ঢাকা ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজার -০৪: উখিয়া-টেকনাফের ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি? কক্সবাজার -০৩: সদর-রামু-ঈদগাঁওর ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি? কক্সবাজার-০২: মহেশখালী-কুতুবদিয়ায় ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি কক্সবাজার ০১- : চকরিয়া-পেকুয়া উপজেলায় ভোটার কতো, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি? নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের সুরক্ষায় কক্সবাজারে ক্র্যাকের ‘জরুরি সহায়তা সেল’ গঠন প্রার্থীরা কে কোথায় ভোট দেবেন? কোনো অবস্থাতেই নির্বাচনের মাঠ ছাড়বে না জামায়াত গুলশানে ভোট দেবেন প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনে নারীদের নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ চায় জাতিসংঘ টেকনাফে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ নির্বাচন সামনে রেখে কক্সবাজারে সম্মুখ সারির ৬জুলাই যোদ্ধার ছাত্রদলে যোগদান ​কক্সবাজার-৩ আসনে জগদীশ বড়ুয়ার সমর্থন প্রত্যাহার করলো লেবার পার্টি পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মী কেন্দ্রে স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে নির্বাচন: কেন্দ্রে যাচ্ছে ব্যালট পেপার ৪ টি আসনে কেন্দ্র ৫৯৮,কক্ষ ৩,৬৮৯, পোলিং প্রিসাইডিং ১২,২৫১,আইনশৃঙ্খলা সদস্য ১৩,৪৯৯

খুরুস্কুলে পাওয়া মরদেহটি নাপিত খালীর মোহাম্মদ কালুর: চাকুরী করতো লালদীঘির পাড়ের আবাসিক হোটেলে

  • রাহুল মহাজন
  • আপডেট সময় : ০২:৫০:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 1324

কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডি ব্রীজ লাগোয়া পল্লন খালী খালে ভেসে আসা অজ্ঞাত লাশের পরিচয় মিলেছে।

ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের নাপিত খালী ডুলা ফকির রাস্তার মাথা এলাকার মৃত ইউসুফ আলীর পুত্র মোহাম্মদ কালুর (৪২) মরদেহ এটি। কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে নিহতের ভাই সাহাব উদ্দিন মরদেহ টি সনাক্ত করে। নিহত কালু কক্সবাজার শহরের একটি হোটেলের কর্মচারী বলে জানা গেছে।

সাহাব উদ্দিন জানান,তার ভাই মোহাম্মদ কালু কক্সবাজার শহরের লালদীঘির পাড়ের একটি আবাসিক হোটেলে চাকুরী করতো। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কোনো কিছুই ধারনা করতে পারছেন না বলে তিনি জানান। তিনি জানান, কারো সাথে শত্রুতা আছে এমন তথ্যও নাই।

নিহত মোহাম্মদ কালুর স্ত্রী শাহানা আাহাজারি করতে করতে জানান,গতকাল বুধবার সকাল ১১ টায় শেষবারের মতো কথা হয়। তখনও তিনি ছিলেন স্বাভাবিক। সকালে শুনতে পাই উনার মরদেহ খাল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। কি হতে কি হয়ে গেলো বুঝতে পারছিনা। চাকুরীর সুবাদে কক্সবাজার শহরেই অবস্থান করছিলেন তিনি। তবে কেনো খুরুস্কুলে মরদেহ পাওয়া গেলো এ বিষয়ে তিনি কিছু ধারণা করতে পারছেন না বলে জানান। বিষয়টি কালু যে হোটেলে চাকুরী করতো সে হোটেলের মালিক পক্ষ জানতে পারে, কখন কালু সেখান থেকে বেরিয়েছে, কি বলে বেরিয়েছে বা বেরিয়েছে কি না?

তবে কালু যে হোটেলে চাকুরী করতো সেই হোটেলেটির নাম বলতে চাননি তার স্ত্রী।

খুরুস্কুল ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার জানে আলম জানান,বৃহস্পতিবার ভোরে খুরুস্কুল চৌফলদন্ডি ব্রিজ লাগোয়া পল্লনখালী খালে মরদেহ টি ভেসে আসে। মরদেহের পরনে ছিলো লাল ও কালু রংয়ের হুডি আর কালো প্যান্ট। স্থানীয়রা জাতীয় সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল দিলে সদর থানার এস আই সঞ্জীব কুমার পালের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মরদেহটি উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের মর্গে নিয় আসে।

এস আই সঞ্জীব কুমার পাল জানান, মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যানি। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে জানা যাবে মৃত্যুর কারণ। তবে মরদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্ন নেই বলে তিনি জানান।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজার -০৪: উখিয়া-টেকনাফের ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি?

This will close in 6 seconds

খুরুস্কুলে পাওয়া মরদেহটি নাপিত খালীর মোহাম্মদ কালুর: চাকুরী করতো লালদীঘির পাড়ের আবাসিক হোটেলে

আপডেট সময় : ০২:৫০:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডি ব্রীজ লাগোয়া পল্লন খালী খালে ভেসে আসা অজ্ঞাত লাশের পরিচয় মিলেছে।

ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের নাপিত খালী ডুলা ফকির রাস্তার মাথা এলাকার মৃত ইউসুফ আলীর পুত্র মোহাম্মদ কালুর (৪২) মরদেহ এটি। কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে নিহতের ভাই সাহাব উদ্দিন মরদেহ টি সনাক্ত করে। নিহত কালু কক্সবাজার শহরের একটি হোটেলের কর্মচারী বলে জানা গেছে।

সাহাব উদ্দিন জানান,তার ভাই মোহাম্মদ কালু কক্সবাজার শহরের লালদীঘির পাড়ের একটি আবাসিক হোটেলে চাকুরী করতো। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কোনো কিছুই ধারনা করতে পারছেন না বলে তিনি জানান। তিনি জানান, কারো সাথে শত্রুতা আছে এমন তথ্যও নাই।

নিহত মোহাম্মদ কালুর স্ত্রী শাহানা আাহাজারি করতে করতে জানান,গতকাল বুধবার সকাল ১১ টায় শেষবারের মতো কথা হয়। তখনও তিনি ছিলেন স্বাভাবিক। সকালে শুনতে পাই উনার মরদেহ খাল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। কি হতে কি হয়ে গেলো বুঝতে পারছিনা। চাকুরীর সুবাদে কক্সবাজার শহরেই অবস্থান করছিলেন তিনি। তবে কেনো খুরুস্কুলে মরদেহ পাওয়া গেলো এ বিষয়ে তিনি কিছু ধারণা করতে পারছেন না বলে জানান। বিষয়টি কালু যে হোটেলে চাকুরী করতো সে হোটেলের মালিক পক্ষ জানতে পারে, কখন কালু সেখান থেকে বেরিয়েছে, কি বলে বেরিয়েছে বা বেরিয়েছে কি না?

তবে কালু যে হোটেলে চাকুরী করতো সেই হোটেলেটির নাম বলতে চাননি তার স্ত্রী।

খুরুস্কুল ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার জানে আলম জানান,বৃহস্পতিবার ভোরে খুরুস্কুল চৌফলদন্ডি ব্রিজ লাগোয়া পল্লনখালী খালে মরদেহ টি ভেসে আসে। মরদেহের পরনে ছিলো লাল ও কালু রংয়ের হুডি আর কালো প্যান্ট। স্থানীয়রা জাতীয় সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল দিলে সদর থানার এস আই সঞ্জীব কুমার পালের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মরদেহটি উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের মর্গে নিয় আসে।

এস আই সঞ্জীব কুমার পাল জানান, মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যানি। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে জানা যাবে মৃত্যুর কারণ। তবে মরদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্ন নেই বলে তিনি জানান।