ঢাকা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে প্রথমবারের মতো ৩ মাসব্যাপী পর্যটন কার্নিভাল সেন্টমার্টিনে খতনার পর অসুস্থ হওয়া শিশুদের চিকিৎসা দিলো সরকারি মেডিকেল টিম আবেগঘন স্ট্যাটাস :সহধর্মিণীর আরোগ্য কামনায় দোয়া চাইলেন এমপি কাজল কক্সবাজারে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার কক্সবাজারে বিলাস ভ্রমণে গিয়ে ধরা ‘কেডিসি বস্তি’র ৫ বাসিন্দা আজ পৃথিবীর মন খারাপ: ‘বিদায়’ বললেন, ফুটবলের কবি হামের টিকার আওতায় ২ কোটি শিশু, এক মাসে দেওয়া হবে আরও ৩৫ লাখ প্রবাসীদের পরিবার নিয়ে সৌদি থাকার সুযোগ সাগরে লঘুচাপ, টানা বৃষ্টির আভাস দেশকে অস্থির করার জন্য পতিত দোসররা নানাভাবে কাজ করছে : রিজভী বিশ্ববাজারে ১০১ ডলারে পৌঁছেছে জ্বালানি তেলের দাম সোনাদিয়া চ্যানেলে জলদস্যুদের তাণ্ডব: ৮ মাঝিমাল্লা চমেক হাসপাতালে সেন্টমার্টিনে ভুল চিকিৎসায় অসুস্থ ৫০ শিশু! ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উখিয়ায় শ্মশানের ভাঙচুর করা দেয়াল পুন:র্নির্মাণ শুরু সোনাদিয়া দ্বীপে প্যারাবন দখলদারদের উচ্ছেদে নামছে নৌবাহিনী : পরিবেশবাদীদের স্বস্তি

সিনহা হত্যা মামলা দ্রুত শুনানি করতে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে আবেদন

  • টিটিএন ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:১৫:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারী ২০২৫
  • 565

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যা মামলা হাইকোর্টে দ্রুত শুনানি করতে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে আবেদন করেছেন তার মা নাসিমা আক্তার। বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সকালে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে রায় কার্যকরের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নিতে আবেদন করে সিনহার পরিবার। এ সময় হত্যা মামলাটি দ্রুত শুনানির আশ্বাস দেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আছাদুজ্জামান।

২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় বরখাস্ত ওসি প্রদীপ ও লিয়াকতকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল। এছাড়াও ৬ জনের যাবজ্জীবন এবং বাকিদের খালাস দিয়েছিলেন আদালত।

২০২০ সালের ৩১ জুলাই ঈদুল আজহার আগের রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এপিবিএন চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। হত্যাকাণ্ডের ৪ দিন পর ৫ আগস্ট সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে টেকনাফ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

মামলায় বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে প্রধান আসামি করা হয়। এছাড়া প্রদীপ কুমার দাশকে ২ নম্বর ও বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দ দুলাল রক্ষিতকে ৩ নম্বর আসামি করা হয়। পরে আদালত কক্সবাজারের র‍্যাব-১৫ কে মামলাটির তদন্তভার দেন।

ওই ঘটনায় ৭ আগস্ট মামলার আসামি ৭ পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে তদন্তে নেমে হত্যার ঘটনায় স্থানীয় ৩ বাসিন্দা, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) ৩ সদস্য ও ওসি প্রদীপের দেহরক্ষীসহ আরও মোট ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। এরপর ২৪ জুন মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি কনস্টেবল সাগর দেবের আদালতে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে আলোচিত এই মামলার ১৫ আসামির সবাই আইনের আওতায় আসে।

এ মামলায় ৪ মাসের বেশি সময় তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ১৩ ডিসেম্বর ৮৩ জন সাক্ষীর নামের তালিকাসহ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‍্যাব-১৫ এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ওই সময় ১৫ জনকে আসামি করে দেয়া অভিযোগপত্রে সিনহা হত্যাকাণ্ডকে একটি ‘পরিকল্পিত ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

ট্যাগ :

কক্সবাজারে প্রথমবারের মতো ৩ মাসব্যাপী পর্যটন কার্নিভাল

সিনহা হত্যা মামলা দ্রুত শুনানি করতে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে আবেদন

আপডেট সময় : ১১:১৫:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারী ২০২৫

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যা মামলা হাইকোর্টে দ্রুত শুনানি করতে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে আবেদন করেছেন তার মা নাসিমা আক্তার। বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সকালে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে রায় কার্যকরের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নিতে আবেদন করে সিনহার পরিবার। এ সময় হত্যা মামলাটি দ্রুত শুনানির আশ্বাস দেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আছাদুজ্জামান।

২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় বরখাস্ত ওসি প্রদীপ ও লিয়াকতকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল। এছাড়াও ৬ জনের যাবজ্জীবন এবং বাকিদের খালাস দিয়েছিলেন আদালত।

২০২০ সালের ৩১ জুলাই ঈদুল আজহার আগের রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এপিবিএন চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। হত্যাকাণ্ডের ৪ দিন পর ৫ আগস্ট সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে টেকনাফ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

মামলায় বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে প্রধান আসামি করা হয়। এছাড়া প্রদীপ কুমার দাশকে ২ নম্বর ও বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দ দুলাল রক্ষিতকে ৩ নম্বর আসামি করা হয়। পরে আদালত কক্সবাজারের র‍্যাব-১৫ কে মামলাটির তদন্তভার দেন।

ওই ঘটনায় ৭ আগস্ট মামলার আসামি ৭ পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে তদন্তে নেমে হত্যার ঘটনায় স্থানীয় ৩ বাসিন্দা, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) ৩ সদস্য ও ওসি প্রদীপের দেহরক্ষীসহ আরও মোট ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। এরপর ২৪ জুন মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি কনস্টেবল সাগর দেবের আদালতে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে আলোচিত এই মামলার ১৫ আসামির সবাই আইনের আওতায় আসে।

এ মামলায় ৪ মাসের বেশি সময় তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ১৩ ডিসেম্বর ৮৩ জন সাক্ষীর নামের তালিকাসহ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‍্যাব-১৫ এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ওই সময় ১৫ জনকে আসামি করে দেয়া অভিযোগপত্রে সিনহা হত্যাকাণ্ডকে একটি ‘পরিকল্পিত ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।