ঢাকা ১০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইসলামী ব্যাংকের পুরো বোর্ড ভেঙে দিলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার নাম করে আনছিলো ইয়াবা : আটক  যুবদল নেতা, দল থেকে বহিস্কার কক্সবাজারে দুইশ কিলোমিটার ড্রাইভ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ১৫ বছর পরও স্মৃতিতে অমলিন নেতা শাহ আলম সরকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবান্ধব শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে- এমপি কাজল সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ গ্রেপ্তার আত্মসমর্পণ করতে আদালতে আসছেন এমপি আমির হামজা একই পরিবারের ৪ সদস্যের আত্মহত্যা ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার নিজ বাড়ি থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার নজরুল বর্ষ ঘিরে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠান হবে ৬৪ জেলায়: সংস্কৃতিমন্ত্রী দুর্ভিক্ষপীড়িত রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন জিয়াউর রহমান: মির্জা ফখরুল ‘এগিয়ে চলো ব্রাজিল’, সতীর্থদের প্রতি নেইমার বিশ্বকাপ জিততে এসেছি, ব্যক্তিগত পুরস্কার নয়: ভিনিসিয়ুস প্রায় ১৪ ঘণ্টার সফর শেষে ঢাকা ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নাইক্ষ্যংছড়িতে ১১ বিজিবির মানবিক সহায়তা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকায় পাহাড়ি ও বাঙ্গালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সুসম্পর্ক ও পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদারের লক্ষ্যে ১১ বিজিবি নাইক্ষ্যংছড়ি জোনের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা এবং মানবিক সহায়তা প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) নাইক্ষ্যংছড়ি জোন সদরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা, সেলাই মেশিন এবং খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনগণসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ১১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস কে এম কপিল উদ্দিন কায়েস।

এসময় তিনি বলেন- দেশের সীমান্তরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং ‘অপারেশন উত্তরণ’-এর আওতায় সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিজিবি দীর্ঘদিন ধরে নানামুখী জনবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। আজকের এ কর্মসূচি সেই চলমান সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেরই ধারাবাহিক অংশ।

তিনি বলেন- বিজিবির দৃঢ় বিশ্বাস, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার মাধ্যমে পাহাড়ি ও বাঙ্গালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে স্থায়ী শান্তি ও সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে—যা এ অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

অনুষ্ঠানে ১১ বিজিবির উপঅধিনায়ক মেজর আশিকুর রহমান, নাইক্ষ্যংছড়ি থানা ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি, উপজেলার হেডম্যানগণ, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত প্রশাসকবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং মাদ্রাসা শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিত অতিথিরা মনে করেন বিজিবির এ ধরনের মানবিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ উদ্যোগ সীমান্ত অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি আরও জোরদার করবে।

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

নাইক্ষ্যংছড়িতে ১১ বিজিবির মানবিক সহায়তা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০৫:২৬:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকায় পাহাড়ি ও বাঙ্গালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সুসম্পর্ক ও পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদারের লক্ষ্যে ১১ বিজিবি নাইক্ষ্যংছড়ি জোনের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা এবং মানবিক সহায়তা প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) নাইক্ষ্যংছড়ি জোন সদরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা, সেলাই মেশিন এবং খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনগণসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ১১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস কে এম কপিল উদ্দিন কায়েস।

এসময় তিনি বলেন- দেশের সীমান্তরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং ‘অপারেশন উত্তরণ’-এর আওতায় সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিজিবি দীর্ঘদিন ধরে নানামুখী জনবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। আজকের এ কর্মসূচি সেই চলমান সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেরই ধারাবাহিক অংশ।

তিনি বলেন- বিজিবির দৃঢ় বিশ্বাস, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার মাধ্যমে পাহাড়ি ও বাঙ্গালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে স্থায়ী শান্তি ও সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে—যা এ অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

অনুষ্ঠানে ১১ বিজিবির উপঅধিনায়ক মেজর আশিকুর রহমান, নাইক্ষ্যংছড়ি থানা ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি, উপজেলার হেডম্যানগণ, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত প্রশাসকবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং মাদ্রাসা শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিত অতিথিরা মনে করেন বিজিবির এ ধরনের মানবিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ উদ্যোগ সীমান্ত অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি আরও জোরদার করবে।