ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু: প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন অ্যাড. আহমেদ আযম খান স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি ডেপুটি স্পিকার হলেন কায়সার কামাল ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ প্রথম অধিবেশনের সভাপতি খন্দকার মোশাররফ আজ জনআকাঙ্ক্ষা, গণতন্ত্রের পদযাত্রা শুরুর সংসদ: সালাহউদ্দিন আহমদ ইসরায়েল থেকে স্থায়ীভাবে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার স্পেনের জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ দ্বীপবর্তিকার ইফতার মাহফিল সম্পন্ন জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে কালিমার ক্যালিগ্রাফি টেকনাফে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা গ্রেফতার, র‌্যাবের ২টি মোটরসাইকেলে আগুন উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৫ জন হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আরসা সন্ত্রাসী গ্রেফতার লবণ চাষীদের গলা কাটছে ইজারাদার রামুতে অগ্নিকাণ্ডে বসতবাড়ি পুড়ে ছাই: প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি
কলাম

মিয়ানমার সীমান্তে ‘কোলাবরেটিভ ফোর্স’ সময়ের দাবি

মিয়ানমারে চলমান মাল্টিফ্রন্ট যুদ্ধের ভয়াবহতা দিন দিন আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। সরকারের উচিত সকল রাজনৈতিক অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত একটি জরুরি (ইমার্জেন্সি) বৈঠক আহ্বান করা।

সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী নাগরিকদের মধ্যে বর্ডার লিটারেসি ও আন্তর্জাতিক আইন সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে পরিবার ও সমাজকে আরও সতর্ক হতে হবে। কোনো অবস্থাতেই সীমান্তে নিরীহ নাগরিক হত্যাকাণ্ড কাম্য নয়।

বান্দরবানের ঘুমধুম এলাকা এবং উখিয়া–টেকনাফ অঞ্চলে সরকার, প্রশাসন ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কোলাবরেটিভ ফোর্স গঠন করে কার্যকরভাবে কাজ করা প্রয়োজন। জান্তা সরকার গেরিলা যুদ্ধে দুর্বল হলেও তারা বিমান হামলার (এয়ার স্ট্রাইক) পথ বেছে নিতে পারে—এ ক্ষেত্রে আমাদের আকাশসীমা ও বিমানবাহিনীর নিরাপত্তা কতটা প্রস্তুত, সে বিষয়েও গভীরভাবে ভাবতে হবে।

রোহিঙ্গা সংকটের প্রেক্ষাপটে যেন কোনোভাবেই নিরীহ বাংলাদেশিরা ভিক্টিম না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরি। একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরেও একাধিক মাল্টিফ্রন্ট চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান—একদিকে নির্বাচন, অন্যদিকে ফ্যাসিবাদী প্রবণতা, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এক্টরের চাপ।

এ অবস্থায় সীমান্ত এলাকার রাজনীতিবিদ ও জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্বশীল ও কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করা অত্যাবশ্যক। আবেগতাড়িত বা দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ প্রতিটি কথাই রাষ্ট্রের অবস্থান ও জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি জড়িত।

লেখক : সাংবাদিক ও এনসিপি মনোনীত প্রার্থী বান্দরবান-৩০০

ট্যাগ :

কলাম

মিয়ানমার সীমান্তে ‘কোলাবরেটিভ ফোর্স’ সময়ের দাবি

আপডেট সময় : ১২:৪৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

মিয়ানমারে চলমান মাল্টিফ্রন্ট যুদ্ধের ভয়াবহতা দিন দিন আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। সরকারের উচিত সকল রাজনৈতিক অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত একটি জরুরি (ইমার্জেন্সি) বৈঠক আহ্বান করা।

সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী নাগরিকদের মধ্যে বর্ডার লিটারেসি ও আন্তর্জাতিক আইন সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে পরিবার ও সমাজকে আরও সতর্ক হতে হবে। কোনো অবস্থাতেই সীমান্তে নিরীহ নাগরিক হত্যাকাণ্ড কাম্য নয়।

বান্দরবানের ঘুমধুম এলাকা এবং উখিয়া–টেকনাফ অঞ্চলে সরকার, প্রশাসন ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কোলাবরেটিভ ফোর্স গঠন করে কার্যকরভাবে কাজ করা প্রয়োজন। জান্তা সরকার গেরিলা যুদ্ধে দুর্বল হলেও তারা বিমান হামলার (এয়ার স্ট্রাইক) পথ বেছে নিতে পারে—এ ক্ষেত্রে আমাদের আকাশসীমা ও বিমানবাহিনীর নিরাপত্তা কতটা প্রস্তুত, সে বিষয়েও গভীরভাবে ভাবতে হবে।

রোহিঙ্গা সংকটের প্রেক্ষাপটে যেন কোনোভাবেই নিরীহ বাংলাদেশিরা ভিক্টিম না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরি। একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরেও একাধিক মাল্টিফ্রন্ট চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান—একদিকে নির্বাচন, অন্যদিকে ফ্যাসিবাদী প্রবণতা, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এক্টরের চাপ।

এ অবস্থায় সীমান্ত এলাকার রাজনীতিবিদ ও জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্বশীল ও কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করা অত্যাবশ্যক। আবেগতাড়িত বা দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ প্রতিটি কথাই রাষ্ট্রের অবস্থান ও জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি জড়িত।

লেখক : সাংবাদিক ও এনসিপি মনোনীত প্রার্থী বান্দরবান-৩০০