ঢাকা ০২:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়ার হারেসের সুরে মুগ্ধ নেট দুনিয়া,সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবী কক্সবাজারে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের স্বীকৃতি: জাতিসংঘের প্ল্যাটফর্মে ফিচারড SURGE Bangladesh শহরের কুতুবদিয়া পাড়ার আলোচিত রোজিনাকে আটক করেছে পুলিশ বিয়ের অতিথি ১০০ ছাড়ালে জনপ্রতি ১০০০ টাকা ট্যাক্স বসানোর দাবি এমপির বাংলাদেশকে নিষিদ্ধ করতে আইসিসিতে চিঠি সাবেক বিসিবি সভাপতির টেকনাফে সড়কের দুই পাশে কলেমা লেখা সাদা পতাকা আ’র’কা’ন আ’র্মি প্রধানের বাংলাদেশে চিকিৎসা নেওয়ার খবর কতটুকু সত্য? মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি রোজিনা গ্রেপ্তার কক্সবাজার জেলা জামায়াত আমীরের উদ্যোগে মুক্ত হলো হাসপাতাল বিলের জন্য আটকে থাকা রিয়াজের মরদেহ মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দুটি বোটসহ ২১ জনকে আটক করেছে নৌবাহিনী সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সবুজ উদ্যোগ -কক্সবাজারে ১ হাজার গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ মহেশখালীতে বাচ্চুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী দুই হত্যা চেষ্টা মামলার পলাতক আসামি অহিদুল গ্রেপ্তার  কক্সবাজার সদর থানায় শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ড, অল্প সময়েই নিয়ন্ত্রণে আগুন ​”ব্লাড ক্যান্সারে মারা যাওয়া টেকনাফের শিক্ষার্থী রিয়াজের মরদেহ আটকে আছে হাসপাতালে, সাহায্যের আবেদন

পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকার মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণে ‘সিএইচটি’ সম্প্রীতি জোটের ৬ দফা দাবি

পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সকল জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে ‘সিএইচটি সম্প্রীতি জোট’ তাদের দাবি পেশ করেছে।

সংগঠনটি মনে করে, পাহাড়ের শান্তি রক্ষার পাশাপাশি দুর্গম এলাকার মানুষের মৌলিক অধিকারের অভাব দূর করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।

​২১ ডিসেম্বর বান্দরবানের আলিকদম বাজার ব্যবসায়ী সমিতির হল রুমে সংগঠনের পক্ষ থেকে পূর্বের ৬ দফা দাবির সাথে পার্বত্য বান্দরবানের দুর্গম এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের কাছে বিশেষ কিছু দাবি তুলে ধরেন সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের আহবায়ক ইন্জিনিয়ারিং থোয়াই চিং মং শাক। তার মধ্যে অন্যতম দাবি হলো:

দুর্গম এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা:

বান্দরবানের যেসব এলাকায় হাসপাতাল নেই, সেখানে পর্যাপ্ত ‘কমিউনিটি ক্লিনিক’ স্থাপন এবং মোবাইল মেডিকেল টিমের মাধ্যমে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। পাহাড়ি মা ও শিশুদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন:

দুর্গম পাড়াগুলোতে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন এবং স্থানীয় ভাষায় পাঠদানের ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য উপজেলা সদরে আবাসিক হোস্টেলের সুবিধা বাড়ানো জরুরি।

সুপেয় পানি ও স্যানিটেশন:

পাহাড়ে তীব্র পানির সংকট নিরসনে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং এবং গভীর নলকূপ স্থাপনের মাধ্যমে সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

যোগাযোগ ও অবকাঠামো:

উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাত করার লক্ষ্যে দুর্গম এলাকার সাথে উপজেলা ও জেলা সদরের সড়ক যোগাযোগ উন্নত করতে হবে। বিচ্ছিন্ন এলাকাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ ও নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্কের ব্যবস্থা করতে হবে।

ভূমি ও কর্মসংস্থান:

জুম চাষিদের অধিকার রক্ষা এবং ভূমি সমস্যার ন্যায়সঙ্গত সমাধানের মাধ্যমে স্থানীয়দের স্থায়ী কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে।

নিরাপত্তা:

পার্বত্য অঞ্চলের নিরাপত্তা রক্ষায় সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সন্ত্রাসী তৎপরতা দমনে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করতে হবে।

​‘সিএইচটি সম্প্রীতি জোট’ বিশ্বাস করে, সংবিধানে সকল জাতির সঠিক স্বীকৃতি, রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি (সংসদীয় আসন ৩ থেকে ৯-এ উন্নীত করা) এবং দুর্গম এলাকার মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারলেই পাহাড়ে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ফিরে আসবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ার হারেসের সুরে মুগ্ধ নেট দুনিয়া,সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবী

পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকার মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণে ‘সিএইচটি’ সম্প্রীতি জোটের ৬ দফা দাবি

আপডেট সময় : ০৯:০২:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সকল জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে ‘সিএইচটি সম্প্রীতি জোট’ তাদের দাবি পেশ করেছে।

সংগঠনটি মনে করে, পাহাড়ের শান্তি রক্ষার পাশাপাশি দুর্গম এলাকার মানুষের মৌলিক অধিকারের অভাব দূর করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।

​২১ ডিসেম্বর বান্দরবানের আলিকদম বাজার ব্যবসায়ী সমিতির হল রুমে সংগঠনের পক্ষ থেকে পূর্বের ৬ দফা দাবির সাথে পার্বত্য বান্দরবানের দুর্গম এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের কাছে বিশেষ কিছু দাবি তুলে ধরেন সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের আহবায়ক ইন্জিনিয়ারিং থোয়াই চিং মং শাক। তার মধ্যে অন্যতম দাবি হলো:

দুর্গম এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা:

বান্দরবানের যেসব এলাকায় হাসপাতাল নেই, সেখানে পর্যাপ্ত ‘কমিউনিটি ক্লিনিক’ স্থাপন এবং মোবাইল মেডিকেল টিমের মাধ্যমে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। পাহাড়ি মা ও শিশুদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন:

দুর্গম পাড়াগুলোতে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন এবং স্থানীয় ভাষায় পাঠদানের ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য উপজেলা সদরে আবাসিক হোস্টেলের সুবিধা বাড়ানো জরুরি।

সুপেয় পানি ও স্যানিটেশন:

পাহাড়ে তীব্র পানির সংকট নিরসনে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং এবং গভীর নলকূপ স্থাপনের মাধ্যমে সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

যোগাযোগ ও অবকাঠামো:

উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাত করার লক্ষ্যে দুর্গম এলাকার সাথে উপজেলা ও জেলা সদরের সড়ক যোগাযোগ উন্নত করতে হবে। বিচ্ছিন্ন এলাকাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ ও নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্কের ব্যবস্থা করতে হবে।

ভূমি ও কর্মসংস্থান:

জুম চাষিদের অধিকার রক্ষা এবং ভূমি সমস্যার ন্যায়সঙ্গত সমাধানের মাধ্যমে স্থানীয়দের স্থায়ী কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে।

নিরাপত্তা:

পার্বত্য অঞ্চলের নিরাপত্তা রক্ষায় সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সন্ত্রাসী তৎপরতা দমনে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করতে হবে।

​‘সিএইচটি সম্প্রীতি জোট’ বিশ্বাস করে, সংবিধানে সকল জাতির সঠিক স্বীকৃতি, রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি (সংসদীয় আসন ৩ থেকে ৯-এ উন্নীত করা) এবং দুর্গম এলাকার মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারলেই পাহাড়ে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ফিরে আসবে।