ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কউকের নতুন চেয়ারম্যান পেকুয়ার প্রকৌশলী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চ মাতাবেন বাংলাদেশি তারকা সঞ্জয় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কৃত নেতার অপপ্রচারে কক্সবাজার যুবদলের ব্যাখ্যা টেকনাফ পৌর জামায়াতের সভায় জেলা আমীর আনোয়ারী – “সীমান্ত জনপদের অধিবাসীরা আতঙ্কে দিনাতিপাত করছে “ কক্সবাজারে মানব পাচার প্রতিরোধে সমন্বয় সভা: সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান ১৯৭৯ সালে রেজুখালে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিরল আলোকচিত্র নৌপরিবহন খাতের আধুনিকায়নে মাতারবাড়ী ও বে-টার্মিনাল নির্মাণে জোর পর্যটন খাতে জিডিপিতে ৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ ‘ছাত্রলীগ’ ট্যাগ দিয়ে চকরিয়ায় সাংবাদিক রাজু ও তার পরিবারকে হেনস্থা : ক্র্যাকের নিন্দা লামায় বিধবা নারীকে ধর্ষণচেষ্টা ও তার শিশু সন্তান অপহরণের চেষ্টা দি কক্সবাজার কোয়েশ্চেন : সমুদ্র, সভ্যতা এবং রাষ্ট্র’র সংকট মদের দাম বাড়ল জেনে নিন ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথমবার চালু হওয়া একগুচ্ছ নতুন নিয়ম

আ.লীগের ক্ষমতা পাকাপাকি করতেই শাপলা চত্বরে গণহত্যা: প্রেস সচিব

  • টিটিএন ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৭:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 330

শফিকুল আলম (ফাইল ছবি)

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, আওয়ামী সরকারের ক্ষমতার পাকাপাকি বন্দোবস্ত করতেই শাপলা চত্বরে গণহত্যা চালানো হয়।

শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ড নিয়ে ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।

শফিকুল আলম বলেন, ‘ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস গ্রুপগুলো বলে শাপলা চত্বরের ঘটনায় ৬০-৬১ জন মারা গেছে। আর হেফাজত বলে এখানে কয়েক হাজার মানুষ মারা গেছে। কোনটা সত্য এটা জানার জন্য আমার মনে হয় হেফাজতের এখানে একটা রোল আছে। হেফাজতের উচিত, নিজে রিসার্চ করে বলা, কত জন মারা গেছে, কারা কারা মারা গেছে।’

১২ বছর আগে (২০১৩ সাল) ২৮ ফেব্রুয়ারি মাওলানা সাঈদীর ফাঁসির রায়ের সময় ভয়াবহ একটা হত্যাকাণ্ড হয়েছে। আমি তখন জার্নালিজম করছি। সারা দেশে আমি ১৩০-১৩২ জনের মৃত্যুর সংখ্যা গুণেছি। ২৮ ফেব্রুয়ারি ও ১ মার্চ ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড হয়েছে। ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে বিএনপিপন্থি প্রচুর ছেলেকে গুম করা হয়। কেউ বলে ২৪ জন, কেউ বলে ১৮ জনকে উধাও করা হয়েছে। তাদের এখনও পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশের ইতিহাসে একসঙ্গে এতগুলো মানুষ গুমের ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি।

তিনি বলেন, ‘২০১৩ সালটা বাংলাদেশের জন্য একটা ভয়াবহ বছর। সেই বছরের এপ্রিলেও একটা হত্যাকাণ্ড হয়েছে। ২০১৩ সালের পুরোটার কালমিন্যাশান হলো ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচন।’

শফিকুল আলম বলেন, ‘শেখ হাসিনার আমলে হওয়া সব গুম-হত্যার বিচার করতে ইচ্ছুক অন্তর্বর্তী সরকার। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে হওয়া গুম নিয়ে তদন্ত চলছে। তবে জুলাই হত্যাকাণ্ডকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার।’ এটি করার জন্য সরকারকে সময় দিয়ে সবাইব ধৈর্য্য ধরার আহ্বান জানান তিনি।

ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে ‘ক্ষমতা হারানোর ভয়েই আওয়ামী সরকার শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে’ শীর্ষক ছায়া সংসদে অংশগ্রহণ করে তা’ মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা ও তানযীমুল উম্মাহ আলিম মাদ্রাসা। এতে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কউকের নতুন চেয়ারম্যান পেকুয়ার প্রকৌশলী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন

আ.লীগের ক্ষমতা পাকাপাকি করতেই শাপলা চত্বরে গণহত্যা: প্রেস সচিব

আপডেট সময় : ০৯:৩৭:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, আওয়ামী সরকারের ক্ষমতার পাকাপাকি বন্দোবস্ত করতেই শাপলা চত্বরে গণহত্যা চালানো হয়।

শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ড নিয়ে ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।

শফিকুল আলম বলেন, ‘ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস গ্রুপগুলো বলে শাপলা চত্বরের ঘটনায় ৬০-৬১ জন মারা গেছে। আর হেফাজত বলে এখানে কয়েক হাজার মানুষ মারা গেছে। কোনটা সত্য এটা জানার জন্য আমার মনে হয় হেফাজতের এখানে একটা রোল আছে। হেফাজতের উচিত, নিজে রিসার্চ করে বলা, কত জন মারা গেছে, কারা কারা মারা গেছে।’

১২ বছর আগে (২০১৩ সাল) ২৮ ফেব্রুয়ারি মাওলানা সাঈদীর ফাঁসির রায়ের সময় ভয়াবহ একটা হত্যাকাণ্ড হয়েছে। আমি তখন জার্নালিজম করছি। সারা দেশে আমি ১৩০-১৩২ জনের মৃত্যুর সংখ্যা গুণেছি। ২৮ ফেব্রুয়ারি ও ১ মার্চ ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড হয়েছে। ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে বিএনপিপন্থি প্রচুর ছেলেকে গুম করা হয়। কেউ বলে ২৪ জন, কেউ বলে ১৮ জনকে উধাও করা হয়েছে। তাদের এখনও পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশের ইতিহাসে একসঙ্গে এতগুলো মানুষ গুমের ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি।

তিনি বলেন, ‘২০১৩ সালটা বাংলাদেশের জন্য একটা ভয়াবহ বছর। সেই বছরের এপ্রিলেও একটা হত্যাকাণ্ড হয়েছে। ২০১৩ সালের পুরোটার কালমিন্যাশান হলো ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচন।’

শফিকুল আলম বলেন, ‘শেখ হাসিনার আমলে হওয়া সব গুম-হত্যার বিচার করতে ইচ্ছুক অন্তর্বর্তী সরকার। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে হওয়া গুম নিয়ে তদন্ত চলছে। তবে জুলাই হত্যাকাণ্ডকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার।’ এটি করার জন্য সরকারকে সময় দিয়ে সবাইব ধৈর্য্য ধরার আহ্বান জানান তিনি।

ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে ‘ক্ষমতা হারানোর ভয়েই আওয়ামী সরকার শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে’ শীর্ষক ছায়া সংসদে অংশগ্রহণ করে তা’ মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা ও তানযীমুল উম্মাহ আলিম মাদ্রাসা। এতে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।