ঢাকা ০৭:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার নির্দেশ, প্রতিবেদন তলব মগনামায় সরকারি খালে ৫৮টি অবৈধ বাঁধ ও জাল অপসারণ নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা : পাহাড়ধসের আশংকা সেন্টমার্টিনে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক মহেশখালী চ্যানেলে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই বালু উত্তোলন, ৫০ লাখ টাকা জরিমানা সমিতিপাড়ায় কিশোর সুকান্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামি বেলাল গ্রেপ্তার কক্সবাজারে বাধ্যতামূলক মামলা পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন ২০২৬ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু নভেম্বরে : আয়োজক বাংলাদেশ দীর্ঘ ১৯ বছর আগেই নিষ্পত্তি হওয়া বিষয়কে ঘিরে নতুন অপপ্রচার: অধ্যক্ষের প্রতিবাদ উখিয়ায় ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর ৩ সদস্য আটক মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি হচ্ছেন মোজাফফর অতিরিক্ত প্রোটিন কি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর? সেই ‘কালো দুপুরের’ এক বছর আজ

দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে ট্যুরিজম পার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে

বিশ্বের পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে ট্যুরিজম পার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে। দেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার ক্ষেত্রে এই ট্যুরিজম পার্কগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া।

শুক্রবার বিকেলে টেকনাফ উপজেলায় নির্মানাধীন সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক পরিদর্শন করেন মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া। কক্সবাজারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সরেজমিনে পরিদর্শনের অংশ হিসেবে সাবরং ট্যুরিজম পার্ক ঘুরে দেখেন তিনি।

এ সময় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) যুগ্ন সচিব দয়ানন্দ দেবনাথ, আবু হেনা মো. মুস্তাফা কামাল, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দিন, সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক জোনের পরিচালক আবু লাহেল, ইউএনও শেখ এহসান উদ্দিন, ওসি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন প্রমুখ।

মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া বলেন,”কক্সবাজারের জন্য ট্যুরিজম গুরুত্বপূর্ণ দিক। তাছাড়া এ জেলাকে পযর্টকনগরী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। দেশি-বিদেশি পর্যটক টানতে সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক গড়ে তুলা হচ্ছে। এটি বাস্তবায়িত হলে অনেক মানুষের কর্ম সংস্থার সুযোগ লাভ করবে। পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ পাবে।

বেজা জানায়, আর্ন্তজাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলতে কক্সবাজারের টেকনাফের সুমদ্র সৈকতের তীরে পর্যকদের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য সাবরাংয়ে ৯৬১ একর আয়তনের এ পার্কে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা রেখে অবকাঠামো নির্মাণ হচ্ছে। এ জমি বরাতে ১৮৭ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। ইতি মধ্য পরিকল্পিত এই আধুনিক পর্যটন পার্কে ২৩ জন বিনিয়োগকারীর অনুকূলে ১১২.২৯ একর জমি বরাদ্দ করা হয়েছে, যাদের প্রস্তাবিত বিনিয়োগ ৪১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এদের মধ্যে নেদারল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। এখানে প্রায় ১৫ হাজারের বেশি মানুষ কর্মসংস্থার সুযোগ পাবে। এছাড়া পার্ক সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ হতে নেটং হিল হয়ে নাফ ট্যুরিজম পার্ক পর্যন্ত প্রায় ৮.৫০ কিলোমিটার ক্যাবল কার স্থাপনের জন্য একটি সমীক্ষা কার্যক্রম সম্পাদন করা হচ্ছে এবং সমীক্ষাটি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বেজা মাটি ভরাট; ভূমি, সড়ক উন্নয়নসহ অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম শেষ করেছে। পার্কটি টেকনাফ স্থলবন্দর থেকে ৮ কিলোমিটার ও কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে গাড়িতে ২ ঘণ্টার দূরত্বের মধ্যে। আর ঢাকা থেকে দূরত্ব ৪৬৮ কিলোমিটার। এটি পাহাড় ও সমুদ্রসৈকত নিয়ে বহুমুখী ও বৈচিত্র্যপূর্ণ চমৎকার একটি অঞ্চল। যদিও মিয়ানমার আপত্তির কারনে নাফ ট্যুরিজম পার্কেও কাজ বন্ধ রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার নির্দেশ, প্রতিবেদন তলব

দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে ট্যুরিজম পার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে

আপডেট সময় : ০৪:৫৪:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৫

বিশ্বের পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে ট্যুরিজম পার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে। দেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার ক্ষেত্রে এই ট্যুরিজম পার্কগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া।

শুক্রবার বিকেলে টেকনাফ উপজেলায় নির্মানাধীন সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক পরিদর্শন করেন মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া। কক্সবাজারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সরেজমিনে পরিদর্শনের অংশ হিসেবে সাবরং ট্যুরিজম পার্ক ঘুরে দেখেন তিনি।

এ সময় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) যুগ্ন সচিব দয়ানন্দ দেবনাথ, আবু হেনা মো. মুস্তাফা কামাল, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দিন, সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক জোনের পরিচালক আবু লাহেল, ইউএনও শেখ এহসান উদ্দিন, ওসি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন প্রমুখ।

মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া বলেন,”কক্সবাজারের জন্য ট্যুরিজম গুরুত্বপূর্ণ দিক। তাছাড়া এ জেলাকে পযর্টকনগরী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। দেশি-বিদেশি পর্যটক টানতে সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক গড়ে তুলা হচ্ছে। এটি বাস্তবায়িত হলে অনেক মানুষের কর্ম সংস্থার সুযোগ লাভ করবে। পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ পাবে।

বেজা জানায়, আর্ন্তজাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলতে কক্সবাজারের টেকনাফের সুমদ্র সৈকতের তীরে পর্যকদের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য সাবরাংয়ে ৯৬১ একর আয়তনের এ পার্কে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা রেখে অবকাঠামো নির্মাণ হচ্ছে। এ জমি বরাতে ১৮৭ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। ইতি মধ্য পরিকল্পিত এই আধুনিক পর্যটন পার্কে ২৩ জন বিনিয়োগকারীর অনুকূলে ১১২.২৯ একর জমি বরাদ্দ করা হয়েছে, যাদের প্রস্তাবিত বিনিয়োগ ৪১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এদের মধ্যে নেদারল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। এখানে প্রায় ১৫ হাজারের বেশি মানুষ কর্মসংস্থার সুযোগ পাবে। এছাড়া পার্ক সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ হতে নেটং হিল হয়ে নাফ ট্যুরিজম পার্ক পর্যন্ত প্রায় ৮.৫০ কিলোমিটার ক্যাবল কার স্থাপনের জন্য একটি সমীক্ষা কার্যক্রম সম্পাদন করা হচ্ছে এবং সমীক্ষাটি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বেজা মাটি ভরাট; ভূমি, সড়ক উন্নয়নসহ অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম শেষ করেছে। পার্কটি টেকনাফ স্থলবন্দর থেকে ৮ কিলোমিটার ও কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে গাড়িতে ২ ঘণ্টার দূরত্বের মধ্যে। আর ঢাকা থেকে দূরত্ব ৪৬৮ কিলোমিটার। এটি পাহাড় ও সমুদ্রসৈকত নিয়ে বহুমুখী ও বৈচিত্র্যপূর্ণ চমৎকার একটি অঞ্চল। যদিও মিয়ানমার আপত্তির কারনে নাফ ট্যুরিজম পার্কেও কাজ বন্ধ রয়েছে।