ঢাকা ০৩:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফে পৃথক অভিযানে ৪ লাখ ৬০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৪ পেকুয়ায় ক্রীড়া সংস্থার কমিটি অনুমোদন: সভাপতি রফিকুল, সম্পাদক ছাফওয়ান সবাইকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার: প্রধানমন্ত্রী মহানবমী আজ, শুরু দেবীর বিদায়ের ক্ষণগণনা আমাকে দেখলে তো লোকে সংবিধান বলে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশেষ অভিযানে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ৯ আইডিইবির সদস্যপদ পেলেন কক্সবাজারের ডিপ্লোমা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল নোমান পেকুয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু কক্সবাজারে দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় সেই রাজুর ৩ দিনের রিমান্ড এক দিনে দুই দফা ডাকাতি : ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে ফের আতংক এআই দিয়ে কণ্ঠ নকল করে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছে কচ্ছপিয়ার সোহেল সিকদার প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা নিয়ে কক্সবাজারের পূজামণ্ডপে পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু আইনের তোয়াক্কা না করে মেরিন ড্রাইভে ঝুঁকিপূর্ণ রিসোর্ট, ১০ প্রাণের বিনিময়েও জাগেনি প্রশাসন সৌদিতে নিহত প্রবাসীর পরিবার পেলো ক্ষতিপূরণ

‎‘জুলাই বার্তাবীর’ সম্মাননা পেলেন পেকুয়ার কৃতিসন্তান ঢাবি শিক্ষার্থী মাহির কাইয়ুম

‎আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘জুলাই বীর সম্মাননা’ অনুষ্ঠানে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সাহসিকতার সঙ্গে সাংবাদিকতা করার স্বীকৃতিস্বরূপ ‘জুলাই বার্তাবীর সম্মাননা স্মারক’ পেয়েছেন পেকুয়ার কৃতি সন্তান দৈনিক আমার দেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) রিপোর্টার  মাহির কাইয়ুম।

‎জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে তিনি দৈনিক সবুজ বাংলার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
‎
‎মাহির কাইয়ুম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জুলাই অভ্যুত্থানে আহত হয়েও তিনি সাহসিকতার সঙ্গে সাংবাদিকতায় অবদান রাখেন।
‎
‎জুলাই অভ্যুত্থানে পেকুয়া উপজেলার শিক্ষার্থীদেরকে সংগঠিত করার নেতৃত্বেও ছিলেন তরুণ এই সাংবাদিক।
‎
‎
‎আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল বুধবার (৭ জানুয়ারি) ফেলানী হত্যা দিবসে রাজধানীতে ‘জুলাই বীর সম্মাননা’ প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
‎
‎আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের উদ্যোগে ও জেএএম সংস্থার সার্বিক সহযোগিতায় ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
‎
‎অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনে আহত, শহীদ পরিবার ও সাংবাদিকদের মাঝে সম্মাননা স্মারক ও আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়। আয়োজকদের তথ্যমতে, দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে প্রায় ১২শ জনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে জুলাই মাসে সাহসী ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ ১০২ জন সাংবাদিককে ‘বার্তাবীর’ সম্মাননা দেওয়া হয়।
‎
‎সংগঠনটির সদস্য সচিব আলামিন আটিয়া ও ডাকসুর সদস্য তাজিনুর রহমানের সঞ্চালনায় এবং ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক তারেক আজিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেএএম সংস্থার চেয়ারম্যান মেহরিন উজমা।
‎
‎এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠনের নেতা, শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত ব্যক্তি ও সাংবাদিকরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
‎
‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসলাম চৌধুরী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সফলতার কারণেই আজ আমরা মুক্ত। শহীদ আবু সাঈদসহ সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। যারা নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে, তাদের বিচার অবশ্যই এই বাংলার মাটিতে হতে হবে। আমরা প্রাথমিকভাবে আপনাদের পাশে থাকতে পেরে আনন্দিত। আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়েও কাজ করা হবে।
‎
‎অনুষ্ঠানে ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিগবাতুল্লাহ সিগবাহ বলেন, জুলাই শহীদ ও বিচার নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র হলে তার পরিণতি হবে দ্বিতীয় জুলাই। বাংলার বুকে বিদেশি আধিপত্যবাদ কিংবা কোনো নব্য ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে দেওয়া হবে না।
‎
‎সভাপতির বক্তব্যে আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তারেক আজিজ বলেন, দেশের প্রান্তিক অঞ্চল থেকে দেড় বছর পর জুলাই যোদ্ধা আহতরা এসে জুলাই আন্দোলনকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন। এজন্য সবাইকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। জুলাই গাদ্দারদের কবলে পড়েছে- একে বাঁচাতে, বিচার নিশ্চিত করতে এবং আগ্রাসনমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে জুলাই যোদ্ধাদের কোনো বিকল্প নেই।
‎
‎এসময় জুলাই যোদ্ধাদের নেতৃত্বে জেলা, উপজেলা, পাড়া-মহল্লায় আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
‎
‎
‎মাহির কাইয়ুমের বাড়ি পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নে নাজিরপাড়া (২ নাম্বার ওয়ার্ড) গ্রামে। তিনি বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও  সাংবাদিকতা বিভাগে অধ্যায়ন করছেন। একই সাথে জুলাই বিপ্লবে সাংবাদিক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্যই তিনি এই সম্মাননায় ভূষিত হন।
‎
‎মাহির কাইয়ুম বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে পেকুয়া উপজেলার শিক্ষার্থীদেরকে সংগঠিত করতে গিয়ে আমাকে স্থানীয় আওয়ামী ক্যাডারদের  বিভিন্ন হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল। আমার সহযোদ্ধা মামুন, তাইফুলসহ বেশ কয়েকজনকে মেরে আহত করা হয়েছিল। তবুও তারা আমাদের আন্দোলনকে দমাতে পারেনি।
‎

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

‎‘জুলাই বার্তাবীর’ সম্মাননা পেলেন পেকুয়ার কৃতিসন্তান ঢাবি শিক্ষার্থী মাহির কাইয়ুম

আপডেট সময় : ০৬:৫৭:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

‎আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘জুলাই বীর সম্মাননা’ অনুষ্ঠানে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সাহসিকতার সঙ্গে সাংবাদিকতা করার স্বীকৃতিস্বরূপ ‘জুলাই বার্তাবীর সম্মাননা স্মারক’ পেয়েছেন পেকুয়ার কৃতি সন্তান দৈনিক আমার দেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) রিপোর্টার  মাহির কাইয়ুম।

‎জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে তিনি দৈনিক সবুজ বাংলার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
‎
‎মাহির কাইয়ুম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জুলাই অভ্যুত্থানে আহত হয়েও তিনি সাহসিকতার সঙ্গে সাংবাদিকতায় অবদান রাখেন।
‎
‎জুলাই অভ্যুত্থানে পেকুয়া উপজেলার শিক্ষার্থীদেরকে সংগঠিত করার নেতৃত্বেও ছিলেন তরুণ এই সাংবাদিক।
‎
‎
‎আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল বুধবার (৭ জানুয়ারি) ফেলানী হত্যা দিবসে রাজধানীতে ‘জুলাই বীর সম্মাননা’ প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
‎
‎আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের উদ্যোগে ও জেএএম সংস্থার সার্বিক সহযোগিতায় ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
‎
‎অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনে আহত, শহীদ পরিবার ও সাংবাদিকদের মাঝে সম্মাননা স্মারক ও আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়। আয়োজকদের তথ্যমতে, দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে প্রায় ১২শ জনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে জুলাই মাসে সাহসী ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ ১০২ জন সাংবাদিককে ‘বার্তাবীর’ সম্মাননা দেওয়া হয়।
‎
‎সংগঠনটির সদস্য সচিব আলামিন আটিয়া ও ডাকসুর সদস্য তাজিনুর রহমানের সঞ্চালনায় এবং ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক তারেক আজিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেএএম সংস্থার চেয়ারম্যান মেহরিন উজমা।
‎
‎এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠনের নেতা, শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত ব্যক্তি ও সাংবাদিকরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
‎
‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসলাম চৌধুরী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সফলতার কারণেই আজ আমরা মুক্ত। শহীদ আবু সাঈদসহ সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। যারা নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে, তাদের বিচার অবশ্যই এই বাংলার মাটিতে হতে হবে। আমরা প্রাথমিকভাবে আপনাদের পাশে থাকতে পেরে আনন্দিত। আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়েও কাজ করা হবে।
‎
‎অনুষ্ঠানে ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিগবাতুল্লাহ সিগবাহ বলেন, জুলাই শহীদ ও বিচার নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র হলে তার পরিণতি হবে দ্বিতীয় জুলাই। বাংলার বুকে বিদেশি আধিপত্যবাদ কিংবা কোনো নব্য ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে দেওয়া হবে না।
‎
‎সভাপতির বক্তব্যে আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তারেক আজিজ বলেন, দেশের প্রান্তিক অঞ্চল থেকে দেড় বছর পর জুলাই যোদ্ধা আহতরা এসে জুলাই আন্দোলনকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন। এজন্য সবাইকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। জুলাই গাদ্দারদের কবলে পড়েছে- একে বাঁচাতে, বিচার নিশ্চিত করতে এবং আগ্রাসনমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে জুলাই যোদ্ধাদের কোনো বিকল্প নেই।
‎
‎এসময় জুলাই যোদ্ধাদের নেতৃত্বে জেলা, উপজেলা, পাড়া-মহল্লায় আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
‎
‎
‎মাহির কাইয়ুমের বাড়ি পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নে নাজিরপাড়া (২ নাম্বার ওয়ার্ড) গ্রামে। তিনি বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও  সাংবাদিকতা বিভাগে অধ্যায়ন করছেন। একই সাথে জুলাই বিপ্লবে সাংবাদিক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্যই তিনি এই সম্মাননায় ভূষিত হন।
‎
‎মাহির কাইয়ুম বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে পেকুয়া উপজেলার শিক্ষার্থীদেরকে সংগঠিত করতে গিয়ে আমাকে স্থানীয় আওয়ামী ক্যাডারদের  বিভিন্ন হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল। আমার সহযোদ্ধা মামুন, তাইফুলসহ বেশ কয়েকজনকে মেরে আহত করা হয়েছিল। তবুও তারা আমাদের আন্দোলনকে দমাতে পারেনি।
‎