ঢাকা ০৬:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রামুতে খামার বাড়িতে বিএনপি নেতার রহস্যজনক মৃত্যু! ডিজিএফআই কর্মকর্তা ও মুহিবুল্লা হত্যায় জড়িত ছিলো আরসা কমান্ডার লালু: অস্ত্রসহ গ্রেফতার অপপ্রচারের প্রতিবাদে ইউপি সদস্য বোরহানের ‘বিবৃতি’ একটা গোষ্ঠী আমার পেছনে লেগেছে: জামায়াত আমির ‘রাজনীতি করেন, কিন্তু মিথ্যা বলবেন না’, জামায়াতের উদ্দেশে ফখরুল নির্বাচন ও গণভোটের তথ্য দিতে টোল ফ্রি হেল্পলাইন চালু পবিত্র শবে বরাত পালিত অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে মাঠে নৌবাহিনী প্রধান:কুতুবদিয়া পরিদর্শন এদেশের সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে – সালাহউদ্দিন আহমদ নারী অধিকার নিয়ে আপস হলে জামায়াতের সঙ্গে জোট টিকবে না: নাহিদ ইসলাম নির্বাচনকে সামনে রেখে খুরুশকুল ব্রিজ এলাকায় বিজিবির তল্লাশি কার্যক্রম। সংসদ নির্বাচনে এবারের শীর্ষ ১০ ধনী প্রার্থী সালাউদ্দিন আহমদের উখিয়া সফর: প্রচারণা বন্ধের ঘোষণা জামায়াত প্রার্থী আনোয়ারীর ১৭ মিনিটের ব্যবধানে ২ ভূমিকম্প! পেকুয়ায় তিন ছাত্রদল নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

ডিজিএফআই কর্মকর্তা ও মুহিবুল্লা হত্যায় জড়িত ছিলো আরসা কমান্ডার লালু: অস্ত্রসহ গ্রেফতার

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা)-এর সক্রিয় কমান্ডার জাহিদ হোসেন প্রকাশ লালুকে (৪০) আটক করেছে সেনাবাহিনী।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ (ওয়েস্ট) এলাকায় রামু সেনানিবাসের ১০ পদাতিক ডিভিশনের একটি বিশেষ আভিযানিক দল এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে আটককৃত লালুর কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

​গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, আটককৃত লালু দীর্ঘদিন ধরে আরসা প্রধান হাফেজ আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনির ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও দেহরক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিল। সে মিয়ানমার ও বাংলাদেশে আরসার বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অন্যতম হোতা।

২০২১ সালে রোহিঙ্গা নেতা মাস্টার মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ড, ডিজিএফআই কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার রেজোয়ান হত্যা এবং ক্যাম্প-১৮-এর মাদ্রাসায় হামলা চালিয়ে শিক্ষক-ছাত্রসহ ৬ জনকে হত্যার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাথে তার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবেও সে পরিচিত।

​সেনাবাহিনী সূত্র জানিয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নির্বিঘ্ন করতে এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ স্থানীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এই গ্রেফতারি অভিযান দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। আটককৃত সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রামুতে খামার বাড়িতে বিএনপি নেতার রহস্যজনক মৃত্যু!

This will close in 6 seconds

ডিজিএফআই কর্মকর্তা ও মুহিবুল্লা হত্যায় জড়িত ছিলো আরসা কমান্ডার লালু: অস্ত্রসহ গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৪:৩২:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা)-এর সক্রিয় কমান্ডার জাহিদ হোসেন প্রকাশ লালুকে (৪০) আটক করেছে সেনাবাহিনী।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ (ওয়েস্ট) এলাকায় রামু সেনানিবাসের ১০ পদাতিক ডিভিশনের একটি বিশেষ আভিযানিক দল এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে আটককৃত লালুর কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

​গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, আটককৃত লালু দীর্ঘদিন ধরে আরসা প্রধান হাফেজ আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনির ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও দেহরক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিল। সে মিয়ানমার ও বাংলাদেশে আরসার বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অন্যতম হোতা।

২০২১ সালে রোহিঙ্গা নেতা মাস্টার মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ড, ডিজিএফআই কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার রেজোয়ান হত্যা এবং ক্যাম্প-১৮-এর মাদ্রাসায় হামলা চালিয়ে শিক্ষক-ছাত্রসহ ৬ জনকে হত্যার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাথে তার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবেও সে পরিচিত।

​সেনাবাহিনী সূত্র জানিয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নির্বিঘ্ন করতে এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ স্থানীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এই গ্রেফতারি অভিযান দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। আটককৃত সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।