ঢাকা ০৯:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানের নির্দেশনায় কক্সবাজারে কৃষক দলের ত্রাণ বিতরণ সম্পন্ন, উপকৃত ২২০ পরিবার কক্সবাজারে জগন্নাথদেবের রথযাত্রায় হাজারো ভক্তের অংশগ্রহণ ঝিলংজা ইউনিয়নে পাহাড় ধসে নিহত পরিবারে পাশে সরওয়ার সাইদ মিয়ানমারের উপকূলে দুই নৌকাডুবি, ৫ শতাধিক রোহিঙ্গার প্রাণহানির আশঙ্কা: জাতিসংঘ ২ দিনের সফরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কক্সবাজার আসছেন শুক্রবার বিশ্ব সাপ দিবস আজ লোহাগাড়ায় আসছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পরিদর্শন করবেন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা কক্সবাজারে জুলাই শহিদ দিবস পালিত জননেতা নুরুল আবছারের বাইপাস সার্জারি সফলভাবে সম্পন্ন : আইসিইউতে স্থানান্তর বিশ্বকাপ ফাইনালে গুরু-শিষ্যের ট্যাকটিক্যাল লড়াই আন্দোলনকারীদের অনেকেই প্রকৃত শিক্ষার্থী নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবু সাঈদ এই আন্দোলনের শহীদদের ইমাম: নাহিদ ইসলাম ৭৫ মিনিটের পর ১১ গোল: আর্জেন্টিনা যেন ঘুরে দাঁড়ানোর অন্য নাম ৭৫ মিনিটের পর ১১ গোল, ক্যারিশমাটিক কামব্যাকের মহাকাব্য লিখছে আর্জেন্টিনা শ্রাবণের প্রথম দিন আজ

আইপিএল নিলামে বাংলাদেশের রেকর্ড পারিশ্রমিকে কলকাতায় মুস্তাফিজ

  • টিটিএন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:২২:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 518

একটা পর্যায়ে মনে হচ্ছিল, ৪ কোটি ৬০ লাখ রুপিতেই বুঝি ফয়সালা হয়ে যাচ্ছে। বেশ কিছুক্ষণ কোনো পক্ষ থেকেই আর বাড়তি আগ্রহ দেখা যায়নি। নিলামকক্ষে তখন চাপা উত্তেজনা—হাতুড়ি পড়তে আর সামান্যই বাকি। কিন্তু ঠিক সেই শেষ মুহূর্তে নতুন করে জমে উঠল লড়াই। একের পর এক বিডে তরতরিয়ে বাড়তে থাকল মুস্তাফিজুর রহমানের পারিশ্রমিক। শেষ পর্যন্ত ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে গিয়ে থামল সেই দৌড়। আইপিএলের নিলামের টেবিলে কার্যত ঝড় তুলে বাংলাদেশের অভিজ্ঞ এই বাঁহাতি পেসারকে দলে ভিড়াল কলকাতা নাইট রাইডার্স।

এই পারিশ্রমিকের মাধ্যমে আইপিএলের ইতিহাসে বাংলাদেশের কোনো ক্রিকেটারের জন্য সর্বোচ্চ মূল্য পাওয়ার রেকর্ড গড়লেন মুস্তাফিজ। আগের রেকর্ডটিও ছিল তার নিজেরই। গত আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালস তাকে ৬ কোটি রুপিতে দলে নিয়েছিল। যদিও সেটি ছিল নিলামের বাইরে বদলি হিসেবে, আর পুরো মৌসুমের জন্যও নয়। তবুও সেই অঙ্কই এতদিন পর্যন্ত বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল।

নিলামের টেবিলে সরাসরি বিডের মাধ্যমে এতদিন বাংলাদেশের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার ছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। ২০০৯ সালের আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স তাকে ৬ লাখ ডলারে দলে নেয়, যা তখনকার বাজারদর অনুযায়ী ৪ কোটি রুপির কিছু বেশি ছিল। দীর্ঘদিন ধরে সেই রেকর্ড অক্ষত ছিল। প্রায় দেড় দশক পর এসে মুস্তাফিজ সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন মাইলফলক গড়লেন।

কলকাতার জন্য মুস্তাফিজের এই অন্তর্ভুক্তি শুধু আর্থিক দিক থেকেই নয়, কৌশলগত দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। অভিজ্ঞতা, বৈচিত্র্যময় কাটার আর চাপের মুহূর্তে বল করার সামর্থ্য—সব মিলিয়ে আইপিএলের মতো প্রতিযোগিতায় তার মূল্য যে কতটা, নিলামের শেষ মুহূর্তের এই তুমুল লড়াইই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্যও একটি বড় অর্জন, যা আন্তর্জাতিক ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে দেশের ক্রিকেটারদের বাজারমূল্য ও গ্রহণযোগ্যতা আরও এক ধাপ ওপরে তুলে ধরল।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানের নির্দেশনায় কক্সবাজারে কৃষক দলের ত্রাণ বিতরণ সম্পন্ন, উপকৃত ২২০ পরিবার

আইপিএল নিলামে বাংলাদেশের রেকর্ড পারিশ্রমিকে কলকাতায় মুস্তাফিজ

আপডেট সময় : ০৮:২২:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

একটা পর্যায়ে মনে হচ্ছিল, ৪ কোটি ৬০ লাখ রুপিতেই বুঝি ফয়সালা হয়ে যাচ্ছে। বেশ কিছুক্ষণ কোনো পক্ষ থেকেই আর বাড়তি আগ্রহ দেখা যায়নি। নিলামকক্ষে তখন চাপা উত্তেজনা—হাতুড়ি পড়তে আর সামান্যই বাকি। কিন্তু ঠিক সেই শেষ মুহূর্তে নতুন করে জমে উঠল লড়াই। একের পর এক বিডে তরতরিয়ে বাড়তে থাকল মুস্তাফিজুর রহমানের পারিশ্রমিক। শেষ পর্যন্ত ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে গিয়ে থামল সেই দৌড়। আইপিএলের নিলামের টেবিলে কার্যত ঝড় তুলে বাংলাদেশের অভিজ্ঞ এই বাঁহাতি পেসারকে দলে ভিড়াল কলকাতা নাইট রাইডার্স।

এই পারিশ্রমিকের মাধ্যমে আইপিএলের ইতিহাসে বাংলাদেশের কোনো ক্রিকেটারের জন্য সর্বোচ্চ মূল্য পাওয়ার রেকর্ড গড়লেন মুস্তাফিজ। আগের রেকর্ডটিও ছিল তার নিজেরই। গত আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালস তাকে ৬ কোটি রুপিতে দলে নিয়েছিল। যদিও সেটি ছিল নিলামের বাইরে বদলি হিসেবে, আর পুরো মৌসুমের জন্যও নয়। তবুও সেই অঙ্কই এতদিন পর্যন্ত বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল।

নিলামের টেবিলে সরাসরি বিডের মাধ্যমে এতদিন বাংলাদেশের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার ছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। ২০০৯ সালের আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স তাকে ৬ লাখ ডলারে দলে নেয়, যা তখনকার বাজারদর অনুযায়ী ৪ কোটি রুপির কিছু বেশি ছিল। দীর্ঘদিন ধরে সেই রেকর্ড অক্ষত ছিল। প্রায় দেড় দশক পর এসে মুস্তাফিজ সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন মাইলফলক গড়লেন।

কলকাতার জন্য মুস্তাফিজের এই অন্তর্ভুক্তি শুধু আর্থিক দিক থেকেই নয়, কৌশলগত দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। অভিজ্ঞতা, বৈচিত্র্যময় কাটার আর চাপের মুহূর্তে বল করার সামর্থ্য—সব মিলিয়ে আইপিএলের মতো প্রতিযোগিতায় তার মূল্য যে কতটা, নিলামের শেষ মুহূর্তের এই তুমুল লড়াইই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্যও একটি বড় অর্জন, যা আন্তর্জাতিক ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে দেশের ক্রিকেটারদের বাজারমূল্য ও গ্রহণযোগ্যতা আরও এক ধাপ ওপরে তুলে ধরল।