ঢাকা ১২:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও ঈদে বাড়ি ফেরা হলোনা শাহীন ডাকাতের:ফের আটক ডিবির হাতে জাতীয় দলে ফিরলেন চকরিয়ার জিকু শিল্পী রাজীব বড়ুয়া পরলোকে, শেষকৃত্য সম্পন্ন আদালত প্রাঙ্গণে গোলাগুলির ঘটনায় উদ্বেগ জেলা আইনজীবী সমিতির,পৃথক তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জামিনে বেরিয়ে ফের আটক গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাত টেকনাফে টাকা দিয়ে সাংবাদিক কার্ড সংগ্রহ, ইয়াবা পাচারে আটক ভুয়া সাংবাদিক সন্ত্রাসীদের কোনো অভয়ারণ্য থাকতে দেওয়া হবে না, নির্মূল করা হবে ঈদের আনন্দ কেড়ে নিল আগুন, খোলা আকাশের নিচে শত পরিবার চকরিয়ায় ডাম্পারের ধাক্কায় নছিমন চালক নিহত পেকুয়ায় বজ্রপাতে এক নারীর মৃত্যু ঈদকে সামনে রেখে পর্যটন শহরে নিরাপত্তা ও সেবায় বিশেষ উদ্যোগ কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ঈদের দুই জামাত সকাল সাড়ে ৭টা ও সাড়ে ৮টায় পবিত্র হজ আজ সীমান্ত শহরে ব্রাজিল উন্মাদনা মহাসড়কে কোরবানির পশুর হাট, যানজটে ভোগান্তি

কানাডার হোটেলে বাংলাদেশি নারীর রহস্যজনক মৃত্যু, ১৫ দিনেও মেলেনি তথ্য

  • টিটিএন ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:১৯:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৪
  • 1134

কানাডার সাসস্কাচিয়েন অঙ্গরাজ্যের সাসস্কাটন শহরের ‘হেরিটেজ ইন হোটেল অ্যান্ড কনভেনশন’ সেন্টারের এক বাংলাদেশি নারী কর্মীর রহস্যজনক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ঘটনার ১৫ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরও কোনও তথ্য জানাতে পারেনি দেশটির পুলিশ।

গত ১৫ অক্টোবর কানাডার সাসস্কাটন শহরের ওই হোটেলের নিচ থেকে নন্দিতা ভট্টাচার্য মুনমুন নামে বাংলাদেশি নারীর লাশ উদ্ধার করে সাসস্কাটন পুলিশ সার্ভিস। তিনি মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা শহরের পূর্বাশা আবাসিক এলাকার সাবেক কমিশনার বলাই ভট্টাচার্যের তৃতীয় সন্তান অনুপ ভট্টাচার্যের স্ত্রী।

মুনমুন প্রাইম ব্যাংক লিমিটেডের শ্রীমঙ্গল শাখায় একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০২২ সালে জুন মাসের দিকে সপরিবারে উন্নত জীবনযাপনের লক্ষ্যে কানাডার সাসস্কাচিয়েন অঙ্গরাজ্যের সাসস্কাটন শহরে অভিবাসন নিয়ে বসবাস শুরু করেন। তারা স্বামী-স্ত্রী উভয়ই কর্মজীবী ছিলেন।

অনুপ ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, তার স্ত্রী নন্দিতা ভট্টাচার্য মুনমুন সাসকাটন শহরের হেরিটেজ ইন হোটেল অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। ঘটনার দিন অনুপ ভট্টাচার্য তার স্ত্রীকে সকালে গাড়ি করে নিয়ে পৌঁছে দেন। বিকাল ৪টার দিকে তিনি হোটেল থেকে বাসায় নিয়ে আসার জন্য সেখানে যান।

ওইদিন প্রায় সাড়ে ৫টা পর্যন্ত অপেক্ষা করে তাকে মোবাইলে বারবার কল দেওয়ার পর হোটেল থেকে পুলিশ অফিসার তার স্ত্রীর মোবাইল নিয়ে এসে তাকে দিয়ে বলেন যে, তার স্ত্রী আর নেই। কিন্তু কখন, কীভাবে ছাদের উপরে গিয়ে পড়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন তা পুলিশ জানাতে পারেনি। কোনও সাক্ষী নেই, সিসিটিভি ফুটেজ নেই ও তার পার্সে থাকা ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডগুলোও নেই, জানান অনুপ।

ঘটনার দিন স্টোর রুম পর্যন্ত তাকে ( মুনমুন) যেতে সিসিটিভি ফুটে গিয়ে দেখা গেছে। এরপর আর দেখা যায়নি। এমনকি ছাদে গিয়ে নিচে পড়া পর্যন্ত সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া যায়নি বলে খবর পাওয়া গেছে। ছয়তলা বিশিষ্ট হোটেলটির ছাদে গিয়ে উপর থেকে পড়ে গিয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

জানা গেছে যে, কানাডা বা পাশ্চাত্য দেশের আইন অনুযায়ী হোটেলের ছাদে ওঠার কোনও আইন নেই। পুরো হোটেল সিসিটিভির আওতাধীন ও সার্বক্ষণিক সিসিটিভি ফুটেজ মনিটরিং করা পলিসি রয়েছে। ছাদে ওঠার চাবিও ছিল মেনটেনেন্স ডিপার্টমেন্টের কাছে। এমন অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, মুনমুন কীভাবে, কার কাছ থেকে চাবি নিয়ে গিয়ে ছাদের উপর থেকে পরে মৃত্যুবরণ করলেন। ফলে ঘটনার পেছনে গভীর, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ও রহস্য লুকিয়ে আছে বলে মনে করছে তার পরিবার।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও ঈদে বাড়ি ফেরা হলোনা শাহীন ডাকাতের:ফের আটক ডিবির হাতে

কানাডার হোটেলে বাংলাদেশি নারীর রহস্যজনক মৃত্যু, ১৫ দিনেও মেলেনি তথ্য

আপডেট সময় : ১১:১৯:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৪

কানাডার সাসস্কাচিয়েন অঙ্গরাজ্যের সাসস্কাটন শহরের ‘হেরিটেজ ইন হোটেল অ্যান্ড কনভেনশন’ সেন্টারের এক বাংলাদেশি নারী কর্মীর রহস্যজনক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ঘটনার ১৫ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরও কোনও তথ্য জানাতে পারেনি দেশটির পুলিশ।

গত ১৫ অক্টোবর কানাডার সাসস্কাটন শহরের ওই হোটেলের নিচ থেকে নন্দিতা ভট্টাচার্য মুনমুন নামে বাংলাদেশি নারীর লাশ উদ্ধার করে সাসস্কাটন পুলিশ সার্ভিস। তিনি মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা শহরের পূর্বাশা আবাসিক এলাকার সাবেক কমিশনার বলাই ভট্টাচার্যের তৃতীয় সন্তান অনুপ ভট্টাচার্যের স্ত্রী।

মুনমুন প্রাইম ব্যাংক লিমিটেডের শ্রীমঙ্গল শাখায় একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০২২ সালে জুন মাসের দিকে সপরিবারে উন্নত জীবনযাপনের লক্ষ্যে কানাডার সাসস্কাচিয়েন অঙ্গরাজ্যের সাসস্কাটন শহরে অভিবাসন নিয়ে বসবাস শুরু করেন। তারা স্বামী-স্ত্রী উভয়ই কর্মজীবী ছিলেন।

অনুপ ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, তার স্ত্রী নন্দিতা ভট্টাচার্য মুনমুন সাসকাটন শহরের হেরিটেজ ইন হোটেল অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। ঘটনার দিন অনুপ ভট্টাচার্য তার স্ত্রীকে সকালে গাড়ি করে নিয়ে পৌঁছে দেন। বিকাল ৪টার দিকে তিনি হোটেল থেকে বাসায় নিয়ে আসার জন্য সেখানে যান।

ওইদিন প্রায় সাড়ে ৫টা পর্যন্ত অপেক্ষা করে তাকে মোবাইলে বারবার কল দেওয়ার পর হোটেল থেকে পুলিশ অফিসার তার স্ত্রীর মোবাইল নিয়ে এসে তাকে দিয়ে বলেন যে, তার স্ত্রী আর নেই। কিন্তু কখন, কীভাবে ছাদের উপরে গিয়ে পড়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন তা পুলিশ জানাতে পারেনি। কোনও সাক্ষী নেই, সিসিটিভি ফুটেজ নেই ও তার পার্সে থাকা ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডগুলোও নেই, জানান অনুপ।

ঘটনার দিন স্টোর রুম পর্যন্ত তাকে ( মুনমুন) যেতে সিসিটিভি ফুটে গিয়ে দেখা গেছে। এরপর আর দেখা যায়নি। এমনকি ছাদে গিয়ে নিচে পড়া পর্যন্ত সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া যায়নি বলে খবর পাওয়া গেছে। ছয়তলা বিশিষ্ট হোটেলটির ছাদে গিয়ে উপর থেকে পড়ে গিয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

জানা গেছে যে, কানাডা বা পাশ্চাত্য দেশের আইন অনুযায়ী হোটেলের ছাদে ওঠার কোনও আইন নেই। পুরো হোটেল সিসিটিভির আওতাধীন ও সার্বক্ষণিক সিসিটিভি ফুটেজ মনিটরিং করা পলিসি রয়েছে। ছাদে ওঠার চাবিও ছিল মেনটেনেন্স ডিপার্টমেন্টের কাছে। এমন অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, মুনমুন কীভাবে, কার কাছ থেকে চাবি নিয়ে গিয়ে ছাদের উপর থেকে পরে মৃত্যুবরণ করলেন। ফলে ঘটনার পেছনে গভীর, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ও রহস্য লুকিয়ে আছে বলে মনে করছে তার পরিবার।