ঢাকা ১০:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্রাজিলকে ‘আমরা ভয় পাই না’: হাকিমি প্রাণের দাবি পুরণ হলো কক্সবাজারবাসীর: মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নত করা ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সম্মাননা পাচ্ছেন প্রয়াত কারিনা কায়সার বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে ধর্ষণের মূলহোতা নূরুল ইসলাম নাহিদ আটক পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান – বিএনপি দেশের মানুষের স্বার্থে কাজ করে শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী, পরিবারের হাতে ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র প্রদান স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক ঘুরে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী মালুমঘাটে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারের জন্য আমার নেতার বৃহত্তর মাস্টার প্ল্যান আছে – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে পিএমখালীতে যান প্রধানমন্ত্রী, পাশে বসান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ‘করবো কাজ, গড়ব দেশ’—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কোদাল দিয়ে মাটি কেটে পাতলী খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়ে প্রথমবার কক্সবাজারে পৌঁছেছেন তারেক রহমান, দিনব্যাপী অংশ নেবেন ১১ কর্মসূচিতে  কক্সবাজারের পথে সপরিবারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারের মানুষের ৩ দাবি

মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে

ছবি: রহিম উদ্দিন

বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমায় মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। এবারে ৬৫ দিনের সময়সীমা কমিয়ে ৫৮ দিন নির্ধারণ করার পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞার সময় পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা হয়েছে।

মাছের বংশবিস্তার, বেড়ে ওঠা ও টেকসই আহরণের জন্য প্রতিবছর মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকবে। তবে নিষেধাজ্ঞা এক মাস এগিয়ে আনাতে বিপাকে পড়েছেন জেলে ও ট্রলার মালিকসহ সংশ্লিষ্টরা।

এ বছর জলদস্যুদের উৎপাতে তেমন বেশি মাছ আহরণ করতে পারেননি জেলেরা। সব কিছু মিলে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাদের। এছাড়া জেলেরা যে সরকারি সহায়তা পায়, তাও অপ্রতুল। এমনটাই জানান জেলেরা।

প্রতিবছর বাংলাদেশের জলসীমায় এই নিষেধাজ্ঞা থাকে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই অর্থাৎ ৬৫ দিন। আর ভারতের জলসীমায় তা থাকে ১৫ এপ্রিল থেকে ১৪ জুন। ৬১ দিন। জেলেদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, বাংলাদেশের নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকার মধ্যে প্রায় ৩৯ দিন ভারতীয় জেলেরা দেদারসে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করে মাছ ধরে নিয়ে যান। এতে দেশের লাখ লাখ জেলেকে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়।

সরকার মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা পুনর্বিন্যাস করে যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, ভারতের নিষেধাজ্ঞো বলবৎ থাকার দুদিন আগেই বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়ে যাবে।

মাছ আহরনে নিষেধাজ্ঞা থাকা অবস্থায় প্রকৃত জেলেদের সরকারি প্রণোদনার আওতায় আনা ও নিষেধাজ্ঞা কমানোর দাবি জানিয়েছেন জেলেরা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রাজিলকে ‘আমরা ভয় পাই না’: হাকিমি

মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে

আপডেট সময় : ০৭:৪৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫

বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমায় মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। এবারে ৬৫ দিনের সময়সীমা কমিয়ে ৫৮ দিন নির্ধারণ করার পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞার সময় পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা হয়েছে।

মাছের বংশবিস্তার, বেড়ে ওঠা ও টেকসই আহরণের জন্য প্রতিবছর মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকবে। তবে নিষেধাজ্ঞা এক মাস এগিয়ে আনাতে বিপাকে পড়েছেন জেলে ও ট্রলার মালিকসহ সংশ্লিষ্টরা।

এ বছর জলদস্যুদের উৎপাতে তেমন বেশি মাছ আহরণ করতে পারেননি জেলেরা। সব কিছু মিলে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাদের। এছাড়া জেলেরা যে সরকারি সহায়তা পায়, তাও অপ্রতুল। এমনটাই জানান জেলেরা।

প্রতিবছর বাংলাদেশের জলসীমায় এই নিষেধাজ্ঞা থাকে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই অর্থাৎ ৬৫ দিন। আর ভারতের জলসীমায় তা থাকে ১৫ এপ্রিল থেকে ১৪ জুন। ৬১ দিন। জেলেদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, বাংলাদেশের নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকার মধ্যে প্রায় ৩৯ দিন ভারতীয় জেলেরা দেদারসে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করে মাছ ধরে নিয়ে যান। এতে দেশের লাখ লাখ জেলেকে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়।

সরকার মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা পুনর্বিন্যাস করে যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, ভারতের নিষেধাজ্ঞো বলবৎ থাকার দুদিন আগেই বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়ে যাবে।

মাছ আহরনে নিষেধাজ্ঞা থাকা অবস্থায় প্রকৃত জেলেদের সরকারি প্রণোদনার আওতায় আনা ও নিষেধাজ্ঞা কমানোর দাবি জানিয়েছেন জেলেরা।