ঢাকা ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানবতার আয়োজনে মানববর্জ্যে পরিবেশের বাজছে বারোটা! ‌আপা-ভাইয়া বনাম “স্যার-ম্যডাম”: আমলাতন্ত্রের ভাষায় ঔপনিবেশিকতার দীর্ঘ ছায়া নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত থেকে তিন কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে যারা টেকনাফে শীঘ্রই কমিটি পাচ্ছে ছাত্রদল গলায় চানাচুর আঁটকে শিশু আবিদের মৃত্যু উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে পৃথক অভিযান: ৫ লাখ ৭২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১ ফুটবল বিশ্বকাপ: হিসাব–নিকাশে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে কারা বিশ্ব পরিবেশ দিবসেই মহেশখালীতে পুড়ছে প্যারাবন: নির্বিকার বনবিভাগ ও প্রশাসন প্রায় সাত বছর পর রূপালী পর্দায় সিনেমা দেখার সুযোগ পেল কক্সবাজারের মানুষ, আধুনিক সিনেমা হলের দাবি রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে তুরস্ক, উখিয়া ক্যাম্প পরিদর্শনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান আর্জেন্টিনার নীল-সাদা রঙে রাঙল টেকনাফ যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষায় কক্সবাজারের সন্তান শামীমুর রহমান ২০২৬ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত সময়সূচি ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে মা ও ছেলের মৃত্যু: এলাকায় শোকের ছায়া কক্সবাজারে মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬.৩ ডিগ্রি, দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

প্রতিবাদের মুখে কবিতা চত্বরে স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ করলো পর্যটন কর্পোরেশন

আপত্তি ও প্রতিবাদের মুখে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কবিতা চত্বরে স্থাপনা নির্মাণের কাজ বন্ধ করেছে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন।

পর্যটন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপক রায়হান উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, আপত্তি ওঠায় আপাতত কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, “যারা আপত্তি করছেন, তাদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

শুক্রবার কবিতা চত্বরে বড় বড় গর্ত করে ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া (ইসিএ) তে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। পাশাপাশি, সরেজমিনে গিয়ে আপত্তি জানান সাবেক মেয়র সরওয়ার কামাল, বাপা কক্সবাজারের সভাপতি সাংবাদিক এইচ এম এরশাদ, সাধারণ সম্পাদক কলিম উল্লাহ, ‘আমরা কক্সবাজারবাসী’ সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিনসহ অন্যরা।

তাদের দাবি, কবিতা চত্বরে রয়েছে ঝাউগাছসহ সাগর তীরবর্তী প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা। সেখানে স্থাপনা নির্মাণে সরকারিভাবে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও পর্যটন কর্পোরেশন কাজ শুরু করেছে, যা পরিবেশের জন্য হুমকি।

এ বিষয়ে বিএনপি নেতা রাশেদ মোহাম্মদ আলী তাঁর ফেসবুক পোস্টে জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে লেখেন,
“কবিতা চত্বর সবার জন্য উন্মুক্ত এলাকা। এখানে কবিতার আসর, পিকনিকসহ নানা অনুষ্ঠান হয়। অথচ এখন দেখছি পর্যটন করপোরেশন এটি কংক্রিটের ঘেরা দিচ্ছে! সমুদ্র সৈকতের এই জায়গাটা কি পর্যটন করপোরেশনের? তাদের কি কোনো অধিকার আছে দেয়াল তোলার? আহারে! সরকারি-বেসরকারি যে যেভাবে পারছে, পৃথিবীর দীর্ঘতম এই সমুদ্র সৈকতটিকে ভোগ করছে। প্রতিদিন ধর্ষিত হচ্ছে, দেখার কেউ নেই, বলার কেউ নেই।”

পর্যটন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপক রায়হান উদ্দিন আহমেদ বলেন, “এখানে কোনো স্থাপনা নির্মাণ নয়, পর্যটন কর্পোরেশনের মালিকানাধীন এলাকা চিহ্নিত করতে নেট লাগানো হচ্ছিল। নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবেই পিলার স্থাপনের জন্য গর্ত করা হয়েছিল।”

তিনি আরও জানান, “যেহেতু আপত্তি এসেছে, তাই আপাতত কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মানবতার আয়োজনে মানববর্জ্যে পরিবেশের বাজছে বারোটা!

প্রতিবাদের মুখে কবিতা চত্বরে স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ করলো পর্যটন কর্পোরেশন

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫

আপত্তি ও প্রতিবাদের মুখে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কবিতা চত্বরে স্থাপনা নির্মাণের কাজ বন্ধ করেছে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন।

পর্যটন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপক রায়হান উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, আপত্তি ওঠায় আপাতত কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, “যারা আপত্তি করছেন, তাদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

শুক্রবার কবিতা চত্বরে বড় বড় গর্ত করে ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া (ইসিএ) তে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। পাশাপাশি, সরেজমিনে গিয়ে আপত্তি জানান সাবেক মেয়র সরওয়ার কামাল, বাপা কক্সবাজারের সভাপতি সাংবাদিক এইচ এম এরশাদ, সাধারণ সম্পাদক কলিম উল্লাহ, ‘আমরা কক্সবাজারবাসী’ সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিনসহ অন্যরা।

তাদের দাবি, কবিতা চত্বরে রয়েছে ঝাউগাছসহ সাগর তীরবর্তী প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা। সেখানে স্থাপনা নির্মাণে সরকারিভাবে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও পর্যটন কর্পোরেশন কাজ শুরু করেছে, যা পরিবেশের জন্য হুমকি।

এ বিষয়ে বিএনপি নেতা রাশেদ মোহাম্মদ আলী তাঁর ফেসবুক পোস্টে জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে লেখেন,
“কবিতা চত্বর সবার জন্য উন্মুক্ত এলাকা। এখানে কবিতার আসর, পিকনিকসহ নানা অনুষ্ঠান হয়। অথচ এখন দেখছি পর্যটন করপোরেশন এটি কংক্রিটের ঘেরা দিচ্ছে! সমুদ্র সৈকতের এই জায়গাটা কি পর্যটন করপোরেশনের? তাদের কি কোনো অধিকার আছে দেয়াল তোলার? আহারে! সরকারি-বেসরকারি যে যেভাবে পারছে, পৃথিবীর দীর্ঘতম এই সমুদ্র সৈকতটিকে ভোগ করছে। প্রতিদিন ধর্ষিত হচ্ছে, দেখার কেউ নেই, বলার কেউ নেই।”

পর্যটন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপক রায়হান উদ্দিন আহমেদ বলেন, “এখানে কোনো স্থাপনা নির্মাণ নয়, পর্যটন কর্পোরেশনের মালিকানাধীন এলাকা চিহ্নিত করতে নেট লাগানো হচ্ছিল। নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবেই পিলার স্থাপনের জন্য গর্ত করা হয়েছিল।”

তিনি আরও জানান, “যেহেতু আপত্তি এসেছে, তাই আপাতত কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।”