ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু মাতারবাড়ি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্মকর্তাদের পুরনো সিন্ডিকেটে জিম্মি পেকুয়ায় সড়কের সংস্কারকাজ বন্ধ, ভোগান্তিতে চলাচল কুতুপালংয়ে ৬ টনের বেশি বর্জ্য অপসারণ আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস: রাষ্ট্রের দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতা “জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই”: সেন্টমার্টিনে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী সত্যিই কি মারা গেছেন লিওনেল মেসির বাবা? খুরুশকুলে মন্দিরের সেবায়েত নয়ন সাধু হত্যা মামলার আসামি আব্দুর রহিম গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ আলীকদমে সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ১ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জ্বালানি খাতকে স্বনির্ভর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে মহেশখালী ঘাটে আগের নিয়মেই টোল আদায় হবে: এমপি আলমগীর ফরিদ প্রধানমন্ত্রীর মাতারবাড়ি সফর: বিদ্যুৎকেন্দ্রে কঠোর নিরাপত্তা জোরদার মুক্তিযুদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সাড়ে ৬ বছরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৫ হাজার ৭১২ জন উখিয়ায় শৌচাগার থেকে পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে

ছবি: রহিম উদ্দিন

বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমায় মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। এবারে ৬৫ দিনের সময়সীমা কমিয়ে ৫৮ দিন নির্ধারণ করার পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞার সময় পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা হয়েছে।

মাছের বংশবিস্তার, বেড়ে ওঠা ও টেকসই আহরণের জন্য প্রতিবছর মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকবে। তবে নিষেধাজ্ঞা এক মাস এগিয়ে আনাতে বিপাকে পড়েছেন জেলে ও ট্রলার মালিকসহ সংশ্লিষ্টরা।

এ বছর জলদস্যুদের উৎপাতে তেমন বেশি মাছ আহরণ করতে পারেননি জেলেরা। সব কিছু মিলে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাদের। এছাড়া জেলেরা যে সরকারি সহায়তা পায়, তাও অপ্রতুল। এমনটাই জানান জেলেরা।

প্রতিবছর বাংলাদেশের জলসীমায় এই নিষেধাজ্ঞা থাকে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই অর্থাৎ ৬৫ দিন। আর ভারতের জলসীমায় তা থাকে ১৫ এপ্রিল থেকে ১৪ জুন। ৬১ দিন। জেলেদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, বাংলাদেশের নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকার মধ্যে প্রায় ৩৯ দিন ভারতীয় জেলেরা দেদারসে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করে মাছ ধরে নিয়ে যান। এতে দেশের লাখ লাখ জেলেকে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়।

সরকার মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা পুনর্বিন্যাস করে যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, ভারতের নিষেধাজ্ঞো বলবৎ থাকার দুদিন আগেই বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়ে যাবে।

মাছ আহরনে নিষেধাজ্ঞা থাকা অবস্থায় প্রকৃত জেলেদের সরকারি প্রণোদনার আওতায় আনা ও নিষেধাজ্ঞা কমানোর দাবি জানিয়েছেন জেলেরা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু

মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে

আপডেট সময় : ০৭:৪৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫

বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমায় মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। এবারে ৬৫ দিনের সময়সীমা কমিয়ে ৫৮ দিন নির্ধারণ করার পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞার সময় পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা হয়েছে।

মাছের বংশবিস্তার, বেড়ে ওঠা ও টেকসই আহরণের জন্য প্রতিবছর মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকবে। তবে নিষেধাজ্ঞা এক মাস এগিয়ে আনাতে বিপাকে পড়েছেন জেলে ও ট্রলার মালিকসহ সংশ্লিষ্টরা।

এ বছর জলদস্যুদের উৎপাতে তেমন বেশি মাছ আহরণ করতে পারেননি জেলেরা। সব কিছু মিলে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাদের। এছাড়া জেলেরা যে সরকারি সহায়তা পায়, তাও অপ্রতুল। এমনটাই জানান জেলেরা।

প্রতিবছর বাংলাদেশের জলসীমায় এই নিষেধাজ্ঞা থাকে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই অর্থাৎ ৬৫ দিন। আর ভারতের জলসীমায় তা থাকে ১৫ এপ্রিল থেকে ১৪ জুন। ৬১ দিন। জেলেদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, বাংলাদেশের নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকার মধ্যে প্রায় ৩৯ দিন ভারতীয় জেলেরা দেদারসে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করে মাছ ধরে নিয়ে যান। এতে দেশের লাখ লাখ জেলেকে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়।

সরকার মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা পুনর্বিন্যাস করে যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, ভারতের নিষেধাজ্ঞো বলবৎ থাকার দুদিন আগেই বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়ে যাবে।

মাছ আহরনে নিষেধাজ্ঞা থাকা অবস্থায় প্রকৃত জেলেদের সরকারি প্রণোদনার আওতায় আনা ও নিষেধাজ্ঞা কমানোর দাবি জানিয়েছেন জেলেরা।