ঢাকা ০৬:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সদ্য সাবেক কউক চেয়ারম্যানের বড় ভাই আলাউদ্দিন রাজা মারা গেছেন কক্সবাজার সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভর্তি পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় ছাত্রদলের মানবিক উদ্যোগ টেকনাফে ৯০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩ পেকুয়ার জাহেদ পেলেন পিপিএম পদক আসছে পুলিশের নতুন ইউনিট হাসপাতাল, হাট-বাজার, সমুদ্র সৈকত : ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাস প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পেকুয়ায় ‘ইউসুফ আলী’ হত্যাকান্ডে জড়িত তিন আসামি গ্রেফতার বিশ্ব পর্যটন দিবস : ১৩ ক্যাটাগরিতে দেওয়া হবে ‘বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার’ উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুই সিএনজির সংঘর্ষ, নিহত ১; আহত ৮ ফ্যাসিবাদীদেরকে তথ্য দিলে রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে ব্যবস্থা: পুলিশকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২ বছর পর পর্দা উঠলো পর্যটন মেলার, তারকামানের হোটেলে বিশেষ ছাড় কুতুবদিয়া থানা কাবাডি দলের জার্সি উন্মোচন কক্সবাজারে চোরাই মালামালসহ গ্রেপ্তার ২ কবি অমিত চৌধুরী কে পাওয়া গেছে : মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার কক্সবাজারে প্রাক্তন এডিসি আশরাফুল আফসার আর নেই

অপহরণ ও সন্ত্রাস দমনে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে চট্টগ্রামে উখিয়া-টেকনাফের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

  • নোমান অরুপ
  • আপডেট সময় : ০২:২১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৫
  • 442

উখিয়া টেকনাফে দিন দুপুরে অপহরণ বাণিজ্য ও প্রশাসনের নিরব ভুমিকার প্রতিবাদ এবং অপহরণ দমনে অভিযানের দাবিতে চট্টগ্রামস্থ উখিয়া-টেকনাফের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৫ ইং) দুপুর আড়াইটার দিকে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, উখিয়া টেকনাফের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যাল কলেজের শিক্ষার্থী, ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধনে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান অপহরণ, সন্ত্রাস এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সশস্ত্র গোষ্ঠীর কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ২০১৭ সালে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গ জনগোষ্ঠীর মধ্যে একটি সন্ত্রাসীগোষ্ঠী স্থানীয় জনপদে অবৈধ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড়গুলো সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দখলে, যারা অপহরণ, মুক্তি আদায়, এবং জমি দখলের মতো অপরাধে জড়িত।

একটি সংবাদ থেকে পাওয়া সূত্রে আন্দোলনকারিদের দাবি ২০২৪ সালে এক বছরে ১৮৭ জন অপহরণের শিকার হয়েছেন। এসব অপহরণের ফলে অনেক পরিবার আর্থিকভাবে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে, আর মুক্তিপন দিতে না পারায় বহু প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।

এসময় এই পরিস্থিতিতে টেকনাফ ও উখিয়ার সাধারণ জনগণ বিভিন্ন দাবি উপস্থাপন করেন।

দাবী সমূহ হল :
১. পাহাড়ে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী নির্মূলে নিয়মিত যৌথ অভিযান পরিচালনা।

২. অপহরণ চক্রের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত।

৩. রোহিঙ্গাদের অবাধ চলাফেরা বন্ধে কড়া নজরদারি এবং ক্যাম্প এলাকায় পুলিশ চৌকি স্থাপন।

৪. পাহাড় ও স্থানীয় লোকালয়ে নিয়মিত পুলিশি টহল এবং ড্রোন অভিযানের মাধ্যমে নজরদারি।

৫. পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

৬. সন্ত্রাসীদের কার্যক্রম নজরদারিতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার।

৭. ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা।

মানববন্ধন শেষে ডেপুটি ইনস্পেক্টর জেনারেল (চট্টগ্রাম রেঞ্জ) মহোদয় বরাবর টেকনাফ-উখিয়ার অপহরণ ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের দ্রুত প্রতিরোধের ব্যবস্থা নিতে ৭ দফা দাবি বিশিষ্ট একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সদ্য সাবেক কউক চেয়ারম্যানের বড় ভাই আলাউদ্দিন রাজা মারা গেছেন

অপহরণ ও সন্ত্রাস দমনে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে চট্টগ্রামে উখিয়া-টেকনাফের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০২:২১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৫

উখিয়া টেকনাফে দিন দুপুরে অপহরণ বাণিজ্য ও প্রশাসনের নিরব ভুমিকার প্রতিবাদ এবং অপহরণ দমনে অভিযানের দাবিতে চট্টগ্রামস্থ উখিয়া-টেকনাফের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৫ ইং) দুপুর আড়াইটার দিকে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, উখিয়া টেকনাফের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যাল কলেজের শিক্ষার্থী, ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধনে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান অপহরণ, সন্ত্রাস এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সশস্ত্র গোষ্ঠীর কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ২০১৭ সালে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গ জনগোষ্ঠীর মধ্যে একটি সন্ত্রাসীগোষ্ঠী স্থানীয় জনপদে অবৈধ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড়গুলো সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দখলে, যারা অপহরণ, মুক্তি আদায়, এবং জমি দখলের মতো অপরাধে জড়িত।

একটি সংবাদ থেকে পাওয়া সূত্রে আন্দোলনকারিদের দাবি ২০২৪ সালে এক বছরে ১৮৭ জন অপহরণের শিকার হয়েছেন। এসব অপহরণের ফলে অনেক পরিবার আর্থিকভাবে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে, আর মুক্তিপন দিতে না পারায় বহু প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।

এসময় এই পরিস্থিতিতে টেকনাফ ও উখিয়ার সাধারণ জনগণ বিভিন্ন দাবি উপস্থাপন করেন।

দাবী সমূহ হল :
১. পাহাড়ে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী নির্মূলে নিয়মিত যৌথ অভিযান পরিচালনা।

২. অপহরণ চক্রের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত।

৩. রোহিঙ্গাদের অবাধ চলাফেরা বন্ধে কড়া নজরদারি এবং ক্যাম্প এলাকায় পুলিশ চৌকি স্থাপন।

৪. পাহাড় ও স্থানীয় লোকালয়ে নিয়মিত পুলিশি টহল এবং ড্রোন অভিযানের মাধ্যমে নজরদারি।

৫. পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

৬. সন্ত্রাসীদের কার্যক্রম নজরদারিতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার।

৭. ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা।

মানববন্ধন শেষে ডেপুটি ইনস্পেক্টর জেনারেল (চট্টগ্রাম রেঞ্জ) মহোদয় বরাবর টেকনাফ-উখিয়ার অপহরণ ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের দ্রুত প্রতিরোধের ব্যবস্থা নিতে ৭ দফা দাবি বিশিষ্ট একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।