ঢাকা ০৮:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এয়ার এম্বুলেন্সে ঢাকায় নেয়া হলো জেলা পরিষদ প্রশাসক এটিএম নুরুল বশর চৌধুরীকে মাতারবাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে যা যা হলো মাতারবাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে যা যা হলো রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মির্জা ফখরুল চাষিরা লবণের ন্যায্যমূল্য পেতে শুরু করেছেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওশানের ফুটবল টুর্নামেন্টে পরিচালক মিশু-ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক আয়োজন পর্যটন সেবায় কর্মীদের মনোবল বাড়ায় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় খল অভিনেতা ডন গ্রেফতার কোনো প্ররোচনায় বাংলাদেশের মানুষ আর বিভ্রান্ত হবে না জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর ধূমপায়ীদের রক্তে মিললো মাইক্রোপ্লাস্টিক, রয়েছে হার্ট অ্যাটাকের উচ্চ ঝুঁকি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি থেকে ২ জনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ কানায় কানায় পূর্ণ বাঁশখালীর সাগরপাড়ের সমাবেশস্থল পাঁচ বছরের মধ্যে শিক্ষা ব্যবস্থায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা হবে : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আজ আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস

শহীদদের আকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন বাস্তবে রূপ পায়নি : নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, “দুঃখজনক হচ্ছে, ৫ আগস্টের সেই বিজয়লগ্ন থেকেই রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রবল অসহযোগিতার কারণে শহীদদের আকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন বাস্তবে রূপ পায়নি। ক্ষমতালিপ্সার কাছে পরাজিত হয়েছে ফ্যাসিবাদী কাঠামো বিলোপের গণআকাঙ্ক্ষা।”

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দেওয়া এক বাণীতে নাহিদ ইসলাম একথা বলেন

এনসিপির আহ্বায়ক বাণীতে আরও বলেন, “জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে দেশের সর্বস্তরের নাগরিককে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। পাঁচ আগস্ট আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় দিন। বাংলা বদ্বীপের মানুষের দীর্ঘ সংগ্রাম, আত্মত্যাগ, গৌরব ও বিজয়ের ধারাবাহিকতার প্রতীক।

১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে ঔপনিবেশিক বেনিয়া শাসনের সূচনার পর থেকেই এই ভূখণ্ডের মানুষ মুক্তির প্রত্যয়ে জেগে ওঠে। তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা, হাজি শরীয়তুল্লাহর ফরায়েজি আন্দোলন, হাবিলদার রজব আলীর বিদ্রোহ এবং শেরে বাংলার লাহোর প্রস্তাব সেই দীর্ঘ অভিযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে আছে। অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগ ও অবিরাম প্রতিরোধের মধ্য দিয়ে জাতি ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে স্বাধীন ভূখণ্ডের অধিকার অর্জন করে।

কিন্তু সেই আজাদীর আনন্দ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ব্রিটিশ শাসনের অবসানের পর বাংলার জনগণ এক নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়। দীর্ঘ চব্বিশ বছরের বৈষম্য, বঞ্চনা ও শোষণের বিরুদ্ধে লড়াই শেষে ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় আমাদের লাল সবুজের পতাকা। লাখো শহীদের আত্মদান, অসংখ্য মা-বোনের ত্যাগে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরও জনগণের প্রত্যাশিত ন্যায়ভিত্তিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা পুরোপুরি গড়ে ওঠেনি। রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যর্থতার কারণে বহু স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে যায়।

এরপর দফায় দফায় এ দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত নেমে এসেছে, যার চূড়ান্ত প্রকাশ ঘটে এক এগারোর কথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের তথাকথিত নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। ১৮ কোটি মানুষের কাঁধে চেপে বসে ভয়াবহ ফ্যাসিবাদ। মুক্তিযুদ্ধের নামে মুজিববাদী আদর্শের ভিত্তিতে আওয়ামী জুলুমতন্ত্রের কবলে পড়ে দেশ। বাকশালী শক্তির হাতে ধ্বংস হয় এদেশের গণতন্ত্র, সুশাসন, সমাজ ও সংস্কৃতি। আধিপত্যবাদী শক্তির ইশারায় বারবার এ ভূখণ্ডের মানুষের জীবনে নেমে আসে বর্বর দমন-পীড়ন।

গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ওপর দীর্ঘদিনের দমনপীড়নের ধারাবাহিকতায় ছাত্রদের ন্যায্য কোটা সংস্কার আন্দোলনেও হাসিনার লাঠিয়াল বাহিনী নির্বিচারে গুলি চালায়। সেই রক্তস্নাত অধ্যায় থেকেই জন্ম নেয় প্রতিরোধের এক অভূতপূর্ব ইতিহাস। ছাত্র, শ্রমিক, শিক্ষক, আলেম-ওলামা, আইনজীবী, নারী, সাংস্কৃতিককর্মী, সাংবাদিক, প্রবাসী, সৈনিক, তরুণ সেনা অফিসার এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক শক্তির সম্মিলিত সংগ্রামে পতন ঘটে বাকশালী অপশক্তির। চৌদ্দশ শহীদ এবং ত্রিশ হাজার আহতের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অবশেষে আসে ৫ আগস্টের মাহেন্দ্রক্ষণ, বহুল প্রতীক্ষিত মুক্তির প্রভাত।

দুঃখজনক হচ্ছে, ৫ আগস্টের সেই বিজয়লগ্ন থেকেই রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রবল অসহযোগিতার কারণে শহীদদের আকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন বাস্তবে রূপ পায়নি। ক্ষমতালিপ্সার কাছে পরাজিত হয়েছে ফ্যাসিবাদী কাঠামো বিলোপের গণআকাঙ্ক্ষা।

বিপ্লবের দুই বছর পরও সাধারণ মানুষের জীবনে স্বস্তি ফিরে আসেনি। সরকারের নজিরবিহীন দলীয়করণ, সংস্কারবিরোধী অবস্থান, ক্ষমতার অতিমাত্রায় কেন্দ্রীকরণ এবং প্রশাসনিক অদক্ষতা জাতিকে আবারও সংকটের দ্বারপ্রান্তে এনে দাঁড় করিয়েছে।

বিজয়ের এই ঐতিহাসিক ক্ষণে সরকারের প্রতি আমাদের আন্তরিক আহ্বান, গণভোটে প্রদত্ত জনরায়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে অবিলম্বে সংস্কার বাস্তবায়ন করুন। সন্ত্রাস ও দখলদারিত্বের রাজনীতি পরিহার করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে গণতান্ত্রিক সহাবস্থান নিশ্চিত করুন। চব্বিশসহ সকল গণহত্যার বিচার দ্রুত নিশ্চিত করুন।

প্রিয় দেশবাসী,

শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ ওয়াসিম, শহীদ মুগ্ধ, শহীদ হৃদয় তরুয়াসহ সকল শহীদের রেখে যাওয়া আমানত আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি। আসুন, তার মর্যাদা ও ভবিষ্যৎ রক্ষায় আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। অন্যায়, অবিচার ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে দৃঢ় কণ্ঠে সোচ্চার হই। ন্যায়, ইনসাফ ও মানবিক মর্যাদাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার মহান সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে শামিল হই।

সুত্র: এনটিভি

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

এয়ার এম্বুলেন্সে ঢাকায় নেয়া হলো জেলা পরিষদ প্রশাসক এটিএম নুরুল বশর চৌধুরীকে

শহীদদের আকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন বাস্তবে রূপ পায়নি : নাহিদ ইসলাম

আপডেট সময় : ১২:১৯:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, “দুঃখজনক হচ্ছে, ৫ আগস্টের সেই বিজয়লগ্ন থেকেই রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রবল অসহযোগিতার কারণে শহীদদের আকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন বাস্তবে রূপ পায়নি। ক্ষমতালিপ্সার কাছে পরাজিত হয়েছে ফ্যাসিবাদী কাঠামো বিলোপের গণআকাঙ্ক্ষা।”

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দেওয়া এক বাণীতে নাহিদ ইসলাম একথা বলেন

এনসিপির আহ্বায়ক বাণীতে আরও বলেন, “জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে দেশের সর্বস্তরের নাগরিককে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। পাঁচ আগস্ট আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় দিন। বাংলা বদ্বীপের মানুষের দীর্ঘ সংগ্রাম, আত্মত্যাগ, গৌরব ও বিজয়ের ধারাবাহিকতার প্রতীক।

১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে ঔপনিবেশিক বেনিয়া শাসনের সূচনার পর থেকেই এই ভূখণ্ডের মানুষ মুক্তির প্রত্যয়ে জেগে ওঠে। তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা, হাজি শরীয়তুল্লাহর ফরায়েজি আন্দোলন, হাবিলদার রজব আলীর বিদ্রোহ এবং শেরে বাংলার লাহোর প্রস্তাব সেই দীর্ঘ অভিযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে আছে। অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগ ও অবিরাম প্রতিরোধের মধ্য দিয়ে জাতি ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে স্বাধীন ভূখণ্ডের অধিকার অর্জন করে।

কিন্তু সেই আজাদীর আনন্দ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ব্রিটিশ শাসনের অবসানের পর বাংলার জনগণ এক নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়। দীর্ঘ চব্বিশ বছরের বৈষম্য, বঞ্চনা ও শোষণের বিরুদ্ধে লড়াই শেষে ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় আমাদের লাল সবুজের পতাকা। লাখো শহীদের আত্মদান, অসংখ্য মা-বোনের ত্যাগে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরও জনগণের প্রত্যাশিত ন্যায়ভিত্তিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা পুরোপুরি গড়ে ওঠেনি। রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যর্থতার কারণে বহু স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে যায়।

এরপর দফায় দফায় এ দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত নেমে এসেছে, যার চূড়ান্ত প্রকাশ ঘটে এক এগারোর কথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের তথাকথিত নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। ১৮ কোটি মানুষের কাঁধে চেপে বসে ভয়াবহ ফ্যাসিবাদ। মুক্তিযুদ্ধের নামে মুজিববাদী আদর্শের ভিত্তিতে আওয়ামী জুলুমতন্ত্রের কবলে পড়ে দেশ। বাকশালী শক্তির হাতে ধ্বংস হয় এদেশের গণতন্ত্র, সুশাসন, সমাজ ও সংস্কৃতি। আধিপত্যবাদী শক্তির ইশারায় বারবার এ ভূখণ্ডের মানুষের জীবনে নেমে আসে বর্বর দমন-পীড়ন।

গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ওপর দীর্ঘদিনের দমনপীড়নের ধারাবাহিকতায় ছাত্রদের ন্যায্য কোটা সংস্কার আন্দোলনেও হাসিনার লাঠিয়াল বাহিনী নির্বিচারে গুলি চালায়। সেই রক্তস্নাত অধ্যায় থেকেই জন্ম নেয় প্রতিরোধের এক অভূতপূর্ব ইতিহাস। ছাত্র, শ্রমিক, শিক্ষক, আলেম-ওলামা, আইনজীবী, নারী, সাংস্কৃতিককর্মী, সাংবাদিক, প্রবাসী, সৈনিক, তরুণ সেনা অফিসার এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক শক্তির সম্মিলিত সংগ্রামে পতন ঘটে বাকশালী অপশক্তির। চৌদ্দশ শহীদ এবং ত্রিশ হাজার আহতের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অবশেষে আসে ৫ আগস্টের মাহেন্দ্রক্ষণ, বহুল প্রতীক্ষিত মুক্তির প্রভাত।

দুঃখজনক হচ্ছে, ৫ আগস্টের সেই বিজয়লগ্ন থেকেই রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রবল অসহযোগিতার কারণে শহীদদের আকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন বাস্তবে রূপ পায়নি। ক্ষমতালিপ্সার কাছে পরাজিত হয়েছে ফ্যাসিবাদী কাঠামো বিলোপের গণআকাঙ্ক্ষা।

বিপ্লবের দুই বছর পরও সাধারণ মানুষের জীবনে স্বস্তি ফিরে আসেনি। সরকারের নজিরবিহীন দলীয়করণ, সংস্কারবিরোধী অবস্থান, ক্ষমতার অতিমাত্রায় কেন্দ্রীকরণ এবং প্রশাসনিক অদক্ষতা জাতিকে আবারও সংকটের দ্বারপ্রান্তে এনে দাঁড় করিয়েছে।

বিজয়ের এই ঐতিহাসিক ক্ষণে সরকারের প্রতি আমাদের আন্তরিক আহ্বান, গণভোটে প্রদত্ত জনরায়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে অবিলম্বে সংস্কার বাস্তবায়ন করুন। সন্ত্রাস ও দখলদারিত্বের রাজনীতি পরিহার করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে গণতান্ত্রিক সহাবস্থান নিশ্চিত করুন। চব্বিশসহ সকল গণহত্যার বিচার দ্রুত নিশ্চিত করুন।

প্রিয় দেশবাসী,

শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ ওয়াসিম, শহীদ মুগ্ধ, শহীদ হৃদয় তরুয়াসহ সকল শহীদের রেখে যাওয়া আমানত আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি। আসুন, তার মর্যাদা ও ভবিষ্যৎ রক্ষায় আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। অন্যায়, অবিচার ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে দৃঢ় কণ্ঠে সোচ্চার হই। ন্যায়, ইনসাফ ও মানবিক মর্যাদাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার মহান সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে শামিল হই।

সুত্র: এনটিভি