ঢাকা ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নতুন আলোচনায় কারা?  / উখিয়ায় ৬ বছর ধরে ‘মেয়াদউর্ত্তীণ’ ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটি  চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা, জড়িতদের শাস্তি দাবি অভিযুক্ত ডিবি কার্যালয়ে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে র‍্যাব ​টেকনাফে তরুণদের কারিগরি দক্ষতা মেলা ও ট্যালেন্ট হান্ট অনুষ্ঠিত কুতুবদিয়ায় ভূমি বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা সম্পন্ন চকরিয়ায় পৃথক ঘটনায় একদিনে তিনজনের মৃত্যু রামিসার বাসায় গেলেন প্রধানমন্ত্রী ঈদগাঁওতে ৩টি কামানের গোলা উদ্ধার শিশু রামিসার বাসায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে জেলা তথ্য অফিসের প্রচার কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে প্রেস ব্রিফিং  ক্যারিয়ারের ৭টি ফাইনালেই অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন এমি মার্টিনেজ লামায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ভস্মীভূত, ক্ষয়ক্ষতি প্রায় আড়াই লাখ টাকা লামায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ভস্মীভূত, ক্ষয়ক্ষতি প্রায় আড়াই লাখ টাকা খুটাখালীতে ইয়াবার চালান নিয়ে পালাতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু উখিয়ায় মহাসড়কে পশু হাট, শর্ত লঙ্ঘন করে অনুমোদন দিলেন ইউএনও!

পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকার মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণে ‘সিএইচটি’ সম্প্রীতি জোটের ৬ দফা দাবি

পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সকল জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে ‘সিএইচটি সম্প্রীতি জোট’ তাদের দাবি পেশ করেছে।

সংগঠনটি মনে করে, পাহাড়ের শান্তি রক্ষার পাশাপাশি দুর্গম এলাকার মানুষের মৌলিক অধিকারের অভাব দূর করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।

​২১ ডিসেম্বর বান্দরবানের আলিকদম বাজার ব্যবসায়ী সমিতির হল রুমে সংগঠনের পক্ষ থেকে পূর্বের ৬ দফা দাবির সাথে পার্বত্য বান্দরবানের দুর্গম এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের কাছে বিশেষ কিছু দাবি তুলে ধরেন সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের আহবায়ক ইন্জিনিয়ারিং থোয়াই চিং মং শাক। তার মধ্যে অন্যতম দাবি হলো:

দুর্গম এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা:

বান্দরবানের যেসব এলাকায় হাসপাতাল নেই, সেখানে পর্যাপ্ত ‘কমিউনিটি ক্লিনিক’ স্থাপন এবং মোবাইল মেডিকেল টিমের মাধ্যমে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। পাহাড়ি মা ও শিশুদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন:

দুর্গম পাড়াগুলোতে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন এবং স্থানীয় ভাষায় পাঠদানের ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য উপজেলা সদরে আবাসিক হোস্টেলের সুবিধা বাড়ানো জরুরি।

সুপেয় পানি ও স্যানিটেশন:

পাহাড়ে তীব্র পানির সংকট নিরসনে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং এবং গভীর নলকূপ স্থাপনের মাধ্যমে সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

যোগাযোগ ও অবকাঠামো:

উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাত করার লক্ষ্যে দুর্গম এলাকার সাথে উপজেলা ও জেলা সদরের সড়ক যোগাযোগ উন্নত করতে হবে। বিচ্ছিন্ন এলাকাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ ও নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্কের ব্যবস্থা করতে হবে।

ভূমি ও কর্মসংস্থান:

জুম চাষিদের অধিকার রক্ষা এবং ভূমি সমস্যার ন্যায়সঙ্গত সমাধানের মাধ্যমে স্থানীয়দের স্থায়ী কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে।

নিরাপত্তা:

পার্বত্য অঞ্চলের নিরাপত্তা রক্ষায় সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সন্ত্রাসী তৎপরতা দমনে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করতে হবে।

​‘সিএইচটি সম্প্রীতি জোট’ বিশ্বাস করে, সংবিধানে সকল জাতির সঠিক স্বীকৃতি, রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি (সংসদীয় আসন ৩ থেকে ৯-এ উন্নীত করা) এবং দুর্গম এলাকার মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারলেই পাহাড়ে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ফিরে আসবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন আলোচনায় কারা?  / উখিয়ায় ৬ বছর ধরে ‘মেয়াদউর্ত্তীণ’ ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটি 

পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকার মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণে ‘সিএইচটি’ সম্প্রীতি জোটের ৬ দফা দাবি

আপডেট সময় : ০৯:০২:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সকল জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে ‘সিএইচটি সম্প্রীতি জোট’ তাদের দাবি পেশ করেছে।

সংগঠনটি মনে করে, পাহাড়ের শান্তি রক্ষার পাশাপাশি দুর্গম এলাকার মানুষের মৌলিক অধিকারের অভাব দূর করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।

​২১ ডিসেম্বর বান্দরবানের আলিকদম বাজার ব্যবসায়ী সমিতির হল রুমে সংগঠনের পক্ষ থেকে পূর্বের ৬ দফা দাবির সাথে পার্বত্য বান্দরবানের দুর্গম এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের কাছে বিশেষ কিছু দাবি তুলে ধরেন সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের আহবায়ক ইন্জিনিয়ারিং থোয়াই চিং মং শাক। তার মধ্যে অন্যতম দাবি হলো:

দুর্গম এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা:

বান্দরবানের যেসব এলাকায় হাসপাতাল নেই, সেখানে পর্যাপ্ত ‘কমিউনিটি ক্লিনিক’ স্থাপন এবং মোবাইল মেডিকেল টিমের মাধ্যমে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। পাহাড়ি মা ও শিশুদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন:

দুর্গম পাড়াগুলোতে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন এবং স্থানীয় ভাষায় পাঠদানের ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য উপজেলা সদরে আবাসিক হোস্টেলের সুবিধা বাড়ানো জরুরি।

সুপেয় পানি ও স্যানিটেশন:

পাহাড়ে তীব্র পানির সংকট নিরসনে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং এবং গভীর নলকূপ স্থাপনের মাধ্যমে সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

যোগাযোগ ও অবকাঠামো:

উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাত করার লক্ষ্যে দুর্গম এলাকার সাথে উপজেলা ও জেলা সদরের সড়ক যোগাযোগ উন্নত করতে হবে। বিচ্ছিন্ন এলাকাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ ও নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্কের ব্যবস্থা করতে হবে।

ভূমি ও কর্মসংস্থান:

জুম চাষিদের অধিকার রক্ষা এবং ভূমি সমস্যার ন্যায়সঙ্গত সমাধানের মাধ্যমে স্থানীয়দের স্থায়ী কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে।

নিরাপত্তা:

পার্বত্য অঞ্চলের নিরাপত্তা রক্ষায় সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সন্ত্রাসী তৎপরতা দমনে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করতে হবে।

​‘সিএইচটি সম্প্রীতি জোট’ বিশ্বাস করে, সংবিধানে সকল জাতির সঠিক স্বীকৃতি, রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি (সংসদীয় আসন ৩ থেকে ৯-এ উন্নীত করা) এবং দুর্গম এলাকার মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারলেই পাহাড়ে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ফিরে আসবে।