ঢাকা ১১:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের চ্যালেঞ্জ শনাক্তে কক্সবাজারে যাচ্ছে ইসি মহেশখালীতে ড্রেন নির্মাণকাজে ডাম্পারের ধাক্কা, শ্রমিক নিহত টেকনাফে অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবি ঘটনায় অভিযুক্ত শীর্ষ মানবপাচারকারী শাকের মাঝি আটক কক্সবাজারে ১৯তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালিত শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ২৯৬ তম আবির্ভাব উৎসব উপলক্ষে সাধারণ সভা ১৫ মে গর্জনিয়ায় সোহেলের বসতঘর থেকে মিললো ১ লাখ পিস ইয়াবা : এলাকায় চাঞ্চল্য কোরবানি পশুর চামড়ার দাম বাড়ল এবার কক্সবাজার সরকারি কলেজে ইউনিফর্ম পরে টিকটক-রিলস নিষিদ্ধ, নির্দেশনা অমান্য করলে শাস্তির সতর্কতা বাবার নামে হোটেল ‘সায়মন’ নামকরণ করেছিলেন ইঞ্জি. মোশাররফ ঢাকায় অপহৃত স্কুলছাত্রী কক্সবাজারে উদ্ধার, গ্রেফতার ২ ১ মাসের শিশু হুমাইরাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন… পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে খালেদা জিয়ার ‘আপসহীন’ রাজনৈতিক অধ্যায় এপ্রিলে ৫২৭ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫১০, আহত ১২৬৮ : যাত্রী কল্যাণ সমিতি তরুণদের দক্ষ করে তুললে বিশ্বে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ: শিক্ষামন্ত্রী

অপহরণ ও সন্ত্রাস দমনে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে চট্টগ্রামে উখিয়া-টেকনাফের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

  • নোমান অরুপ
  • আপডেট সময় : ০২:২১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৫
  • 410

উখিয়া টেকনাফে দিন দুপুরে অপহরণ বাণিজ্য ও প্রশাসনের নিরব ভুমিকার প্রতিবাদ এবং অপহরণ দমনে অভিযানের দাবিতে চট্টগ্রামস্থ উখিয়া-টেকনাফের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৫ ইং) দুপুর আড়াইটার দিকে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, উখিয়া টেকনাফের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যাল কলেজের শিক্ষার্থী, ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধনে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান অপহরণ, সন্ত্রাস এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সশস্ত্র গোষ্ঠীর কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ২০১৭ সালে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গ জনগোষ্ঠীর মধ্যে একটি সন্ত্রাসীগোষ্ঠী স্থানীয় জনপদে অবৈধ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড়গুলো সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দখলে, যারা অপহরণ, মুক্তি আদায়, এবং জমি দখলের মতো অপরাধে জড়িত।

একটি সংবাদ থেকে পাওয়া সূত্রে আন্দোলনকারিদের দাবি ২০২৪ সালে এক বছরে ১৮৭ জন অপহরণের শিকার হয়েছেন। এসব অপহরণের ফলে অনেক পরিবার আর্থিকভাবে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে, আর মুক্তিপন দিতে না পারায় বহু প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।

এসময় এই পরিস্থিতিতে টেকনাফ ও উখিয়ার সাধারণ জনগণ বিভিন্ন দাবি উপস্থাপন করেন।

দাবী সমূহ হল :
১. পাহাড়ে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী নির্মূলে নিয়মিত যৌথ অভিযান পরিচালনা।

২. অপহরণ চক্রের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত।

৩. রোহিঙ্গাদের অবাধ চলাফেরা বন্ধে কড়া নজরদারি এবং ক্যাম্প এলাকায় পুলিশ চৌকি স্থাপন।

৪. পাহাড় ও স্থানীয় লোকালয়ে নিয়মিত পুলিশি টহল এবং ড্রোন অভিযানের মাধ্যমে নজরদারি।

৫. পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

৬. সন্ত্রাসীদের কার্যক্রম নজরদারিতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার।

৭. ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা।

মানববন্ধন শেষে ডেপুটি ইনস্পেক্টর জেনারেল (চট্টগ্রাম রেঞ্জ) মহোদয় বরাবর টেকনাফ-উখিয়ার অপহরণ ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের দ্রুত প্রতিরোধের ব্যবস্থা নিতে ৭ দফা দাবি বিশিষ্ট একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের চ্যালেঞ্জ শনাক্তে কক্সবাজারে যাচ্ছে ইসি

অপহরণ ও সন্ত্রাস দমনে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে চট্টগ্রামে উখিয়া-টেকনাফের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০২:২১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৫

উখিয়া টেকনাফে দিন দুপুরে অপহরণ বাণিজ্য ও প্রশাসনের নিরব ভুমিকার প্রতিবাদ এবং অপহরণ দমনে অভিযানের দাবিতে চট্টগ্রামস্থ উখিয়া-টেকনাফের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৫ ইং) দুপুর আড়াইটার দিকে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, উখিয়া টেকনাফের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যাল কলেজের শিক্ষার্থী, ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধনে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান অপহরণ, সন্ত্রাস এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সশস্ত্র গোষ্ঠীর কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ২০১৭ সালে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গ জনগোষ্ঠীর মধ্যে একটি সন্ত্রাসীগোষ্ঠী স্থানীয় জনপদে অবৈধ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড়গুলো সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দখলে, যারা অপহরণ, মুক্তি আদায়, এবং জমি দখলের মতো অপরাধে জড়িত।

একটি সংবাদ থেকে পাওয়া সূত্রে আন্দোলনকারিদের দাবি ২০২৪ সালে এক বছরে ১৮৭ জন অপহরণের শিকার হয়েছেন। এসব অপহরণের ফলে অনেক পরিবার আর্থিকভাবে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে, আর মুক্তিপন দিতে না পারায় বহু প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।

এসময় এই পরিস্থিতিতে টেকনাফ ও উখিয়ার সাধারণ জনগণ বিভিন্ন দাবি উপস্থাপন করেন।

দাবী সমূহ হল :
১. পাহাড়ে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী নির্মূলে নিয়মিত যৌথ অভিযান পরিচালনা।

২. অপহরণ চক্রের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত।

৩. রোহিঙ্গাদের অবাধ চলাফেরা বন্ধে কড়া নজরদারি এবং ক্যাম্প এলাকায় পুলিশ চৌকি স্থাপন।

৪. পাহাড় ও স্থানীয় লোকালয়ে নিয়মিত পুলিশি টহল এবং ড্রোন অভিযানের মাধ্যমে নজরদারি।

৫. পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

৬. সন্ত্রাসীদের কার্যক্রম নজরদারিতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার।

৭. ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা।

মানববন্ধন শেষে ডেপুটি ইনস্পেক্টর জেনারেল (চট্টগ্রাম রেঞ্জ) মহোদয় বরাবর টেকনাফ-উখিয়ার অপহরণ ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের দ্রুত প্রতিরোধের ব্যবস্থা নিতে ৭ দফা দাবি বিশিষ্ট একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।