ঢাকা ০৯:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রামু কেন্দ্রীয় প্রবারণা ও কল্প জাহাজ ভাসা উৎসব উদযাপন পরিষদ গঠিত আকাশ পথে কক্সবাজার থেকে ঢাকায় ফিরে স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেফতার বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী মারা গেছেন বাহারছড়ায় বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ পেলেন ১১’শ রোগী রামুতে সাংবাদিক কাশেমের মায়ের জানাজা সম্পন্ন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিও লেটার :পেকুয়ায় ২৭ গ্রামীণ সড়ক এইচবিবি ও ইউনিব্লকে উন্নীতের উদ্যোগ জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা লামায় জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালিত ঘূর্ণিঝড়ের আভাস সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজ-দুর্নীতিবাজদের জন্য তারেক রহমানের কঠোর বার্তা সেনাসদস্যদের পেশাগত দক্ষতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ সেনাপ্রধানের পবিত্র মসজিদে নববির বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা, সৌদি জোটের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান হুতিদের ঝড় ও ভারি বর্ষণ নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়াগামী বোটসহ ৭৬ জনকে উদ্ধার করল নৌবাহিনী বিশেষ অভিযানে সদর থানা পুলিশের জালে ৯ জন

সৌদিতে রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে ১ মার্চ দেশটিতে রোজা শুরু

  • টিটিএন ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:২৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 343

সৌদি আরবে রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। শুক্রবার(২৮ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে দেশটি ঘোষণা করেছে, আজ পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। রমজান মাসের প্রথম দিন হবে শনিবার।

সৌদি কর্তৃপক্ষ তাদের নাগরিকদের চাঁদ দেখার আহ্বান জানানোর পরে এই ঘোষণা এলো।

পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কমিটিগুলো জড়ো হয়। ইতোমধ্যে আরও দুটি দেশ রমজানের তারিখ ঘোষণা করেছে। ইন্দোনেশিয়ার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আজ শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ১ মার্চ থেকে রোজা শুরু হবে।

এছাড়া অস্ট্রেলিয়ান ফতোয়া কাউন্সিল ঘোষণা করেছে, জ্যোতির্বিজ্ঞানের গণনার ভিত্তিতে দেশটির মুসলমানরা ১ মার্চ থেকে পবিত্র মাস শুরু করবে।

ওমানের প্রধান কমিটির সালতানাতও ঘোষণা করেছে, রমজানের চাঁদ দেখা গেছে। ১ মার্চ পবিত্র রমজান মাসের প্রথম দিন হবে।

রমজান ইসলামী ক্যালেন্ডারের নবম এবং মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে পবিত্র মাস। বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় এক-চতুর্থাংশ মুসলমানদের জন্য এই মাসটি সংযম, ধর্মীয় প্রতিফলন, বর্ধিত প্রার্থনা, দান এবং সম্প্রদায়ের জন্য একটি বিশেষ সময়। মাসজুড়ে তারা ভোর থেকে সূর্যাস্তের মধ্যবর্তী সময়ে সমস্ত ধরণের খাদ্য ও পানীয় থেকে বিরত থাকেন।

রোজা ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি এবং ধর্মের একটি মূল অংশজুড়ে এর বিস্তার রয়েছে। অন্য স্তম্ভগুলো হলো ঈমানের ঘোষণা, নামাজ, দান-খয়রাত বা যাকাত এবং হজে যাওয়া।

মুসলমানরা বিশ্বাস করে, রোজার মাধ্যমে তারা সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে তাদের সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে সক্ষম হয়। নামাজ পড়া, কুরআন তিলাওয়াত ও দান-খয়রাত করার মতো ইবাদত-বন্দেগিতে অংশ নিয়ে সময় ব্যয় করা হয় মাসজুড়ে।

দিনের আলোতে খাদ্য ও পানীয় থেকে বিরত থাকার ফলে মুসলমানরা সংযম অনুশীলন এবং তাদের বিশ্বাসের উপর কাজ করার জন্য শক্তি কেন্দ্রীভূত করতে পারে। রোজা মুসলমানদের তুলনামূলক কম ‘ভাগ্যবানদের’ প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করতে এবং অভাবীদের প্রতি আরও সহানুভূতিশীল হতে শিক্ষা দেয়।

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রামু কেন্দ্রীয় প্রবারণা ও কল্প জাহাজ ভাসা উৎসব উদযাপন পরিষদ গঠিত

সৌদিতে রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে ১ মার্চ দেশটিতে রোজা শুরু

আপডেট সময় : ০৩:২৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সৌদি আরবে রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। শুক্রবার(২৮ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে দেশটি ঘোষণা করেছে, আজ পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। রমজান মাসের প্রথম দিন হবে শনিবার।

সৌদি কর্তৃপক্ষ তাদের নাগরিকদের চাঁদ দেখার আহ্বান জানানোর পরে এই ঘোষণা এলো।

পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কমিটিগুলো জড়ো হয়। ইতোমধ্যে আরও দুটি দেশ রমজানের তারিখ ঘোষণা করেছে। ইন্দোনেশিয়ার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আজ শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ১ মার্চ থেকে রোজা শুরু হবে।

এছাড়া অস্ট্রেলিয়ান ফতোয়া কাউন্সিল ঘোষণা করেছে, জ্যোতির্বিজ্ঞানের গণনার ভিত্তিতে দেশটির মুসলমানরা ১ মার্চ থেকে পবিত্র মাস শুরু করবে।

ওমানের প্রধান কমিটির সালতানাতও ঘোষণা করেছে, রমজানের চাঁদ দেখা গেছে। ১ মার্চ পবিত্র রমজান মাসের প্রথম দিন হবে।

রমজান ইসলামী ক্যালেন্ডারের নবম এবং মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে পবিত্র মাস। বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় এক-চতুর্থাংশ মুসলমানদের জন্য এই মাসটি সংযম, ধর্মীয় প্রতিফলন, বর্ধিত প্রার্থনা, দান এবং সম্প্রদায়ের জন্য একটি বিশেষ সময়। মাসজুড়ে তারা ভোর থেকে সূর্যাস্তের মধ্যবর্তী সময়ে সমস্ত ধরণের খাদ্য ও পানীয় থেকে বিরত থাকেন।

রোজা ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি এবং ধর্মের একটি মূল অংশজুড়ে এর বিস্তার রয়েছে। অন্য স্তম্ভগুলো হলো ঈমানের ঘোষণা, নামাজ, দান-খয়রাত বা যাকাত এবং হজে যাওয়া।

মুসলমানরা বিশ্বাস করে, রোজার মাধ্যমে তারা সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে তাদের সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে সক্ষম হয়। নামাজ পড়া, কুরআন তিলাওয়াত ও দান-খয়রাত করার মতো ইবাদত-বন্দেগিতে অংশ নিয়ে সময় ব্যয় করা হয় মাসজুড়ে।

দিনের আলোতে খাদ্য ও পানীয় থেকে বিরত থাকার ফলে মুসলমানরা সংযম অনুশীলন এবং তাদের বিশ্বাসের উপর কাজ করার জন্য শক্তি কেন্দ্রীভূত করতে পারে। রোজা মুসলমানদের তুলনামূলক কম ‘ভাগ্যবানদের’ প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করতে এবং অভাবীদের প্রতি আরও সহানুভূতিশীল হতে শিক্ষা দেয়।