : ১২:৩০:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে পুনরায় সংঘাত শুরু হওয়ায় ২০২৩ সালের শেষ দিক থেকে এ পর্যন্ত নতুন করে দেড় লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর মঙ্গলবারে (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত সবশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এই নতুন অনুপ্রবেশকারীরা কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের শিবিরগুলোতে আশ্রিত হয়ে পড়েছে। এর ফলে ২০১৭ সালের সেনাবাহিনীর ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন’-এর পর থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে আসা ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার সঙ্গে তাদের সংখ্যা আরও বেড়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, রাখাইন রাজ্যের দ্রুত পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তাই স্থানীয় পর্যায়ের রোহিঙ্গাদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরা এবং তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পৌঁছে দেয়াই প্রতিবেদনের মূল লক্ষ্য।

ইউএনএইচসিআর জানায়, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে হলে তাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের পথ তৈরি করতে হবে। এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে রোহিঙ্গা ইস্যুতে একটি রোডম্যাপ তৈরির জন্য সদস্য রাষ্ট্র, আন্তঃসরকারি সংস্থা ও দাতাদের অগ্রাধিকার নির্ধারণে সহায়তা করবে।

এছাড়া ৫৯তম মানবাধিকার কাউন্সিলে জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনারের প্রদত্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মিয়ানমারের অন্তর্ভুক্তিমূলক, গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যতের দৃষ্টিভঙ্গি আরও শক্তিশালী করার কথাও এতে বলা হয়েছে।

সুত্র: দৈনিক পাহাড় সমুদ্র