ঢাকা ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অন্যের দুর্দশার খবর লিখি, আমাদের দুর্দশা লিখবে কে? তাজমিনের মৃত্যু :রাজুর বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ডের নির্দেশ আদালতের রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান চায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি ভূমধ্যসাগরীয় খাবার নিয়ে ওশ্যান প্যারাডাইসে ১০ দিনের ‘মেডিটেরেনিয়ান ফুড ফেস্টিভ্যাল’ ঈদগাঁওয়ে অগ্নিকাণ্ডে ৩ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভস্মীভূত, ক্ষতি অর্ধকোটি টাকা লোহাগাড়ায় ব্যবসায়ীকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ, স্বামীকে অক্ষত ফেরত চেয়ে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার বিশেষ নিরাপত্তা জোরদার করেছে এসআরবি-১৫ টেকনাফ ও উখিয়ার সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রামুর সেক্টর কমান্ডার শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার বিশেষ নিরাপত্তা জোরদার করেছে এসআরবি-১৫ লামায় বিদায়ী ইউএনও মঈন উদ্দিনকে প্রেসক্লাবের বিদায় সংবর্ধনা প্রশাসন-গণমাধ্যমের সমন্বয়ে জনসেবা গতিশীল হবে- উখিয়া প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ইউএনওর মতবিনিময় পেকুয়ায় করাতকলে অভিযান, মেশিন ও গাছ জব্দ কয়েক যুগেও লাগেনি উন্নয়নের ছোঁয়া , দুর্ভোগে দুই গ্রামের হাজার মানুষ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম

২৯ এপ্রিলকে জাতীয় বিপদাপন্ন ও দুর্যোগ প্রতিরোধ দিবস ঘোষণার দাবী কসউবি প্রাক্তনীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল কক্সবাজারসহ বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস আঘাত হানে। প্রাণ হারান লক্ষাধিক মানুষ, বিলীন হয় ফসলের ক্ষেত ও গবাদিপশু, ধ্বংস হয় কোটি কোটি টাকার সম্পদ। কক্সবাজারের নয়টি উপজেলা ও উপকূলীয় হাজারো গ্রাম সম্পূর্ণভাবে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল, বিশেষ করে কক্সবাজার, বহুদিন ধরে প্রাকৃতিক দুর্যোগের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

এই মর্মান্তিক ঘটনার স্মৃতি চিরস্মরণীয় করে রাখা এবং ভবিষ্যতে দুর্যোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২৯ এপ্রিলকে ‘জাতীয় বিপদাপন্ন ও দুর্যোগ প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে ঘোষণার দাবী জানিয়েছে কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র পরিষদ।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বরাবর এ দাবীতে পাঠানো স্মারকলিপিতে তারা উল্লেখ করে, সংগঠনটি কক্সবাজারের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য সংরক্ষণে কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি, কক্সবাজারের সার্বিক কল্যাণে প্রাক্তন ছাত্রদের উদ্দীপিত করা এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

কসউবি প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের আহবায়ক এম সিরাজুল ইসলাম জানান, ২৯ এপ্রিলকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হলে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ দুর্যোগ বিষয়ে অধিকতর সচেতন হবে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধেও সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে উঠবে। একইসঙ্গে এটি দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্থাপন করবে এবং সমগ্র জাতির মধ্যে সচেতনতা ও প্রস্তুতির মনোভাব জোরদার করবে।

মঙ্গলবার সকালে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নিজাম উদ্দিন আহমদ প্রাক্তনীদের কাছ থেকে ওই স্মারকলিপি গ্রহণ করেন। এসময় প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন ছাত্ররা উপস্থিত ছিলেন

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

অন্যের দুর্দশার খবর লিখি, আমাদের দুর্দশা লিখবে কে?

২৯ এপ্রিলকে জাতীয় বিপদাপন্ন ও দুর্যোগ প্রতিরোধ দিবস ঘোষণার দাবী কসউবি প্রাক্তনীদের

আপডেট সময় : ০২:২০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল কক্সবাজারসহ বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস আঘাত হানে। প্রাণ হারান লক্ষাধিক মানুষ, বিলীন হয় ফসলের ক্ষেত ও গবাদিপশু, ধ্বংস হয় কোটি কোটি টাকার সম্পদ। কক্সবাজারের নয়টি উপজেলা ও উপকূলীয় হাজারো গ্রাম সম্পূর্ণভাবে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল, বিশেষ করে কক্সবাজার, বহুদিন ধরে প্রাকৃতিক দুর্যোগের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

এই মর্মান্তিক ঘটনার স্মৃতি চিরস্মরণীয় করে রাখা এবং ভবিষ্যতে দুর্যোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২৯ এপ্রিলকে ‘জাতীয় বিপদাপন্ন ও দুর্যোগ প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে ঘোষণার দাবী জানিয়েছে কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র পরিষদ।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বরাবর এ দাবীতে পাঠানো স্মারকলিপিতে তারা উল্লেখ করে, সংগঠনটি কক্সবাজারের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য সংরক্ষণে কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি, কক্সবাজারের সার্বিক কল্যাণে প্রাক্তন ছাত্রদের উদ্দীপিত করা এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

কসউবি প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের আহবায়ক এম সিরাজুল ইসলাম জানান, ২৯ এপ্রিলকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হলে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ দুর্যোগ বিষয়ে অধিকতর সচেতন হবে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধেও সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে উঠবে। একইসঙ্গে এটি দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্থাপন করবে এবং সমগ্র জাতির মধ্যে সচেতনতা ও প্রস্তুতির মনোভাব জোরদার করবে।

মঙ্গলবার সকালে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নিজাম উদ্দিন আহমদ প্রাক্তনীদের কাছ থেকে ওই স্মারকলিপি গ্রহণ করেন। এসময় প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন ছাত্ররা উপস্থিত ছিলেন