ঢাকা ০২:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
খামেনির মৃত্যুতে সংসদে শোকপ্রস্তাব কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু: প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন অ্যাড. আহমেদ আযম খান স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি ডেপুটি স্পিকার হলেন কায়সার কামাল ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ প্রথম অধিবেশনের সভাপতি খন্দকার মোশাররফ আজ জনআকাঙ্ক্ষা, গণতন্ত্রের পদযাত্রা শুরুর সংসদ: সালাহউদ্দিন আহমদ ইসরায়েল থেকে স্থায়ীভাবে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার স্পেনের জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ দ্বীপবর্তিকার ইফতার মাহফিল সম্পন্ন জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে কালিমার ক্যালিগ্রাফি টেকনাফে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা গ্রেফতার, র‌্যাবের ২টি মোটরসাইকেলে আগুন উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৫ জন হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আরসা সন্ত্রাসী গ্রেফতার লবণ চাষীদের গলা কাটছে ইজারাদার

রঙ্গীখালীতে দুই স’ন্ত্রা’সী গ্রুপের মধ্যে ফের গো’লাগু’লি : আ’তং’কিত স্থানীয়রা

টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালীর উলুচামরী ও কোনাপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রায়শ দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে তুমুল গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। এতে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফের দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।

নিরাপত্তা জনিত কারণে নাম না প্রকাশ করার শর্তে স্থানীয় একটি সূত্র বলছে, আনোয়ার ওরফে লেডাইয়া গ্রুপ এবং জালাল প্রকাশ লাশ জালাল গ্রুপের মধ্যে আবারও এই সংঘর্ষ হয়। এর আগে গত ১৬ অক্টোবর একই এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলি চলে। দুই গ্রুপের প্রধানদের বিরুদ্ধে হত্যা, মাদক, অপহরণ ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রটি জানায়, উলুচামরীর আনোয়ার প্রকাশ লেডাইয়া এবং কোনারপাড়ার জালাল প্রকাশ লাশ জালাল আধিপত্য বজায় রাখতে নিজেদের সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলে। দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক গুলির শব্দে পুরো এলাকা কেঁপে উঠছে। ফলে উলুচামরী ও কোনাপাড়ার মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে।

সূত্রটি আরো জানায়, অপহরণ ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের জন্য তারা মিয়ানমার থেকে আনা আধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করছে। তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। মঙ্গলবার রাতেও প্রায় এক ঘণ্টা ধরে গুলিবিনিময় হয়েছে। পুরো এলাকা এখন দুই গ্রুপের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আনোয়ার ও জালাল বাহিনীর তৎপরতা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে, অথচ তারা এলাকায় নির্বিঘ্নে চলাফেরা করছে। দ্রুত তাদের গ্রেফতার করলে এলাকায় শান্তি ফিরতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জায়েদ নূর বলেন, হ্নীলা উলুচামরী এলাকায় দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির বিষয়টি স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা গেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। যারা এ ঘটনায় জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে হ্নীলা আলীখালী, উলুচামরী ও কোনাপাড়া এলাকায় স্থানীয় কিছু মাদককারবারি ক্যাম্প কেন্দ্রিক বড় বড় সন্ত্রাসী গ্রুপ গড়ে তুলেছে। মাদক পাচার, অপহরণ, ডাকাতি ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এসব গ্রুপের মধ্যে প্রায়ই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, ফলে এলাকাজুড়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ট্যাগ :

রঙ্গীখালীতে দুই স’ন্ত্রা’সী গ্রুপের মধ্যে ফের গো’লাগু’লি : আ’তং’কিত স্থানীয়রা

আপডেট সময় : ১২:৪৭:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালীর উলুচামরী ও কোনাপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রায়শ দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে তুমুল গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। এতে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফের দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।

নিরাপত্তা জনিত কারণে নাম না প্রকাশ করার শর্তে স্থানীয় একটি সূত্র বলছে, আনোয়ার ওরফে লেডাইয়া গ্রুপ এবং জালাল প্রকাশ লাশ জালাল গ্রুপের মধ্যে আবারও এই সংঘর্ষ হয়। এর আগে গত ১৬ অক্টোবর একই এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলি চলে। দুই গ্রুপের প্রধানদের বিরুদ্ধে হত্যা, মাদক, অপহরণ ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রটি জানায়, উলুচামরীর আনোয়ার প্রকাশ লেডাইয়া এবং কোনারপাড়ার জালাল প্রকাশ লাশ জালাল আধিপত্য বজায় রাখতে নিজেদের সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলে। দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক গুলির শব্দে পুরো এলাকা কেঁপে উঠছে। ফলে উলুচামরী ও কোনাপাড়ার মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে।

সূত্রটি আরো জানায়, অপহরণ ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের জন্য তারা মিয়ানমার থেকে আনা আধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করছে। তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। মঙ্গলবার রাতেও প্রায় এক ঘণ্টা ধরে গুলিবিনিময় হয়েছে। পুরো এলাকা এখন দুই গ্রুপের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আনোয়ার ও জালাল বাহিনীর তৎপরতা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে, অথচ তারা এলাকায় নির্বিঘ্নে চলাফেরা করছে। দ্রুত তাদের গ্রেফতার করলে এলাকায় শান্তি ফিরতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জায়েদ নূর বলেন, হ্নীলা উলুচামরী এলাকায় দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির বিষয়টি স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা গেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। যারা এ ঘটনায় জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে হ্নীলা আলীখালী, উলুচামরী ও কোনাপাড়া এলাকায় স্থানীয় কিছু মাদককারবারি ক্যাম্প কেন্দ্রিক বড় বড় সন্ত্রাসী গ্রুপ গড়ে তুলেছে। মাদক পাচার, অপহরণ, ডাকাতি ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এসব গ্রুপের মধ্যে প্রায়ই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, ফলে এলাকাজুড়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।