ঢাকা ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজার -০৪: উখিয়া-টেকনাফের ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি? কক্সবাজার -০৩: সদর-রামু-ঈদগাঁওর ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি? কক্সবাজার-০২: মহেশখালী-কুতুবদিয়ায় ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি কক্সবাজার ০১- : চকরিয়া-পেকুয়া উপজেলায় ভোটার কতো, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি? নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের সুরক্ষায় কক্সবাজারে ক্র্যাকের ‘জরুরি সহায়তা সেল’ গঠন প্রার্থীরা কে কোথায় ভোট দেবেন? কোনো অবস্থাতেই নির্বাচনের মাঠ ছাড়বে না জামায়াত গুলশানে ভোট দেবেন প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনে নারীদের নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ চায় জাতিসংঘ টেকনাফে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ নির্বাচন সামনে রেখে কক্সবাজারে সম্মুখ সারির ৬জুলাই যোদ্ধার ছাত্রদলে যোগদান ​কক্সবাজার-৩ আসনে জগদীশ বড়ুয়ার সমর্থন প্রত্যাহার করলো লেবার পার্টি পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মী কেন্দ্রে স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে নির্বাচন: কেন্দ্রে যাচ্ছে ব্যালট পেপার ৪ টি আসনে কেন্দ্র ৫৯৮,কক্ষ ৩,৬৮৯, পোলিং প্রিসাইডিং ১২,২৫১,আইনশৃঙ্খলা সদস্য ১৩,৪৯৯

আটকে রাখা জাহাজ ১৬ দিন পর ছেড়েছে আরাকান আর্মি

১৬ দিন পর আটক করা পণ্যবাহী জাহাজ ছেড়ে দিয়েছে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১টায় পণ্যবাহী জাহাজটি টেকনাফ স্থলবন্দর ঘাটে এসে পৌঁছেছে।

এর আগে আরাকান আর্মির হেফাজতে থাকা দুটি জাহাজ ২০ জানুয়ারি টেকনাফ স্থলবন্দরের পৌঁছেছিল।

আজকে একটি জাহাজ পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ স্থলবন্দর ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্টের ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, এর আগে দুটি পণ্যবাহী জাহাজ আরাকান আর্মির হেফাজত থেকে মুক্তি পেয়েছিল। জাহাজগুলো মালামাল খালাস করে ইয়াংগুনে ফিরে গেছে।

তিনি বলেন, ১৬ দিন পর আরাকান আর্মির হাতে আটক জাহাজটিও ছাড়া পেয়েছি। সেটি ঘাটে আছে। আমাদের কার্যক্রম শেষে মালামাল খলাস করা হবে।

গত ১৬ জানুয়ারি দুপুরে মিয়ানমারের ইয়াংগুন থেকে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে আসার পথে নাফ নদের মোহনায় পণ্যবাহী তিনটি জাহাজ আটকে দেয় আরাকান আর্মি। এসব জাহাজে ৫০ হাজার বস্তা শুঁটকি, সুপারি, কপিসহ বিভিন্ন মালামাল রয়েছে। এর মধ্যে গত ২০ জানুয়ারি দুটি জাহাজ ছেড়ে দিয়েছিল। সেখানে ২৭ হাজার ৭২২ বস্তা মালামাল ছিল।

এ বিষয়ে টেকনাফ স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও ব্যবসায়ী এহতেশামুল হক বাহাদুর বলেন, ১৬ দিন পর আটকে থাকা পণ্যবাহী জাহাজ ছেড়ে দেয় আরাকান আর্মি। এই মুহূর্তে জাহাজটি ঘাটে পৌঁছেছে। ফলে ব্যবসায়ীদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। তবে এসব পণ্যবাহী জাহাজ আটক করার পর ইয়াংগুন থেকে কোনও পণ্যবাহী নৌযান আসেনি।

স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেড় মাস পর ১৬ জানুয়ারি ইয়াংগুন থেকে কয়েকজন ব্যবসায়ীর পণ্যবাহী জাহাজ টেকনাফ স্থলবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় নাফ নদের মোহনায় সে দেশের জলসীমানায় নাইক্ষ্যংদিয়া নামক এলাকায় তল্লাশির নামে এসব আটকে দিয়েছিল আরাকান আর্মি। এর মধ্যে আচার, শুঁটকি, সুপারি, কপিসহ ৫০ হাজারের বেশি বস্তা পণ্য রয়েছে। এসব পণ্য স্থলবন্দরের ব্যবসায়ী শওকত আলী, ওমর ফারুক, আয়াছ, এম এ হাসেম, ওমর ওয়াহিদ, আবদুর শুক্কুর সাদ্দামসহ অনেকের। সর্বশেষ গত সোমবার সকালে সাতুরু এবং এমবি হারকিউলিস নামে দুটি পণ্যবাহী জাহাজ ফেরত এলেও একটি আরাকান আর্মির হেফাজতে ছিল। সেটিও শনিবার ছেড়ে দিয়েছে। এই জাহাজে ৩০ হাজারের বেশি বস্তা মালামাল রয়েছে।

এ বিষয়ে আমদানি কারক মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, ‘আরাকান আর্মির হাত থেকে ১৬ দিন পর পণ্যবাহী জাহাজ ছাড়া পেয়ে এসেছে। সেখানে আমাদের ১৬০০ বস্তা শুঁটকি রয়েছে। ফলে ব্যবসায়ীদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, আরও একটি পণ্যবাহী জাহাজ ঘাটে পৌঁছেছে।।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজার -০৪: উখিয়া-টেকনাফের ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি?

This will close in 6 seconds

আটকে রাখা জাহাজ ১৬ দিন পর ছেড়েছে আরাকান আর্মি

আপডেট সময় : ০৯:৩২:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

১৬ দিন পর আটক করা পণ্যবাহী জাহাজ ছেড়ে দিয়েছে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১টায় পণ্যবাহী জাহাজটি টেকনাফ স্থলবন্দর ঘাটে এসে পৌঁছেছে।

এর আগে আরাকান আর্মির হেফাজতে থাকা দুটি জাহাজ ২০ জানুয়ারি টেকনাফ স্থলবন্দরের পৌঁছেছিল।

আজকে একটি জাহাজ পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ স্থলবন্দর ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্টের ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, এর আগে দুটি পণ্যবাহী জাহাজ আরাকান আর্মির হেফাজত থেকে মুক্তি পেয়েছিল। জাহাজগুলো মালামাল খালাস করে ইয়াংগুনে ফিরে গেছে।

তিনি বলেন, ১৬ দিন পর আরাকান আর্মির হাতে আটক জাহাজটিও ছাড়া পেয়েছি। সেটি ঘাটে আছে। আমাদের কার্যক্রম শেষে মালামাল খলাস করা হবে।

গত ১৬ জানুয়ারি দুপুরে মিয়ানমারের ইয়াংগুন থেকে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে আসার পথে নাফ নদের মোহনায় পণ্যবাহী তিনটি জাহাজ আটকে দেয় আরাকান আর্মি। এসব জাহাজে ৫০ হাজার বস্তা শুঁটকি, সুপারি, কপিসহ বিভিন্ন মালামাল রয়েছে। এর মধ্যে গত ২০ জানুয়ারি দুটি জাহাজ ছেড়ে দিয়েছিল। সেখানে ২৭ হাজার ৭২২ বস্তা মালামাল ছিল।

এ বিষয়ে টেকনাফ স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও ব্যবসায়ী এহতেশামুল হক বাহাদুর বলেন, ১৬ দিন পর আটকে থাকা পণ্যবাহী জাহাজ ছেড়ে দেয় আরাকান আর্মি। এই মুহূর্তে জাহাজটি ঘাটে পৌঁছেছে। ফলে ব্যবসায়ীদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। তবে এসব পণ্যবাহী জাহাজ আটক করার পর ইয়াংগুন থেকে কোনও পণ্যবাহী নৌযান আসেনি।

স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেড় মাস পর ১৬ জানুয়ারি ইয়াংগুন থেকে কয়েকজন ব্যবসায়ীর পণ্যবাহী জাহাজ টেকনাফ স্থলবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় নাফ নদের মোহনায় সে দেশের জলসীমানায় নাইক্ষ্যংদিয়া নামক এলাকায় তল্লাশির নামে এসব আটকে দিয়েছিল আরাকান আর্মি। এর মধ্যে আচার, শুঁটকি, সুপারি, কপিসহ ৫০ হাজারের বেশি বস্তা পণ্য রয়েছে। এসব পণ্য স্থলবন্দরের ব্যবসায়ী শওকত আলী, ওমর ফারুক, আয়াছ, এম এ হাসেম, ওমর ওয়াহিদ, আবদুর শুক্কুর সাদ্দামসহ অনেকের। সর্বশেষ গত সোমবার সকালে সাতুরু এবং এমবি হারকিউলিস নামে দুটি পণ্যবাহী জাহাজ ফেরত এলেও একটি আরাকান আর্মির হেফাজতে ছিল। সেটিও শনিবার ছেড়ে দিয়েছে। এই জাহাজে ৩০ হাজারের বেশি বস্তা মালামাল রয়েছে।

এ বিষয়ে আমদানি কারক মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, ‘আরাকান আর্মির হাত থেকে ১৬ দিন পর পণ্যবাহী জাহাজ ছাড়া পেয়ে এসেছে। সেখানে আমাদের ১৬০০ বস্তা শুঁটকি রয়েছে। ফলে ব্যবসায়ীদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, আরও একটি পণ্যবাহী জাহাজ ঘাটে পৌঁছেছে।।