ঢাকা ০২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশ-ভারত অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারের আলোচনা তেলের সংকট নেই, দাম বাড়ছে না: সেতুমন্ত্রী আজ পবিত্র শবে কদর হঠাৎ বৃষ্টি পর্যটন শহরে বিএসপিএ কক্সবাজার শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য হলেন তারেক অসুস্থ রোগীদের মাঝে ইফতার বিতরণ করলেন ছাত্রদল নেতা জনি বিএসপিএ কক্সবাজারের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন: মাহবুবসভাপতি, সুমন সম্পাদক টিটিএনের প্রতিনিধি সম্মেলন: নব উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন কুতুবদিয়ার নুরুল বশর চৌধুরী উঠে গেলো সৈকতের বালিয়াড়ীর দোকান: পুনর্বাসনের আকুতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ​ ২ হাজার কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় সম্পদ নামমাত্র মূল্যে বিক্রির অভিযোগ: বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত শুরু পর্যটক এক্সপ্রেসে পাথর নিক্ষেপে যাত্রী আহত, কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার অভিযোগ মাতারবাড়ি থেকে অস্ত্রসহ যুবক আটক সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার বেঁচে থাকা নিয়ে সংশয় ট্রাম্পের

মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার: রাষ্ট্রের প্রশ্নে আপসহীনতা

বাংলাদেশে সরকার গঠনের ন্যূনতম নীতিগত শর্ত দু’টি বিষয়ে আপসহীনতা দাবি করে; ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি সুস্পষ্ট অবস্থান এবং নারীর অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।

যে কোনো রাজনৈতিক শক্তি যদি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে অস্বীকার করে, বিকৃত করে বা তার নৈতিক ভিত্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, তবে সে শক্তি গণতান্ত্রিক বৈধতা অর্জনে ব্যর্থ হবে। একইভাবে, যে রাজনীতি নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, সামাজিক নিরাপত্তা ও সাংবিধানিক সমঅধিকারকে সীমিত করে, তা রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

বাংলাদেশের সংবিধান, রাষ্ট্রচিন্তা এবং গণরায়; তিনটিই এই বিষয়ে স্পষ্ট। মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার কোনো দলীয় ইস্যু নয়; এগুলো রাষ্ট্রের মৌলিক ভিত্তি। এই ভিত্তিকে অস্বীকার করে সাময়িক রাজনৈতিক প্রভাব তৈরি করা সম্ভব হলেও টেকসই সরকার গঠন সম্ভব নয়।

গণতন্ত্রের বাস্তবতা এখন পরিষ্কার; ক্ষমতা অর্জনের প্রশ্নে মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্রের মৌলিক মূল্যবোধে কোনো আপস নেই।

ট্যাগ :

মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার: রাষ্ট্রের প্রশ্নে আপসহীনতা

আপডেট সময় : ০৯:৫৯:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশে সরকার গঠনের ন্যূনতম নীতিগত শর্ত দু’টি বিষয়ে আপসহীনতা দাবি করে; ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি সুস্পষ্ট অবস্থান এবং নারীর অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।

যে কোনো রাজনৈতিক শক্তি যদি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে অস্বীকার করে, বিকৃত করে বা তার নৈতিক ভিত্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, তবে সে শক্তি গণতান্ত্রিক বৈধতা অর্জনে ব্যর্থ হবে। একইভাবে, যে রাজনীতি নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, সামাজিক নিরাপত্তা ও সাংবিধানিক সমঅধিকারকে সীমিত করে, তা রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

বাংলাদেশের সংবিধান, রাষ্ট্রচিন্তা এবং গণরায়; তিনটিই এই বিষয়ে স্পষ্ট। মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার কোনো দলীয় ইস্যু নয়; এগুলো রাষ্ট্রের মৌলিক ভিত্তি। এই ভিত্তিকে অস্বীকার করে সাময়িক রাজনৈতিক প্রভাব তৈরি করা সম্ভব হলেও টেকসই সরকার গঠন সম্ভব নয়।

গণতন্ত্রের বাস্তবতা এখন পরিষ্কার; ক্ষমতা অর্জনের প্রশ্নে মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্রের মৌলিক মূল্যবোধে কোনো আপস নেই।