ঢাকা ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুতুবদিয়ায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ৮৪ আনসার-ভিডিপি সদস্য, থাকছে ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’ প্রথমবারের মতো স্থানীয় ভিসি পেল সিবিআইইউ : দায়িত্ব নিলেন ড. মোকতার আহমেদ ২ দিনের সফরে শনিবার কক্সবাজার আসছেন পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম কক্সবাজার বিমানবন্দর: সাগরে বসানো লাইট চুরির ঘটনা কীভাবে ঘটলো? রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালি, প্রতিবাদে কক্সবাজারে ‘শতকণ্ঠে রবীন্দ্র-নজরুল’ হ্নীলার রঙ্গিখালী ও বাহারছড়ার বড় ডেইলে সেনা ক্যাম্প নির্মাণের স্থান পরিদর্শনে এমপি শাহজাহান চৌধুরী খুঁটির উপর ভর করে আছে কালভার্ট, ঝুঁকিতে কয়েক হাজার মানুষ রামুতে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলো শামসুল হক ফাউন্ডেশন ব্যাংকে পড়ে আছে ১৭২ কোটি টাকা, জানেন না মালিক ও উত্তরাধিকারীরা! রামুতে সুপার শপে আগুন রামুতে সুপার শপে আগুন ঢাকা-কক্সবাজার রুট: মহানগর এক্সপ্রেসের টিকিট বিক্রি শুরু আজ কক্সবাজারে ৩২৪ মণ্ডপে দুর্গোৎসব শুরু, আজ মহাষষ্ঠী অন্যের দুর্দশার খবর লিখি, আমাদের দুর্দশা লিখবে কে? তাজমিনের মৃত্যু :রাজুর বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ডের নির্দেশ আদালতের

ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসেনি এক ঘন্টায়ও! মারাত্মক এক অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষা পেল বার্মিজ মার্কেট!

স্থানীয়দের সাহসী উদ্যোগেই বাঁচল কয়েকটি মার্কেট, ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা ও প্লাস্টিকের ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে উদ্বেগ ব্যবসায়ীদের।

কক্সবাজারের পূর্ব বাজার ঘাটা তথা বার্মিজ মার্কেট এলাকায় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কেট। জরুরি মুহূর্তে ফায়ার সার্ভিস ও বিদ্যুৎ বিভাগের দ্রুত উপস্থিতি না থাকলেও স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সাহসী উদ্যোগে নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন।

বৃহস্পতিবার (আজ) দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে পূর্ব বাজার ঘাটা, বৌদ্ধ মন্দির সড়কের প্রবেশমুখে আবু সেন্টারের ডান পাশের মার্কেটের সামনে থাকা একটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারে আগুন ধরে যায়।

স্থানীয় দোকানদারদের দাবি, ট্রান্সফরমারের পাশে থাকা অসংখ্য বৈদ্যুতিক ও ইন্টারনেটের তারের জটলা থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকান ও মার্কেটগুলোতে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই আশপাশে থাকা প্লাস্টিকের ব্যানার-ফেস্টুনগুলো পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে। দাহ্য এসব উপকরণ আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে সহায়তা করেছে। বিশেষ করে বৈদ্যুতিক তার ও ট্রান্সফরমারের আশপাশে ঝুলে থাকা ব্যানার-ফেস্টুনগুলো বড় ধরনের বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

জরুরি মুহূর্তে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে না পৌঁছানোয় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ নিজেরাই আগুন নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে আসেন। তারা ফায়ার এক্সটিংগুইশার ও পানি ব্যবহার করে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।

স্থানীয়দের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের কারণে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। একটু দেরি হলে আগুন পাশের মার্কেটগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারত বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

তবে এ ঘটনার পর আবারও প্রশ্ন উঠেছে—জরুরি পরিস্থিতিতে ফায়ার সার্ভিস ও বিদ্যুৎ বিভাগের দ্রুত সাড়া নিশ্চিত করা যাচ্ছে না কেন?

একটি ঘনবসতিপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক সংযোগ, অপরিকল্পিত তারের জটলা এবং অগ্নিঝুঁকিপূর্ণ উপকরণের বিষয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আজ স্থানীয় জনগণ নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছেন। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব হলো—ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, অগ্নিঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা ও অনিরাপদ ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুতুবদিয়ায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ৮৪ আনসার-ভিডিপি সদস্য, থাকছে ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’

ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসেনি এক ঘন্টায়ও! মারাত্মক এক অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষা পেল বার্মিজ মার্কেট!

আপডেট সময় : ০২:৩২:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্থানীয়দের সাহসী উদ্যোগেই বাঁচল কয়েকটি মার্কেট, ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা ও প্লাস্টিকের ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে উদ্বেগ ব্যবসায়ীদের।

কক্সবাজারের পূর্ব বাজার ঘাটা তথা বার্মিজ মার্কেট এলাকায় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কেট। জরুরি মুহূর্তে ফায়ার সার্ভিস ও বিদ্যুৎ বিভাগের দ্রুত উপস্থিতি না থাকলেও স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সাহসী উদ্যোগে নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন।

বৃহস্পতিবার (আজ) দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে পূর্ব বাজার ঘাটা, বৌদ্ধ মন্দির সড়কের প্রবেশমুখে আবু সেন্টারের ডান পাশের মার্কেটের সামনে থাকা একটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারে আগুন ধরে যায়।

স্থানীয় দোকানদারদের দাবি, ট্রান্সফরমারের পাশে থাকা অসংখ্য বৈদ্যুতিক ও ইন্টারনেটের তারের জটলা থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকান ও মার্কেটগুলোতে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই আশপাশে থাকা প্লাস্টিকের ব্যানার-ফেস্টুনগুলো পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে। দাহ্য এসব উপকরণ আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে সহায়তা করেছে। বিশেষ করে বৈদ্যুতিক তার ও ট্রান্সফরমারের আশপাশে ঝুলে থাকা ব্যানার-ফেস্টুনগুলো বড় ধরনের বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

জরুরি মুহূর্তে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে না পৌঁছানোয় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ নিজেরাই আগুন নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে আসেন। তারা ফায়ার এক্সটিংগুইশার ও পানি ব্যবহার করে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।

স্থানীয়দের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের কারণে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। একটু দেরি হলে আগুন পাশের মার্কেটগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারত বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

তবে এ ঘটনার পর আবারও প্রশ্ন উঠেছে—জরুরি পরিস্থিতিতে ফায়ার সার্ভিস ও বিদ্যুৎ বিভাগের দ্রুত সাড়া নিশ্চিত করা যাচ্ছে না কেন?

একটি ঘনবসতিপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক সংযোগ, অপরিকল্পিত তারের জটলা এবং অগ্নিঝুঁকিপূর্ণ উপকরণের বিষয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আজ স্থানীয় জনগণ নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছেন। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব হলো—ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, অগ্নিঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা ও অনিরাপদ ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া।