ঢাকা ১১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চকরিয়ায় লাইসেন্স ছাড়া অধিক মূল্যে তেল বিক্রি করায় জরিমানা: ইয়াবা সেবনে কারাদণ্ড সাগরে ৪ দিন ভেসে থাকা ১৫ জেলেকে উদ্ধার করলো নৌবাহিনী অপহরণচক্রের আস্তানা থেকে ৩ অপহৃত উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৫ চকরিয়ার ছোট্ট দুই বোনের বাড়ি ফেরা হলো না বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, টানা ৩ দিন ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির আভাস সংসদ থেকে বিরোধীদল সদস্যদের ওয়াকআউট কক্সবাজারে হামে আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু, ভর্তি ৩৮ রোববার থেকে হামের টিকা দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী কউকের সেমিনার-কক্সবাজারে সুপেয় পানির পরিমান কমছে নানার বাড়ি এসে পুকুরেডুবে দুই শিশুর মৃ’ত্যু আমেরিকা যুদ্ধ থেকে পালানোর পথ খুঁজছে : ইরা‌নি রাষ্ট্রদূত আমিরাতে ড্রোন হামলায় বাংলাদেশি নিহত টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে মানবপাচার চক্রের আস্তানা থেকে ১৩ জন উদ্ধার ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করল আরব আমিরাত ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ফিরেছে নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে অপহৃত গর্জনিয়ার মিন্টু

ফাত্রাঝিড়ি ঝর্ণা দেখতে গিয়ে স্রোতে ভেসে কিশোর নিখোঁজ

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত ফাত্রাঝিড়ি ঝর্ণা দেখতে গিয়ে পানির প্রবল স্রোতে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন এক কিশোর। নিখোঁজ কিশোরের নাম হাফেজ মেহরাব হোসাইন (১৮)।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ১৭ জুন সকাল ৬টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মরিচ্যা বাজার এলাকার বাসিন্দা এবং হোটেল ওয়াকিয়ার মালিক মনজুর আলমের ছেলে মেহরাবের সাথে সাজ্জাদ, নাছিমসহ প্রায় ১৮ জন বন্ধুর একটি দল ফাত্রাঝিড়ি ঝর্ণা দেখতে যান।

ঝর্ণা দেখা শেষে দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে তারা ফেরার সময় হঠাৎ চলমান বৈরি আবহাওয়ায় পাহাড়ি ঢলে খালের পানির স্তর বেড়ে যায়। ফেরার পথে বাঁশের একটি ডাল ভেঙে গেলে মেহরাব পানিতে পড়ে যান এবং মুহূর্তেই স্রোতে ভেসে যান। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, “যে খালটিতে মেহরাব ভেসে যান সেটি ধুরুম খালি থেকে রেজুখাল হয়ে সরাসরি বঙ্গোপসাগরে গিয়ে মিশেছে। তাই পরিবারের ধারণা, তিনি পানির স্রোতের টানে সমুদ্র পর্যন্ত ভেসে যেতে পারেন।”

ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন ও স্বজনেরা উদ্ধার অভিযানে নামলেও সন্ধ্যা পর্যন্ত মেহরাবের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজ মেহরাবের চাচা আবদুল মালেক প্রতিবেদনকে জানান, “আমরা ধারণা করছি পানির স্রোতে মেহরাব সমুদ্রে ভেসে গেছে। এখনো কোনো খোঁজ মেলেনি। আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”

পরিবার ও স্থানীয়দের পক্ষ থেকে জনসাধারণের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে, যদি কেউ হাফেজ মেহরাব হোসাইন সম্পর্কে কোনো তথ্য পান বা কোথাও দেখতে পান, তাহলে কক্সবাজারের মরিচ্যা বাজারস্থ ওয়ালটন প্লাজা মার্কেটে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

এদিকে, স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক উদ্ধার তৎপরতার ঘোষণা না পাওয়া গেলেও পরিবার ও এলাকাবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ফাত্রাঝিড়ি ঝর্ণা দেখতে গিয়ে স্রোতে ভেসে কিশোর নিখোঁজ

আপডেট সময় : ১১:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত ফাত্রাঝিড়ি ঝর্ণা দেখতে গিয়ে পানির প্রবল স্রোতে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন এক কিশোর। নিখোঁজ কিশোরের নাম হাফেজ মেহরাব হোসাইন (১৮)।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ১৭ জুন সকাল ৬টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মরিচ্যা বাজার এলাকার বাসিন্দা এবং হোটেল ওয়াকিয়ার মালিক মনজুর আলমের ছেলে মেহরাবের সাথে সাজ্জাদ, নাছিমসহ প্রায় ১৮ জন বন্ধুর একটি দল ফাত্রাঝিড়ি ঝর্ণা দেখতে যান।

ঝর্ণা দেখা শেষে দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে তারা ফেরার সময় হঠাৎ চলমান বৈরি আবহাওয়ায় পাহাড়ি ঢলে খালের পানির স্তর বেড়ে যায়। ফেরার পথে বাঁশের একটি ডাল ভেঙে গেলে মেহরাব পানিতে পড়ে যান এবং মুহূর্তেই স্রোতে ভেসে যান। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, “যে খালটিতে মেহরাব ভেসে যান সেটি ধুরুম খালি থেকে রেজুখাল হয়ে সরাসরি বঙ্গোপসাগরে গিয়ে মিশেছে। তাই পরিবারের ধারণা, তিনি পানির স্রোতের টানে সমুদ্র পর্যন্ত ভেসে যেতে পারেন।”

ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন ও স্বজনেরা উদ্ধার অভিযানে নামলেও সন্ধ্যা পর্যন্ত মেহরাবের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজ মেহরাবের চাচা আবদুল মালেক প্রতিবেদনকে জানান, “আমরা ধারণা করছি পানির স্রোতে মেহরাব সমুদ্রে ভেসে গেছে। এখনো কোনো খোঁজ মেলেনি। আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”

পরিবার ও স্থানীয়দের পক্ষ থেকে জনসাধারণের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে, যদি কেউ হাফেজ মেহরাব হোসাইন সম্পর্কে কোনো তথ্য পান বা কোথাও দেখতে পান, তাহলে কক্সবাজারের মরিচ্যা বাজারস্থ ওয়ালটন প্লাজা মার্কেটে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

এদিকে, স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক উদ্ধার তৎপরতার ঘোষণা না পাওয়া গেলেও পরিবার ও এলাকাবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।