ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চৌফলদন্ডি ইউপি নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী ফোরকান মাহমুদ উখিয়ায় পাহাড়ের পাদদেশ থেকে বু/লে/টপ্রুফ ভেস্ট ও অ/স্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার সেনা সদস্য তিতাস শেখ হ/ত্যার বিচারের দাবিতে টেকনাফে বিএনপির মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ ‘অভিযানে যাব, দোয়া কইরো’— মায়ের সঙ্গে সেনা সদস্যের শেষ কথা টানা তিন দফা বৃদ্ধির পর কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ২৭৪১ টাকা লোহাগাড়ায় সার ডিলার নিয়োগে অভিযোগ, জেলা প্রশাসকের তদন্তের নির্দেশ পেকুয়ায় অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের লোহাগাড়ায় ইয়াবা সেবন করে মাকে মারধর, ছেলের এক মাসের কারাদণ্ড প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর আজিজনগরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের বাছাই হাসিনার সম্পত্তি বিক্রির অর্ধেক অর্থ পাবেন অভ্যুত্থানে নিহতদের স্বজনেরা, মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাহাড়সম অদক্ষতা চাপা দেওয়ার জন্য বিরোধীদলের ওপর দায় চাপাচ্ছে সরকার: জামায়াত আমির রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টেকনাফে মাছ ধরার নৌকায় বজ্রপাত, জেলের মৃত্যু রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সমর্থন চায় বাংলাদেশ আজ জেলহত্যা দিবস

কানাডার হোটেলে বাংলাদেশি নারীর রহস্যজনক মৃত্যু, ১৫ দিনেও মেলেনি তথ্য

  • টিটিএন ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:১৯:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৪
  • 1459

কানাডার সাসস্কাচিয়েন অঙ্গরাজ্যের সাসস্কাটন শহরের ‘হেরিটেজ ইন হোটেল অ্যান্ড কনভেনশন’ সেন্টারের এক বাংলাদেশি নারী কর্মীর রহস্যজনক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ঘটনার ১৫ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরও কোনও তথ্য জানাতে পারেনি দেশটির পুলিশ।

গত ১৫ অক্টোবর কানাডার সাসস্কাটন শহরের ওই হোটেলের নিচ থেকে নন্দিতা ভট্টাচার্য মুনমুন নামে বাংলাদেশি নারীর লাশ উদ্ধার করে সাসস্কাটন পুলিশ সার্ভিস। তিনি মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা শহরের পূর্বাশা আবাসিক এলাকার সাবেক কমিশনার বলাই ভট্টাচার্যের তৃতীয় সন্তান অনুপ ভট্টাচার্যের স্ত্রী।

মুনমুন প্রাইম ব্যাংক লিমিটেডের শ্রীমঙ্গল শাখায় একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০২২ সালে জুন মাসের দিকে সপরিবারে উন্নত জীবনযাপনের লক্ষ্যে কানাডার সাসস্কাচিয়েন অঙ্গরাজ্যের সাসস্কাটন শহরে অভিবাসন নিয়ে বসবাস শুরু করেন। তারা স্বামী-স্ত্রী উভয়ই কর্মজীবী ছিলেন।

অনুপ ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, তার স্ত্রী নন্দিতা ভট্টাচার্য মুনমুন সাসকাটন শহরের হেরিটেজ ইন হোটেল অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। ঘটনার দিন অনুপ ভট্টাচার্য তার স্ত্রীকে সকালে গাড়ি করে নিয়ে পৌঁছে দেন। বিকাল ৪টার দিকে তিনি হোটেল থেকে বাসায় নিয়ে আসার জন্য সেখানে যান।

ওইদিন প্রায় সাড়ে ৫টা পর্যন্ত অপেক্ষা করে তাকে মোবাইলে বারবার কল দেওয়ার পর হোটেল থেকে পুলিশ অফিসার তার স্ত্রীর মোবাইল নিয়ে এসে তাকে দিয়ে বলেন যে, তার স্ত্রী আর নেই। কিন্তু কখন, কীভাবে ছাদের উপরে গিয়ে পড়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন তা পুলিশ জানাতে পারেনি। কোনও সাক্ষী নেই, সিসিটিভি ফুটেজ নেই ও তার পার্সে থাকা ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডগুলোও নেই, জানান অনুপ।

ঘটনার দিন স্টোর রুম পর্যন্ত তাকে ( মুনমুন) যেতে সিসিটিভি ফুটে গিয়ে দেখা গেছে। এরপর আর দেখা যায়নি। এমনকি ছাদে গিয়ে নিচে পড়া পর্যন্ত সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া যায়নি বলে খবর পাওয়া গেছে। ছয়তলা বিশিষ্ট হোটেলটির ছাদে গিয়ে উপর থেকে পড়ে গিয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

জানা গেছে যে, কানাডা বা পাশ্চাত্য দেশের আইন অনুযায়ী হোটেলের ছাদে ওঠার কোনও আইন নেই। পুরো হোটেল সিসিটিভির আওতাধীন ও সার্বক্ষণিক সিসিটিভি ফুটেজ মনিটরিং করা পলিসি রয়েছে। ছাদে ওঠার চাবিও ছিল মেনটেনেন্স ডিপার্টমেন্টের কাছে। এমন অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, মুনমুন কীভাবে, কার কাছ থেকে চাবি নিয়ে গিয়ে ছাদের উপর থেকে পরে মৃত্যুবরণ করলেন। ফলে ঘটনার পেছনে গভীর, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ও রহস্য লুকিয়ে আছে বলে মনে করছে তার পরিবার।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

চৌফলদন্ডি ইউপি নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী ফোরকান মাহমুদ

কানাডার হোটেলে বাংলাদেশি নারীর রহস্যজনক মৃত্যু, ১৫ দিনেও মেলেনি তথ্য

আপডেট সময় : ১১:১৯:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৪

কানাডার সাসস্কাচিয়েন অঙ্গরাজ্যের সাসস্কাটন শহরের ‘হেরিটেজ ইন হোটেল অ্যান্ড কনভেনশন’ সেন্টারের এক বাংলাদেশি নারী কর্মীর রহস্যজনক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ঘটনার ১৫ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরও কোনও তথ্য জানাতে পারেনি দেশটির পুলিশ।

গত ১৫ অক্টোবর কানাডার সাসস্কাটন শহরের ওই হোটেলের নিচ থেকে নন্দিতা ভট্টাচার্য মুনমুন নামে বাংলাদেশি নারীর লাশ উদ্ধার করে সাসস্কাটন পুলিশ সার্ভিস। তিনি মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা শহরের পূর্বাশা আবাসিক এলাকার সাবেক কমিশনার বলাই ভট্টাচার্যের তৃতীয় সন্তান অনুপ ভট্টাচার্যের স্ত্রী।

মুনমুন প্রাইম ব্যাংক লিমিটেডের শ্রীমঙ্গল শাখায় একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০২২ সালে জুন মাসের দিকে সপরিবারে উন্নত জীবনযাপনের লক্ষ্যে কানাডার সাসস্কাচিয়েন অঙ্গরাজ্যের সাসস্কাটন শহরে অভিবাসন নিয়ে বসবাস শুরু করেন। তারা স্বামী-স্ত্রী উভয়ই কর্মজীবী ছিলেন।

অনুপ ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, তার স্ত্রী নন্দিতা ভট্টাচার্য মুনমুন সাসকাটন শহরের হেরিটেজ ইন হোটেল অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। ঘটনার দিন অনুপ ভট্টাচার্য তার স্ত্রীকে সকালে গাড়ি করে নিয়ে পৌঁছে দেন। বিকাল ৪টার দিকে তিনি হোটেল থেকে বাসায় নিয়ে আসার জন্য সেখানে যান।

ওইদিন প্রায় সাড়ে ৫টা পর্যন্ত অপেক্ষা করে তাকে মোবাইলে বারবার কল দেওয়ার পর হোটেল থেকে পুলিশ অফিসার তার স্ত্রীর মোবাইল নিয়ে এসে তাকে দিয়ে বলেন যে, তার স্ত্রী আর নেই। কিন্তু কখন, কীভাবে ছাদের উপরে গিয়ে পড়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন তা পুলিশ জানাতে পারেনি। কোনও সাক্ষী নেই, সিসিটিভি ফুটেজ নেই ও তার পার্সে থাকা ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডগুলোও নেই, জানান অনুপ।

ঘটনার দিন স্টোর রুম পর্যন্ত তাকে ( মুনমুন) যেতে সিসিটিভি ফুটে গিয়ে দেখা গেছে। এরপর আর দেখা যায়নি। এমনকি ছাদে গিয়ে নিচে পড়া পর্যন্ত সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া যায়নি বলে খবর পাওয়া গেছে। ছয়তলা বিশিষ্ট হোটেলটির ছাদে গিয়ে উপর থেকে পড়ে গিয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

জানা গেছে যে, কানাডা বা পাশ্চাত্য দেশের আইন অনুযায়ী হোটেলের ছাদে ওঠার কোনও আইন নেই। পুরো হোটেল সিসিটিভির আওতাধীন ও সার্বক্ষণিক সিসিটিভি ফুটেজ মনিটরিং করা পলিসি রয়েছে। ছাদে ওঠার চাবিও ছিল মেনটেনেন্স ডিপার্টমেন্টের কাছে। এমন অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, মুনমুন কীভাবে, কার কাছ থেকে চাবি নিয়ে গিয়ে ছাদের উপর থেকে পরে মৃত্যুবরণ করলেন। ফলে ঘটনার পেছনে গভীর, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ও রহস্য লুকিয়ে আছে বলে মনে করছে তার পরিবার।