ঢাকা ০৩:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন সামনে রেখে কক্সবাজারে সম্মুখ সারির ৬জুলাই যোদ্ধার ছাত্রদলে যোগদান ​কক্সবাজার-৩ আসনে জগদীশ বড়ুয়ার সমর্থন প্রত্যাহার করলো লেবার পার্টি পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মী কেন্দ্রে স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে নির্বাচন: কেন্দ্রে যাচ্ছে ব্যালট পেপার ৪ টি আসনে কেন্দ্র ৫৯৮,কক্ষ ৩,৬৮৯, পোলিং প্রিসাইডিং ১২,২৫১,আইনশৃঙ্খলা সদস্য ১৩,৪৯৯ চকরিয়া-পেকুয়া : অভিজ্ঞের সাথে নতুনের লড়াই কক্সবাজারের ডিককুলে যৌথবাহিনীর অভিযান: অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী আটক ১ বছরে প্রধান উপদেষ্টার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ ৪ হাজার টাকার বেশি নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন মেনে নেওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার দুই প্রার্থীর পক্ষ নেওয়া চার ‘আলোচিত’ নামে তোলপাড় ভোটের সমীকরণ! ​নির্বাচনী নিরাপত্তায় ঈদগাঁওতে যৌথ টহল নির্বাচন ঘিরে কক্সবাজারে সেনাবাহিনীর শক্ত অবস্থান-নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহবান নির্বাচন ঘিরে কক্সবাজারে ‘জেলা সেন্ট্রাল কমান্ড সেন্টার’ পোস্টাল ভোট সম্পন্ন: কক্সবাজার–৩ এ সবচেয়ে বেশি ভোটগ্রহণ ঝিলংজায় অগ্নিকাণ্ডে তিন বসতঘর ভস্মীভূত

দেশে প্রথমবারের মতো কক্সবাজার রেল স্টেশনে বসলো স্ক্যানার

দেশে প্রথমবারের মতো স্ক্যানার বসানো হলো কক্সবাজার রেল স্টেশনে। সোমবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অ্যাস্ট্রোফিজিক্স’ ব্র্যান্ডের স্ক্যানার মেশিনটি বাসানো হয় কক্সবাজার আইকনিক স্টেশনে।

কক্সবাজার আইকনিক রেল স্টেশন এর স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী জানান, রেলস্টেশনে লাগেজ স্ক্যানিং চালু হওয়ায় ট্রেনভিত্তিক অপরাধ রোধ, মাদক ও অবৈধ পণ্যের প্রবাহ ঠেকানো সহজ হবে।

গোলাম রব্বানী বলেন, কক্সবাজার থেকে মাদক ও চোরাচালান বেড়েছে, যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। তাই যাত্রীসেবা নিশ্চিত করার জন্য লাগেজ স্ক্যানিং মেশিন বসানো হয়েছে। তবে যাত্রীদের কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যাতে দুর্ভোগের শিকার না হয়। এক্ষেত্রে ট্রেন ছাড়ার অন্তত আধা-ঘন্টা আগেই স্টেশনে প্রবেশ করতে হবে যাত্রীদের।

সোমবার প্রথমদিনে দেখা গেছে, মূল স্টেশনের প্রবেশ মূখে ট্রেনে ওঠার আগে স্ক্যানার মেশিনে ব্যাগ রাখতে হচ্ছে যাত্রীদের। যা রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এবং নিরাপত্তা বাহিনী যৌথভাবে এই স্ক্যানিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। স্ক্যানিং করার সময় কোন ধরণের বস্তু শনাক্ত হলেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যাগ খুলে তা দেখছেন।

স্টেশন মাস্টার বলেন, এই মেশিনে ওষুধ জাতীয় দ্রব্য থেকে শুরু করে যেকোন আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক ও চোরাইপণ্য শনাক্ত করা যাবে। মেশিনে নির্দিষ্ট কিছু বস্তুর উপর শনাক্ত চিহ্ন রয়েছে, শনাক্ত হওয়া ব্যাগই শুধু তল্লাশী করা হচ্ছে। তবে যাত্রীদের বিড়ম্বনা সৃষ্টি না সেদিকটাও খেয়াল রাখা হচ্ছে।

যাত্রী রোহান উদ্দিন বলেন, এটা ভালো দিক। তবে যেন অহেতুক হয়রানি না হয়, সেটাও দেখতে হবে। নতুন এই উদ্যোগ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়। বর্তমানে কক্সবাজার-ঢাকা রুটে কক্সবাজার ও পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেন এবং কক্সবাজার-চট্টগ্রাম রুটে সৈকত ও প্রবাল এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন সামনে রেখে কক্সবাজারে সম্মুখ সারির ৬জুলাই যোদ্ধার ছাত্রদলে যোগদান

This will close in 6 seconds

দেশে প্রথমবারের মতো কক্সবাজার রেল স্টেশনে বসলো স্ক্যানার

আপডেট সময় : ০৬:০৭:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

দেশে প্রথমবারের মতো স্ক্যানার বসানো হলো কক্সবাজার রেল স্টেশনে। সোমবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অ্যাস্ট্রোফিজিক্স’ ব্র্যান্ডের স্ক্যানার মেশিনটি বাসানো হয় কক্সবাজার আইকনিক স্টেশনে।

কক্সবাজার আইকনিক রেল স্টেশন এর স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী জানান, রেলস্টেশনে লাগেজ স্ক্যানিং চালু হওয়ায় ট্রেনভিত্তিক অপরাধ রোধ, মাদক ও অবৈধ পণ্যের প্রবাহ ঠেকানো সহজ হবে।

গোলাম রব্বানী বলেন, কক্সবাজার থেকে মাদক ও চোরাচালান বেড়েছে, যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। তাই যাত্রীসেবা নিশ্চিত করার জন্য লাগেজ স্ক্যানিং মেশিন বসানো হয়েছে। তবে যাত্রীদের কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যাতে দুর্ভোগের শিকার না হয়। এক্ষেত্রে ট্রেন ছাড়ার অন্তত আধা-ঘন্টা আগেই স্টেশনে প্রবেশ করতে হবে যাত্রীদের।

সোমবার প্রথমদিনে দেখা গেছে, মূল স্টেশনের প্রবেশ মূখে ট্রেনে ওঠার আগে স্ক্যানার মেশিনে ব্যাগ রাখতে হচ্ছে যাত্রীদের। যা রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এবং নিরাপত্তা বাহিনী যৌথভাবে এই স্ক্যানিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। স্ক্যানিং করার সময় কোন ধরণের বস্তু শনাক্ত হলেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যাগ খুলে তা দেখছেন।

স্টেশন মাস্টার বলেন, এই মেশিনে ওষুধ জাতীয় দ্রব্য থেকে শুরু করে যেকোন আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক ও চোরাইপণ্য শনাক্ত করা যাবে। মেশিনে নির্দিষ্ট কিছু বস্তুর উপর শনাক্ত চিহ্ন রয়েছে, শনাক্ত হওয়া ব্যাগই শুধু তল্লাশী করা হচ্ছে। তবে যাত্রীদের বিড়ম্বনা সৃষ্টি না সেদিকটাও খেয়াল রাখা হচ্ছে।

যাত্রী রোহান উদ্দিন বলেন, এটা ভালো দিক। তবে যেন অহেতুক হয়রানি না হয়, সেটাও দেখতে হবে। নতুন এই উদ্যোগ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়। বর্তমানে কক্সবাজার-ঢাকা রুটে কক্সবাজার ও পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেন এবং কক্সবাজার-চট্টগ্রাম রুটে সৈকত ও প্রবাল এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করছে।