ঢাকা ০১:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘ কেন অপ্রয়োজনীয়? কক্সবাজারে ঠিকাদারকে ‘মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর’ অভিযোগ, এসপির কাছে স্ত্রীর আবেদন মহেশখালীতে সড়ক দুর্ঘটনা: যুবক নিহত খুনিয়াপালংয়ে বেপরোয়া ডাম্পারের ধাক্কায় দুই শিশুর মৃত্যু! উখিয়া কোর্টবাজারে র‌্যাব ও ভোক্তা অধিকারের যৌথ অভিযান: ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা জেলা সংগীত শিল্পী পরিষদের ইফতার সম্পন্ন অধিধ্বনির উদ্যোগে শিশুদের নাট্য কর্মশালা ‘অভিনয়ের হাতেখড়ি’র উদ্বোধন নিজেকে নির্দোষ দাবি টেকনাফের ফরিদের: র‍্যাব বলছে ১৭ মামলার পলাতক আসামী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্দেশ বাস্তবায়নে সৈকতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু জেলা প্রশাসনের অপহরণের দুই দিন পর কিশোর উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ গণ–অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন ঘটেছে: সংসদে রাষ্ট্রপতি সংসদে বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন, নেতৃত্বে যারা রাষ্ট্রপতির ৩ অপরাধে ভাষণ বর্জন : জামায়াত আমির ইরানি ড্রোনের আঘাতে কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিধ্বস্ত প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে বিরোধী দলের প্রতিবাদ-ওয়াক আউট

কক্সবাজারে ঠিকাদারকে ‘মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর’ অভিযোগ, এসপির কাছে স্ত্রীর আবেদন

কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের বাসিন্দা ঠিকাদার মোহাম্মদ শাহাজাহানকে প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রে একাধিক মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে এ ঘটনায় স্বামীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোকে হয়রানিমূলক দাবি করে কক্সবাজারের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন তার স্ত্রী নুসরাত ইয়াসমিন।

লিখিত আবেদনে তিনি জানান, তার স্বামী মোহাম্মদ শাহাজাহান দীর্ঘদিন ধরে ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সম্প্রতি কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী চায়না রোড সংলগ্ন একটি বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্পে ঠিকাদারি কাজ পান তিনি। একই প্রকল্পের কাজ পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন স্থানীয় আরেক ঠিকাদার মোহাম্মদ সেলিম। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী চীনা কোম্পানি সেলিমকে কাজ না দিয়ে শাহাজাহানের প্রতিষ্ঠান মেসার্স আরশাদ এন্টারপ্রাইজ-কে কাজ দেয়। এরপর থেকেই মোহাম্মদ সেলিম ক্ষুব্ধ হয়ে তার স্বামীর বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র শুরু করেন এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার হুমকি দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, সেলিমের স্ত্রী কামরুননেছা রুমিকে বাদী করে টেকনাফ মডেল থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের ৭/৮/১০/১৩ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার ঘটনাস্থল দেখানো হয়েছে টেকনাফের শামলাপুর মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন বাহারছড়া পাহাড় এলাকা। তবে শাহাজাহানের পরিবারের দাবি, তিনি কখনো ওই এলাকায় যাননি এবং ঘটনাটির সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

এছাড়া কক্সবাজার সদর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর বিভিন্ন ধারায় দায়ের করা আরেকটি মামলায় তাকে ৩০ নম্বর আসামি করা হয়েছে এবং আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিবারের দাবি, শাহাজাহান একজন ব্যবসায়ী এবং বিএনপির সমর্থক। তিনি কখনো মানব পাচার, অবৈধ অর্থ লেনদেন বা রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। স্থানীয়ভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে বলেও তারা মনে করেন।

এ অবস্থায় স্বামীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো তদন্ত করে তাকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা থেকে রক্ষা করতে কক্সবাজারের পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নুসরাত ইয়াসমিন।

ট্যাগ :

জাতিসংঘ কেন অপ্রয়োজনীয়?

কক্সবাজারে ঠিকাদারকে ‘মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর’ অভিযোগ, এসপির কাছে স্ত্রীর আবেদন

আপডেট সময় : ১২:০৪:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের বাসিন্দা ঠিকাদার মোহাম্মদ শাহাজাহানকে প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রে একাধিক মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে এ ঘটনায় স্বামীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোকে হয়রানিমূলক দাবি করে কক্সবাজারের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন তার স্ত্রী নুসরাত ইয়াসমিন।

লিখিত আবেদনে তিনি জানান, তার স্বামী মোহাম্মদ শাহাজাহান দীর্ঘদিন ধরে ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সম্প্রতি কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী চায়না রোড সংলগ্ন একটি বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্পে ঠিকাদারি কাজ পান তিনি। একই প্রকল্পের কাজ পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন স্থানীয় আরেক ঠিকাদার মোহাম্মদ সেলিম। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী চীনা কোম্পানি সেলিমকে কাজ না দিয়ে শাহাজাহানের প্রতিষ্ঠান মেসার্স আরশাদ এন্টারপ্রাইজ-কে কাজ দেয়। এরপর থেকেই মোহাম্মদ সেলিম ক্ষুব্ধ হয়ে তার স্বামীর বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র শুরু করেন এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার হুমকি দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, সেলিমের স্ত্রী কামরুননেছা রুমিকে বাদী করে টেকনাফ মডেল থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের ৭/৮/১০/১৩ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার ঘটনাস্থল দেখানো হয়েছে টেকনাফের শামলাপুর মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন বাহারছড়া পাহাড় এলাকা। তবে শাহাজাহানের পরিবারের দাবি, তিনি কখনো ওই এলাকায় যাননি এবং ঘটনাটির সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

এছাড়া কক্সবাজার সদর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর বিভিন্ন ধারায় দায়ের করা আরেকটি মামলায় তাকে ৩০ নম্বর আসামি করা হয়েছে এবং আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিবারের দাবি, শাহাজাহান একজন ব্যবসায়ী এবং বিএনপির সমর্থক। তিনি কখনো মানব পাচার, অবৈধ অর্থ লেনদেন বা রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। স্থানীয়ভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে বলেও তারা মনে করেন।

এ অবস্থায় স্বামীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো তদন্ত করে তাকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা থেকে রক্ষা করতে কক্সবাজারের পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নুসরাত ইয়াসমিন।