ঢাকা ০২:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক হিন্দুরা মন্দিরে মূর্তি বানাবে, মুসলমানরা মসজিদ বানাবে—সমস্যা কোথায়?’ সরকার মৌলিক পরিবর্তনের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে : শফিকুর রহমান কারা উঠল শেষ বত্রিশে, বাদ পড়ল কারা আজ পবিত্র আশুরা টেকনাফে মাছের ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা দেশে মোট গাঁজাখোর ৬১ লাখ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে কাজ করছে সরকার: নাইক্ষ্যংছড়িতে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু লামা পৌরসভার ১১ কোটি ২৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা গর্জনিয়ার মাঝিরকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি : সভাপতি ফরিদ উদ্দিন রামুর হাইটুপিতে রাখাইন তরুনীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার রামুর ২৬ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তীব্র শিক্ষক সংকট, ব্যাহত পাঠদান রোববার থেকে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা চালু হচ্ছে: হাইকমিশনার ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী ১০ ভূমিকম্প তিস্তাসহ দেশের বিভিন্ন নদীর ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা বাড়াতে ঢাকা-বেইজিং ঐকমত্য

আইপিএল নিলামে বাংলাদেশের রেকর্ড পারিশ্রমিকে কলকাতায় মুস্তাফিজ

  • টিটিএন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:২২:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 514

একটা পর্যায়ে মনে হচ্ছিল, ৪ কোটি ৬০ লাখ রুপিতেই বুঝি ফয়সালা হয়ে যাচ্ছে। বেশ কিছুক্ষণ কোনো পক্ষ থেকেই আর বাড়তি আগ্রহ দেখা যায়নি। নিলামকক্ষে তখন চাপা উত্তেজনা—হাতুড়ি পড়তে আর সামান্যই বাকি। কিন্তু ঠিক সেই শেষ মুহূর্তে নতুন করে জমে উঠল লড়াই। একের পর এক বিডে তরতরিয়ে বাড়তে থাকল মুস্তাফিজুর রহমানের পারিশ্রমিক। শেষ পর্যন্ত ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে গিয়ে থামল সেই দৌড়। আইপিএলের নিলামের টেবিলে কার্যত ঝড় তুলে বাংলাদেশের অভিজ্ঞ এই বাঁহাতি পেসারকে দলে ভিড়াল কলকাতা নাইট রাইডার্স।

এই পারিশ্রমিকের মাধ্যমে আইপিএলের ইতিহাসে বাংলাদেশের কোনো ক্রিকেটারের জন্য সর্বোচ্চ মূল্য পাওয়ার রেকর্ড গড়লেন মুস্তাফিজ। আগের রেকর্ডটিও ছিল তার নিজেরই। গত আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালস তাকে ৬ কোটি রুপিতে দলে নিয়েছিল। যদিও সেটি ছিল নিলামের বাইরে বদলি হিসেবে, আর পুরো মৌসুমের জন্যও নয়। তবুও সেই অঙ্কই এতদিন পর্যন্ত বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল।

নিলামের টেবিলে সরাসরি বিডের মাধ্যমে এতদিন বাংলাদেশের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার ছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। ২০০৯ সালের আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স তাকে ৬ লাখ ডলারে দলে নেয়, যা তখনকার বাজারদর অনুযায়ী ৪ কোটি রুপির কিছু বেশি ছিল। দীর্ঘদিন ধরে সেই রেকর্ড অক্ষত ছিল। প্রায় দেড় দশক পর এসে মুস্তাফিজ সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন মাইলফলক গড়লেন।

কলকাতার জন্য মুস্তাফিজের এই অন্তর্ভুক্তি শুধু আর্থিক দিক থেকেই নয়, কৌশলগত দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। অভিজ্ঞতা, বৈচিত্র্যময় কাটার আর চাপের মুহূর্তে বল করার সামর্থ্য—সব মিলিয়ে আইপিএলের মতো প্রতিযোগিতায় তার মূল্য যে কতটা, নিলামের শেষ মুহূর্তের এই তুমুল লড়াইই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্যও একটি বড় অর্জন, যা আন্তর্জাতিক ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে দেশের ক্রিকেটারদের বাজারমূল্য ও গ্রহণযোগ্যতা আরও এক ধাপ ওপরে তুলে ধরল।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক

আইপিএল নিলামে বাংলাদেশের রেকর্ড পারিশ্রমিকে কলকাতায় মুস্তাফিজ

আপডেট সময় : ০৮:২২:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

একটা পর্যায়ে মনে হচ্ছিল, ৪ কোটি ৬০ লাখ রুপিতেই বুঝি ফয়সালা হয়ে যাচ্ছে। বেশ কিছুক্ষণ কোনো পক্ষ থেকেই আর বাড়তি আগ্রহ দেখা যায়নি। নিলামকক্ষে তখন চাপা উত্তেজনা—হাতুড়ি পড়তে আর সামান্যই বাকি। কিন্তু ঠিক সেই শেষ মুহূর্তে নতুন করে জমে উঠল লড়াই। একের পর এক বিডে তরতরিয়ে বাড়তে থাকল মুস্তাফিজুর রহমানের পারিশ্রমিক। শেষ পর্যন্ত ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে গিয়ে থামল সেই দৌড়। আইপিএলের নিলামের টেবিলে কার্যত ঝড় তুলে বাংলাদেশের অভিজ্ঞ এই বাঁহাতি পেসারকে দলে ভিড়াল কলকাতা নাইট রাইডার্স।

এই পারিশ্রমিকের মাধ্যমে আইপিএলের ইতিহাসে বাংলাদেশের কোনো ক্রিকেটারের জন্য সর্বোচ্চ মূল্য পাওয়ার রেকর্ড গড়লেন মুস্তাফিজ। আগের রেকর্ডটিও ছিল তার নিজেরই। গত আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালস তাকে ৬ কোটি রুপিতে দলে নিয়েছিল। যদিও সেটি ছিল নিলামের বাইরে বদলি হিসেবে, আর পুরো মৌসুমের জন্যও নয়। তবুও সেই অঙ্কই এতদিন পর্যন্ত বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল।

নিলামের টেবিলে সরাসরি বিডের মাধ্যমে এতদিন বাংলাদেশের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার ছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। ২০০৯ সালের আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স তাকে ৬ লাখ ডলারে দলে নেয়, যা তখনকার বাজারদর অনুযায়ী ৪ কোটি রুপির কিছু বেশি ছিল। দীর্ঘদিন ধরে সেই রেকর্ড অক্ষত ছিল। প্রায় দেড় দশক পর এসে মুস্তাফিজ সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন মাইলফলক গড়লেন।

কলকাতার জন্য মুস্তাফিজের এই অন্তর্ভুক্তি শুধু আর্থিক দিক থেকেই নয়, কৌশলগত দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। অভিজ্ঞতা, বৈচিত্র্যময় কাটার আর চাপের মুহূর্তে বল করার সামর্থ্য—সব মিলিয়ে আইপিএলের মতো প্রতিযোগিতায় তার মূল্য যে কতটা, নিলামের শেষ মুহূর্তের এই তুমুল লড়াইই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্যও একটি বড় অর্জন, যা আন্তর্জাতিক ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে দেশের ক্রিকেটারদের বাজারমূল্য ও গ্রহণযোগ্যতা আরও এক ধাপ ওপরে তুলে ধরল।