ঢাকা ১০:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রহিম উল্লাহ খান রানা শহর ছাত্রদলের সভাপতি পদে আলোচনায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে আনোয়ারী- “সন্ত্রাস, মাদক ও চোরাচালান বন্ধে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে” চকরিয়ায় হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার ৩০ পর্যটক অসুস্থের ঘটনায় আল্-গণিতে যৌথ অভিযান, ৫০ হাজার টাকা দন্ড বাজেটে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য অনেক বেশি বরাদ্দ রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী হতদরিদ্রদের চিকিৎসায় বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে সমন্বয় করবে সরকার রাষ্ট্র ও সমাজকে মেরামত করতে হবে : তথ্যমন্ত্রী সারাদেশে ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে ১৩ জেলায় অব্যাহত থাকবে তাপপ্রবাহ সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস আজ সাংবাদিক মুজিবকে হেনস্থা- উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবের বিবৃতি ও নিন্দা পানের দোকানি থেকে উখিয়া সীমান্তের শীর্ষ ইয়াবা কারবারি-মুন্নার উত্থান যেভাবে কারিনা কায়সার আর নেই লবণের পরিচয় সংকট: কৃষকের ঘামের ফসল, নাকি শুধু শিল্পের কাঁচামাল? ঐক্যবদ্ধ টেকনাফ গড়ার অঙ্গীকার: এনসিপি, যুবশক্তি ও ছাত্রশক্তির যৌথ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে

ছবি: রহিম উদ্দিন

বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমায় মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। এবারে ৬৫ দিনের সময়সীমা কমিয়ে ৫৮ দিন নির্ধারণ করার পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞার সময় পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা হয়েছে।

মাছের বংশবিস্তার, বেড়ে ওঠা ও টেকসই আহরণের জন্য প্রতিবছর মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকবে। তবে নিষেধাজ্ঞা এক মাস এগিয়ে আনাতে বিপাকে পড়েছেন জেলে ও ট্রলার মালিকসহ সংশ্লিষ্টরা।

এ বছর জলদস্যুদের উৎপাতে তেমন বেশি মাছ আহরণ করতে পারেননি জেলেরা। সব কিছু মিলে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাদের। এছাড়া জেলেরা যে সরকারি সহায়তা পায়, তাও অপ্রতুল। এমনটাই জানান জেলেরা।

প্রতিবছর বাংলাদেশের জলসীমায় এই নিষেধাজ্ঞা থাকে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই অর্থাৎ ৬৫ দিন। আর ভারতের জলসীমায় তা থাকে ১৫ এপ্রিল থেকে ১৪ জুন। ৬১ দিন। জেলেদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, বাংলাদেশের নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকার মধ্যে প্রায় ৩৯ দিন ভারতীয় জেলেরা দেদারসে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করে মাছ ধরে নিয়ে যান। এতে দেশের লাখ লাখ জেলেকে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়।

সরকার মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা পুনর্বিন্যাস করে যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, ভারতের নিষেধাজ্ঞো বলবৎ থাকার দুদিন আগেই বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়ে যাবে।

মাছ আহরনে নিষেধাজ্ঞা থাকা অবস্থায় প্রকৃত জেলেদের সরকারি প্রণোদনার আওতায় আনা ও নিষেধাজ্ঞা কমানোর দাবি জানিয়েছেন জেলেরা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রহিম উল্লাহ খান রানা শহর ছাত্রদলের সভাপতি পদে আলোচনায়

মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে

আপডেট সময় : ০৭:৪৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫

বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমায় মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। এবারে ৬৫ দিনের সময়সীমা কমিয়ে ৫৮ দিন নির্ধারণ করার পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞার সময় পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা হয়েছে।

মাছের বংশবিস্তার, বেড়ে ওঠা ও টেকসই আহরণের জন্য প্রতিবছর মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকবে। তবে নিষেধাজ্ঞা এক মাস এগিয়ে আনাতে বিপাকে পড়েছেন জেলে ও ট্রলার মালিকসহ সংশ্লিষ্টরা।

এ বছর জলদস্যুদের উৎপাতে তেমন বেশি মাছ আহরণ করতে পারেননি জেলেরা। সব কিছু মিলে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাদের। এছাড়া জেলেরা যে সরকারি সহায়তা পায়, তাও অপ্রতুল। এমনটাই জানান জেলেরা।

প্রতিবছর বাংলাদেশের জলসীমায় এই নিষেধাজ্ঞা থাকে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই অর্থাৎ ৬৫ দিন। আর ভারতের জলসীমায় তা থাকে ১৫ এপ্রিল থেকে ১৪ জুন। ৬১ দিন। জেলেদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, বাংলাদেশের নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকার মধ্যে প্রায় ৩৯ দিন ভারতীয় জেলেরা দেদারসে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করে মাছ ধরে নিয়ে যান। এতে দেশের লাখ লাখ জেলেকে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়।

সরকার মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা পুনর্বিন্যাস করে যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, ভারতের নিষেধাজ্ঞো বলবৎ থাকার দুদিন আগেই বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়ে যাবে।

মাছ আহরনে নিষেধাজ্ঞা থাকা অবস্থায় প্রকৃত জেলেদের সরকারি প্রণোদনার আওতায় আনা ও নিষেধাজ্ঞা কমানোর দাবি জানিয়েছেন জেলেরা।