ঢাকা ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে বিএনসিসি এর দায়িত্ব পালন শাহজাহান-আনোয়ারীর লড়াই জমালো যে ‘ভোটব্যাংক’ তারেক রহমানের সাথে আলমগীর ফরিদের শুভেচ্ছা বিনিময় উখিয়ায় নির্বাচন পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বন্ধে এনসিপির আহবান কক্সবাজারের চারটি আসনে ১০ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত চকরিয়ার ফুলের রাজ্যে ২ কোটি টাকার ফুল বিক্রি ঢাকায় সালাহউদ্দিনের সাথে আলমগীর ফরিদ, ‘জয়ের আনন্দ ভাগাভাগি’ মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার: রাষ্ট্রের প্রশ্নে আপসহীনতা মহেশখালীর সাতদিনব্যাপী আদিনাথ মেলা শুরু আগামীকাল থেকে কক্সবাজার ৪ সহ ৩০টি আসনে জয়ীদের শপথ স্থগিতে আইনী পদক্ষেপ নেবে জামায়াত প্রতিটি অঙ্গীকার পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করব: তারেক রহমান চাঁদাবাজদের পুলিশে দিন,সাহসিকতার জন্যে দেয়া হবে পুরস্কার- লুৎফুর রহমান কাজল তারেকের শপথে মোদীকে আমন্ত্রণ জানাবে বিএনপি: ডব্লিউআইওএন কক্সবাজারে বিএনপির দাপট: সালাহউদ্দিন ৪, ফরিদ ৩, কাজল ২ ও শাহজাহান ৫ বার এমপি জনরায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে নতুন সরকার: ড. আলী রিয়াজ

উখিয়া-টেকনাফে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন ড. হাবিবুর রহমান

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষক, সাবেক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক এবং সমাজসেবক ড. হাবিবুর রহমান।

তিনি উখিয়া-টেকনাফের সীমান্ত ঘেঁষা এলাকার, সাবরাং ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের শাহপরীর দ্বীপ বাজারপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম হাজী নবী হোসেন একজন দানবীর ছিলেন, যিনি ওই এলাকার দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন সবসময়। পরিবারের সেই সামাজিক দায়বদ্ধতার উত্তরাধিকার বহন করে ড. হাবিবুর রহমান নিজেও দেশ-বিদেশে অর্জিত অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানকে জনসেবায় কাজে লাগানোর প্রত্যয়ে রাজনীতির ময়দানে অবতীর্ণ হচ্ছেন।

ড. হাবিবুর রহমান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের একজন সাবেক সহকারী অধ্যাপক। এরপর দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করে আসছেন। বর্তমানে তিনি কাতারের আমিরের দিওয়ানে আন্তর্জাতিক ইতিহাস ও গবেষণা বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে কর্মরত। পাশাপাশি তিনি New Horizon CLC Bangladesh নামক একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন, যা শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ড. হাবিবুর রহমান বলেন, “আমি শাসক নয়, জনগণের সেবক হতে চাই। আমার নির্বাচনে আসার মূল কারণ হচ্ছে—উখিয়া-টেকনাফের মানুষকে সত্যিকারের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা দেওয়া। তারা দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত, ভুল রাজনীতির বলি এবং নানা সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। এই চিত্র পাল্টানোর সময় এখনই।”

ড. হাবিবুর রহমান জানান, তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও তার পেছনে কোনো বিশেষ মহলের স্বার্থ বা এজেন্ডা নেই। তাঁর একমাত্র লক্ষ্য—এই অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা। তিনি যে কয়টি খাতকে প্রাধান্য দিচ্ছেন তা হলো:

উখিয়া-টেকনাফ এলাকায় কোনো উল্লেখযোগ্য শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠেনি। ড. হাবিবুর রহমান জানান, তাঁর পরিকল্পনায় রয়েছে পরিবেশবান্ধব, টেকসই শিল্প গড়ে তোলা এবং স্থানীয়দের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।

তিনি বলেন,“তরুণরা আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদের প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তুলতে হবে। কারিগরি প্রশিক্ষণ, আইটি সেন্টার এবং প্রযুক্তি-ভিত্তিক শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করাই আমার অগ্রাধিকার।”

তিনি গ্রামীণ অঞ্চলে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবার অভাব তুলে ধরে বলেন, “আধুনিক হাসপাতাল, ক্লিনিক ও সুলভ চিকিৎসার ব্যবস্থা করব যাতে সাধারণ মানুষ আর কষ্ট না পায়। এছাড়া উখিয়া-টেকনাফ দীর্ঘদিন ধরে মাদক চোরাচালান, মানবপাচার ও অপহরণের গর্ভাধারায় পরিণত হয়েছে। ড. হাবিব এই সমস্যাগুলোর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

ড. হাবিবুর রহমান বলেন,“উখিয়া-টেকনাফে নানা ধর্ম, বর্ণ ও জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করে। এখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে হলে জননেতার উচিত সবার কথা শোনা এবং সবার সঙ্গে সমান আচরণ করা। আমি সেটাই করব।”

ড. হাবিবুর রহমান সব শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন,“আপনারাই আমার শক্তি। আমি কোনো দলের প্রতিনিধিত্ব করি না, করি জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে। এই এলাকার সন্তান হিসেবে আমি দায়বদ্ধ আপনাদের কাছে। আমাকে সহযোগিতা করুন, আপনাদের সঙ্গে নিয়েই আমরা গড়ব এক নতুন উখিয়া-টেকনাফ।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে বিএনসিসি এর দায়িত্ব পালন

This will close in 6 seconds

উখিয়া-টেকনাফে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন ড. হাবিবুর রহমান

আপডেট সময় : ০৭:৫৩:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষক, সাবেক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক এবং সমাজসেবক ড. হাবিবুর রহমান।

তিনি উখিয়া-টেকনাফের সীমান্ত ঘেঁষা এলাকার, সাবরাং ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের শাহপরীর দ্বীপ বাজারপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম হাজী নবী হোসেন একজন দানবীর ছিলেন, যিনি ওই এলাকার দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন সবসময়। পরিবারের সেই সামাজিক দায়বদ্ধতার উত্তরাধিকার বহন করে ড. হাবিবুর রহমান নিজেও দেশ-বিদেশে অর্জিত অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানকে জনসেবায় কাজে লাগানোর প্রত্যয়ে রাজনীতির ময়দানে অবতীর্ণ হচ্ছেন।

ড. হাবিবুর রহমান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের একজন সাবেক সহকারী অধ্যাপক। এরপর দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করে আসছেন। বর্তমানে তিনি কাতারের আমিরের দিওয়ানে আন্তর্জাতিক ইতিহাস ও গবেষণা বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে কর্মরত। পাশাপাশি তিনি New Horizon CLC Bangladesh নামক একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন, যা শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ড. হাবিবুর রহমান বলেন, “আমি শাসক নয়, জনগণের সেবক হতে চাই। আমার নির্বাচনে আসার মূল কারণ হচ্ছে—উখিয়া-টেকনাফের মানুষকে সত্যিকারের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা দেওয়া। তারা দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত, ভুল রাজনীতির বলি এবং নানা সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। এই চিত্র পাল্টানোর সময় এখনই।”

ড. হাবিবুর রহমান জানান, তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও তার পেছনে কোনো বিশেষ মহলের স্বার্থ বা এজেন্ডা নেই। তাঁর একমাত্র লক্ষ্য—এই অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা। তিনি যে কয়টি খাতকে প্রাধান্য দিচ্ছেন তা হলো:

উখিয়া-টেকনাফ এলাকায় কোনো উল্লেখযোগ্য শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠেনি। ড. হাবিবুর রহমান জানান, তাঁর পরিকল্পনায় রয়েছে পরিবেশবান্ধব, টেকসই শিল্প গড়ে তোলা এবং স্থানীয়দের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।

তিনি বলেন,“তরুণরা আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদের প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তুলতে হবে। কারিগরি প্রশিক্ষণ, আইটি সেন্টার এবং প্রযুক্তি-ভিত্তিক শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করাই আমার অগ্রাধিকার।”

তিনি গ্রামীণ অঞ্চলে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবার অভাব তুলে ধরে বলেন, “আধুনিক হাসপাতাল, ক্লিনিক ও সুলভ চিকিৎসার ব্যবস্থা করব যাতে সাধারণ মানুষ আর কষ্ট না পায়। এছাড়া উখিয়া-টেকনাফ দীর্ঘদিন ধরে মাদক চোরাচালান, মানবপাচার ও অপহরণের গর্ভাধারায় পরিণত হয়েছে। ড. হাবিব এই সমস্যাগুলোর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

ড. হাবিবুর রহমান বলেন,“উখিয়া-টেকনাফে নানা ধর্ম, বর্ণ ও জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করে। এখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে হলে জননেতার উচিত সবার কথা শোনা এবং সবার সঙ্গে সমান আচরণ করা। আমি সেটাই করব।”

ড. হাবিবুর রহমান সব শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন,“আপনারাই আমার শক্তি। আমি কোনো দলের প্রতিনিধিত্ব করি না, করি জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে। এই এলাকার সন্তান হিসেবে আমি দায়বদ্ধ আপনাদের কাছে। আমাকে সহযোগিতা করুন, আপনাদের সঙ্গে নিয়েই আমরা গড়ব এক নতুন উখিয়া-টেকনাফ।”