ঢাকা ০২:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মির্জা আব্বাসের শপথ স্থগিত রাখতে ইসিতে পাটওয়ারীর আবেদন কেমন হচ্ছে নতুন মন্ত্রিসভা, আলোচনায় কারা জনপ্রশাসন নাকি স্বরাষ্ট্র কোন মন্ত্রণালয় পাচ্ছেন সালাহউদ্দিন আহমদ মঙ্গলবার সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এমপি-মন্ত্রীদের শপথ বাংলাদেশের নির্বাচন ও গণভোটকে স্বাগত জানাল জাতিসংঘ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে বিএনসিসি এর দায়িত্ব পালন শাহজাহান-আনোয়ারীর লড়াই জমালো যে ‘ভোটব্যাংক’ তারেক রহমানের সাথে আলমগীর ফরিদের শুভেচ্ছা বিনিময় উখিয়ায় নির্বাচন পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বন্ধে এনসিপির আহবান কক্সবাজারের চারটি আসনে ১০ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত চকরিয়ার ফুলের রাজ্যে ২ কোটি টাকার ফুল বিক্রি ঢাকায় সালাহউদ্দিনের সাথে আলমগীর ফরিদ, ‘জয়ের আনন্দ ভাগাভাগি’ মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার: রাষ্ট্রের প্রশ্নে আপসহীনতা মহেশখালীর সাতদিনব্যাপী আদিনাথ মেলা শুরু আগামীকাল থেকে কক্সবাজার ৪ সহ ৩০টি আসনে জয়ীদের শপথ স্থগিতে আইনী পদক্ষেপ নেবে জামায়াত

বিসমটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান ড. ইউনূসকে কক্সবাজার কমিউনিটি অ্যালায়েন্সের অভিনন্দন

বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিসমটেক (Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation) এর পরবর্তী চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ায় আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে কক্সবাজার কমিউনিটি অ্যালায়েন্স।

সংগঠনটি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করে, ড. ইউনূসের এই নেতৃত্ব বাংলাদেশ এবং বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের জন্য এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

সেইসাথে বিসমটেকের নতুন নেতৃত্বকে অভিনন্দন জানিয়ে তারা আরো উল্লেখ করে, “ড. ইউনূসের ন্যায়সংগত ও উদ্ভাবনী চিন্তা বাংলাদেশ এবং বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের সমৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। আমরা আশাবাদী, এই ঐতিহাসিক নেতৃত্ব বঙ্গোপসাগরকে শান্তি, সহযোগিতা ও সমৃদ্ধির প্রতীকে পরিণত করবে।”

“বিসমটেকের নতুন নেতৃত্বের অধীনে সমুদ্রসম্পদ, শিপিং লেন ও বাণিজ্যিক করিডোরগুলোর ন্যায্য ব্যবহার নিশ্চিত হবে। ড. ইউনূসের কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়িত হলে সমুদ্র অর্থনীতি, মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর এবং নীল অর্থনীতির (Blue Economy) মতো প্রকল্পগুলো বাংলাদেশকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে একটি শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাবে।”

১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিসমটেক বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান ও থাইল্যান্ডের মধ্যে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার আলোকে ড. ইউনূসের নেতৃত্ব বাংলাদেশকে প্রথমবারের মতো এই ফোরামের নীতি নির্ধারণের কেন্দ্রে নিয়ে আসবে, যা গর্বের ও সম্ভাবনাময় এক অধ্যায় বলে মনে করে কক্সবাজার কমিউনিটি এলায়েন্স।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

This will close in 6 seconds

বিসমটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান ড. ইউনূসকে কক্সবাজার কমিউনিটি অ্যালায়েন্সের অভিনন্দন

আপডেট সময় : ০৪:০৬:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫

বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিসমটেক (Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation) এর পরবর্তী চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ায় আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে কক্সবাজার কমিউনিটি অ্যালায়েন্স।

সংগঠনটি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করে, ড. ইউনূসের এই নেতৃত্ব বাংলাদেশ এবং বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের জন্য এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

সেইসাথে বিসমটেকের নতুন নেতৃত্বকে অভিনন্দন জানিয়ে তারা আরো উল্লেখ করে, “ড. ইউনূসের ন্যায়সংগত ও উদ্ভাবনী চিন্তা বাংলাদেশ এবং বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের সমৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। আমরা আশাবাদী, এই ঐতিহাসিক নেতৃত্ব বঙ্গোপসাগরকে শান্তি, সহযোগিতা ও সমৃদ্ধির প্রতীকে পরিণত করবে।”

“বিসমটেকের নতুন নেতৃত্বের অধীনে সমুদ্রসম্পদ, শিপিং লেন ও বাণিজ্যিক করিডোরগুলোর ন্যায্য ব্যবহার নিশ্চিত হবে। ড. ইউনূসের কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়িত হলে সমুদ্র অর্থনীতি, মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর এবং নীল অর্থনীতির (Blue Economy) মতো প্রকল্পগুলো বাংলাদেশকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে একটি শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাবে।”

১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিসমটেক বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান ও থাইল্যান্ডের মধ্যে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার আলোকে ড. ইউনূসের নেতৃত্ব বাংলাদেশকে প্রথমবারের মতো এই ফোরামের নীতি নির্ধারণের কেন্দ্রে নিয়ে আসবে, যা গর্বের ও সম্ভাবনাময় এক অধ্যায় বলে মনে করে কক্সবাজার কমিউনিটি এলায়েন্স।