ঢাকা ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তীব্র গরমেও পর্যটকের ঢল, নোনাজলে খুঁজছে স্বস্তি দুই খুন ভাবিয়ে তুলেছে খোদ পুলিশকে চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাংয়ের হাতে খুন হলো চকরিয়ার কিশোর সাজিদ সাংগঠনিক গতি বাড়াতে এমজেএ কক্সবাজারের সভা, নতুন সদস্য আহ্বান ও উপ-কমিটি গঠন কুতুবদিয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে বরযাত্রীর গাড়ি, শিশুসহ ৪জন আহত নতুন গণমাধ্যম নিয়ে আসছেন সাকিব রামুতে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার টেকনাফে পূর্ব শত্রুতার জেরে বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ টেকনাফ ও ইনানী থেকে সাগর পথে মালয়েশিয়া যাত্রা: আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবি,উদ্ধার ৯, নিখোঁজ ২ শতাধিক সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না রোগীর সেবায় ২৪ ঘন্টা জরুরি বিভাগ সচল রাখতে হবে-এমপি কাজল ২ দিনের সফরে সোমবার কক্সবাজার আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জেলা কালেক্টরেট সহকারী সমিতির নতুন কমিটি: জুবাইর আহবায়ক, মিজান সদস্য চুরি-ছিনতাই রোধ, পরিবহন নিয়ন্ত্রণ ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা জনরায় উপেক্ষিত হলে দুর্বার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

কক্সবাজারের চার আসনের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল; কে কতো ভোটে জিতলেন

  • রাহুল মহাজন:
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 2014

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে কক্সবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনের বেসরকারি পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে রিটার্নিং অফিসার মো. আ. মান্নান এ ফলাফল ঘোষণা করেন। চারটি আসনেই বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।

আসনভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ তুলে ধরা হলো—

কক্সবাজার–১ (চকরিয়া–পেকুয়া)

চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪০ হাজার ৮৯০ জন।

এ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুক-এর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়।

পোস্টাল ব্যালটসহ ১৭৮টি কেন্দ্রে সালাহউদ্দিন আহমদ পেয়েছেন ২ লাখ ২২ হাজার ১৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল্লাহ আল ফারুক পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৭২৮ ভোট।

৯২ হাজার ২৯১ ভোটের বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমদ।আসনটিতে মোট প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৬৭.০৬ শতাংশ।

কক্সবাজার–২ (মহেশখালী–কুতুবদিয়া)

দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী ও কুতুবদিয়া নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৮৫১ জন।

বিএনপির আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ এবং জামায়াতে ইসলামীর ড. এ এইচএম হামিদুর রহমান আজাদ ছিলেন প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী।

পোস্টাল ব্যালটসহ ১২৫টি কেন্দ্রে আলমগীর ফরিদ পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৪৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হামিদুর রহমান আজাদ পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৮৯ ভোট।

৩৩ হাজার ৬৫৪ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন আলমগীর ফরিদ।আসনটিতে মোট প্রদত্ত ভোট ৬০.০০ শতাংশ।

কক্সবাজার–৩ (সদর–রামু–ঈদগাঁও)

সদর উপজেলা, রামু ও ঈদগাঁও নিয়ে গঠিত জেলার সর্বোচ্চ ভোটারসংবলিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪৫ হাজার ৯৬৩ জন।

বিএনপির লুৎফুর রহমান কাজল এবং জামায়াতে ইসলামীর শহীদুল আলম বাহাদুর-এর মধ্যে হয় মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা।

পোস্টাল ব্যালটসহ ১৮৩টি কেন্দ্রে লুৎফুর রহমান কাজল পেয়েছেন ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৬ ভোট। শহীদুল আলম বাহাদুর পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৮২৭ ভোট।

২০ হাজার ২৬৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন লুৎফুর রহমান কাজল।আসনটিতে মোট প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৬৫.৩১ শতাংশ।

কক্সবাজার–৪ (উখিয়া–টেকনাফ)

উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৬৮৮ জন।

বিএনপির জেলা সভাপতি শাহাজাহান চৌধুরী এবং জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির নূর আহমদ আনোয়ারী ছিলেন প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী।

পোস্টাল ব্যালটসহ ১১৬টি কেন্দ্রে শাহাজাহান চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ২৩ হাজার ৫৮২ ভোট। নূর আহমদ আনোয়ারী পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৩৩ ভোট।

মাত্র ১ হাজার ৫৪৯ ভোটের স্বল্প ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন শাহাজাহান চৌধুরী।আসনটিতে মোট প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৬৭.৯৪ শতাংশ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র গরমেও পর্যটকের ঢল, নোনাজলে খুঁজছে স্বস্তি

কক্সবাজারের চার আসনের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল; কে কতো ভোটে জিতলেন

আপডেট সময় : ০৩:৪৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে কক্সবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনের বেসরকারি পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে রিটার্নিং অফিসার মো. আ. মান্নান এ ফলাফল ঘোষণা করেন। চারটি আসনেই বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।

আসনভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ তুলে ধরা হলো—

কক্সবাজার–১ (চকরিয়া–পেকুয়া)

চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪০ হাজার ৮৯০ জন।

এ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুক-এর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়।

পোস্টাল ব্যালটসহ ১৭৮টি কেন্দ্রে সালাহউদ্দিন আহমদ পেয়েছেন ২ লাখ ২২ হাজার ১৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল্লাহ আল ফারুক পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৭২৮ ভোট।

৯২ হাজার ২৯১ ভোটের বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমদ।আসনটিতে মোট প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৬৭.০৬ শতাংশ।

কক্সবাজার–২ (মহেশখালী–কুতুবদিয়া)

দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী ও কুতুবদিয়া নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৮৫১ জন।

বিএনপির আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ এবং জামায়াতে ইসলামীর ড. এ এইচএম হামিদুর রহমান আজাদ ছিলেন প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী।

পোস্টাল ব্যালটসহ ১২৫টি কেন্দ্রে আলমগীর ফরিদ পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৪৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হামিদুর রহমান আজাদ পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৮৯ ভোট।

৩৩ হাজার ৬৫৪ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন আলমগীর ফরিদ।আসনটিতে মোট প্রদত্ত ভোট ৬০.০০ শতাংশ।

কক্সবাজার–৩ (সদর–রামু–ঈদগাঁও)

সদর উপজেলা, রামু ও ঈদগাঁও নিয়ে গঠিত জেলার সর্বোচ্চ ভোটারসংবলিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪৫ হাজার ৯৬৩ জন।

বিএনপির লুৎফুর রহমান কাজল এবং জামায়াতে ইসলামীর শহীদুল আলম বাহাদুর-এর মধ্যে হয় মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা।

পোস্টাল ব্যালটসহ ১৮৩টি কেন্দ্রে লুৎফুর রহমান কাজল পেয়েছেন ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৬ ভোট। শহীদুল আলম বাহাদুর পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৮২৭ ভোট।

২০ হাজার ২৬৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন লুৎফুর রহমান কাজল।আসনটিতে মোট প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৬৫.৩১ শতাংশ।

কক্সবাজার–৪ (উখিয়া–টেকনাফ)

উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৬৮৮ জন।

বিএনপির জেলা সভাপতি শাহাজাহান চৌধুরী এবং জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির নূর আহমদ আনোয়ারী ছিলেন প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী।

পোস্টাল ব্যালটসহ ১১৬টি কেন্দ্রে শাহাজাহান চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ২৩ হাজার ৫৮২ ভোট। নূর আহমদ আনোয়ারী পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৩৩ ভোট।

মাত্র ১ হাজার ৫৪৯ ভোটের স্বল্প ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন শাহাজাহান চৌধুরী।আসনটিতে মোট প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৬৭.৯৪ শতাংশ।