ঢাকা ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আর্জেন্টিনার নীল-সাদা রঙে রাঙল টেকনাফ যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষায় কক্সবাজারের সন্তান শামীমুর রহমান ২০২৬ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত সময়সূচি ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে মা ও ছেলের মৃত্যু: এলাকায় শোকের ছায়া কক্সবাজারে মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬.৩ ডিগ্রি, দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন মহেশখালীতে মাছ ধরার সময় হিটস্ট্রোকে জেলের মৃত্যু সেন্টমার্টিনে বিশাল অজগর ! উখিয়া থেকে অপহৃত যুবক টেকনাফে উদ্ধার বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ উখিয়ার আলোচিত ‘মা’ হত্যাকান্ডে ন্যায়বিচার চাওয়া স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে অব্যাহতি প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর: চকরিয়া-পেকুয়ায় একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও জনসভায় ভাষণ দেবেন পিকআপভর্তি চোলাই মদ জব্দ, আটক ৫ ৩৬ বছরে পদার্পণ করলো দৈনিক কক্সবাজার মহেশখালী উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি ফারুক, সা: সম্পাদক- আজিজ বড় বাজারে হাত বাড়ালেই মিলছে ইয়াবা,ফেনসিডিলসহ কয়েক প্রকার মাদক:নেপথ্যে “কিং”!

উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প লাগোয়া সরকারি জায়গায় ‘রহস্যজনক’ স্থাপনা!

কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের পাশে উখিয়ার কুতুপালংয়ে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের সরকারি জায়গা দখলে নিয়ে প্রকাশ্যে স্থাপনা নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় একটি চক্র।

কুতুপালং বাজার থেকে ৪শত মিটার অদূরে আমগাছ তলা নামক এলাকায় ২ ডব্লিউ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কাঁটাতার লাগোয়া ঐ স্থানে ইতিমধ্যে গড়ে তোলা দুইটি আধাপাকা গুদামঘর এবং আরো একটি স্থাপনা নির্মাণাধীন।

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের উখিয়া রেঞ্জ ভুক্ত সদর বিটের আওতাধীন আনুমানিক ৫০ শতকের এই জায়গাটি কিছুদিন আগেও ছিলো উন্মুক্ত মাঠ, এলাকাবাসীর উদ্যোগে গত ২০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছিলো একটি তাফসিরুল কোরআন মাহফিল।

সূত্র বলছে, রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সুযোগে প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এই জায়গাটি দখলে নেন রাজাপালং ইউপির ৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ শরীফের পুত্র মোহাম্মদ শাহ আলম।

শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায়, নির্মিতব্য স্থাপনায় কাজ করছে ৭-৮ জন রোহিঙ্গা শ্রমিক।

গুদামঘর সাদৃশ্য স্থাপনাটি কেনো নির্মাণ করা হচ্ছে তা জানেন না সেখানে নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ৩ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা মোহাম্মদ ইলিয়াস (২৬) ।

স্থাপনার বিপরীত পাশে অবস্থিত পানের দোকানি মোহাম্মদ সিরাজ নিজেকে মোহাম্মদ শরীফের ‘মেয়ের জামাই’ পরিচয় দেন। জায়গাটি বনবিভাগের স্বীকার করে তিনি জানান, তার স্ত্রীর ভাই শাহ আলমই জায়গাটিতে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন।

এ বিষয়ে শাহ আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কল ধরেননি।

উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা শাহীনুর ইসলাম শাহীন প্রতিবেদক’কে বলেন, ” সংরক্ষিত বনাঞ্চলের জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ গুরুতর অপরাধ। স্থানটি পরিদর্শন করে বিধি অনুযায়ী বনবিভাগ ব্যবস্থা নিবে।”

সম্প্রতি উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে উখিয়ার বিভিন্ন স্থানে সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করা হয়েছে জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, ” সরকারি সম্পদ-জমি রক্ষায় প্রশাসনের কর্মতৎপরতা অব্যাহত আছে, কোনোভাবেই দখলদার তথা ভূমিদস্যুদের ছাড় দেওয়া হবে না।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প লাগোয়া সরকারি জায়গায় ‘রহস্যজনক’ স্থাপনা!

আপডেট সময় : ১২:১২:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের পাশে উখিয়ার কুতুপালংয়ে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের সরকারি জায়গা দখলে নিয়ে প্রকাশ্যে স্থাপনা নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় একটি চক্র।

কুতুপালং বাজার থেকে ৪শত মিটার অদূরে আমগাছ তলা নামক এলাকায় ২ ডব্লিউ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কাঁটাতার লাগোয়া ঐ স্থানে ইতিমধ্যে গড়ে তোলা দুইটি আধাপাকা গুদামঘর এবং আরো একটি স্থাপনা নির্মাণাধীন।

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের উখিয়া রেঞ্জ ভুক্ত সদর বিটের আওতাধীন আনুমানিক ৫০ শতকের এই জায়গাটি কিছুদিন আগেও ছিলো উন্মুক্ত মাঠ, এলাকাবাসীর উদ্যোগে গত ২০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছিলো একটি তাফসিরুল কোরআন মাহফিল।

সূত্র বলছে, রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সুযোগে প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এই জায়গাটি দখলে নেন রাজাপালং ইউপির ৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ শরীফের পুত্র মোহাম্মদ শাহ আলম।

শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায়, নির্মিতব্য স্থাপনায় কাজ করছে ৭-৮ জন রোহিঙ্গা শ্রমিক।

গুদামঘর সাদৃশ্য স্থাপনাটি কেনো নির্মাণ করা হচ্ছে তা জানেন না সেখানে নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ৩ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা মোহাম্মদ ইলিয়াস (২৬) ।

স্থাপনার বিপরীত পাশে অবস্থিত পানের দোকানি মোহাম্মদ সিরাজ নিজেকে মোহাম্মদ শরীফের ‘মেয়ের জামাই’ পরিচয় দেন। জায়গাটি বনবিভাগের স্বীকার করে তিনি জানান, তার স্ত্রীর ভাই শাহ আলমই জায়গাটিতে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন।

এ বিষয়ে শাহ আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কল ধরেননি।

উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা শাহীনুর ইসলাম শাহীন প্রতিবেদক’কে বলেন, ” সংরক্ষিত বনাঞ্চলের জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ গুরুতর অপরাধ। স্থানটি পরিদর্শন করে বিধি অনুযায়ী বনবিভাগ ব্যবস্থা নিবে।”

সম্প্রতি উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে উখিয়ার বিভিন্ন স্থানে সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করা হয়েছে জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, ” সরকারি সম্পদ-জমি রক্ষায় প্রশাসনের কর্মতৎপরতা অব্যাহত আছে, কোনোভাবেই দখলদার তথা ভূমিদস্যুদের ছাড় দেওয়া হবে না।